Facebook Pixel

জোটে যদি মোটে একটি পয়সা, খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি দুটি যদি জোটে অর্ধেক দিয়ে, ফুল কিনো হে অনুরাগী। বাজারে বিকায় ফল তন্ডুল, সে শুধু মিটায় দেহের ক্ষুধা হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা। ক. রোদ্যাঁ কে? খ. 'মানুষের দেহ-মনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন? নিজের ভাষায় লেখো। ঘ. 'হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা'- উদ্দীপকের এই উক্তির মর্মার্থ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন। যুক্তিসহ লেখো।

বিষয়: বাংলা ১ম পত্র | অধ্যায়: গদ্য - সাহিত্যে খেলা

উৎস: Test Exam Question ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. রোঁদ্যা হলেন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর। খ. উদ্দেশ্যহীন ও নিষ্কাম কর্ম হওয়ায় মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ। মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই খেলাধুলার মূল লক্ষ্য। যে খেলার অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে, তা জুয়া খেলা। ক্রীড়ায় শুধু আনন্দ থাকে, ক্রীড়াবিদরা এতে অন্যকিছুর প্রত্যাশা করেন না। ক্রীড়ার মধ্যে কামনা-বাসনার কোনো হীন অভিসন্ধি কাজ করে না বলে ক্রীড়াকে বলা হয়ে থাকে শ্রেষ্ঠ কর্ম। গ. উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার সাহিত্যের মাধ্যমে আনন্দ দান ও প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে লেখক নিছক আনন্দ দানের উদ্দেশ্যে লেখার পরামর্শ দিয়েছে। কেননা কারও মনোরঞ্জনের নিমিত্তে সাহিত্য সৃষ্টি হলে তা হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। তাই অন্য উদ্দেশ্যে লেখা অকর্তব্য। উদ্দীপকে লেখক মনোজাগতিক আনন্দের প্রতীক হিসেবে ফুলকে উপস্থাপন করেছেন। বাজারের ফল, তণ্ডুল-জাতীয় খাদ্যদ্রব্য দেহের ক্ষুধা মেটালেও তা হৃদয়ের ক্ষুধা নিবারণ করতে অক্ষম। ফুলের সৌন্দর্য হৃদয়ে আনন্দের ধারা বইয়ে দেয়। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধেও লেখক একমাত্র আনন্দ প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করতে বলেছেন। অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করলে সাহিত্য হয়ে পড়ে আরোপিত। সাহিত্যের রসাস্বাদন করে মানুষ স্বেচ্ছায় ও সানন্দে। উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়ার সাথে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের এ দিকটি তুলনাযোগ্য। ঘ. উদ্দীপকের "হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা”- পঙ্ক্তিটি 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য তথা আনন্দ দানকে নির্দেশ করায়, উদ্দীপকের এই উক্তিটির মর্মার্থ 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন। মন্তব্যটি যৌক্তিক। প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। সাহিত্যের রস আস্বাদন করে মানুষ স্বেচ্ছায় ও আনন্দে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে ফুল আনন্দের প্রতীক। এটি হৃদয় ও প্রাণে আনন্দের দ্যুতি ছড়ায়, যা মানুষকে উজ্জীবিত করে। ফলে ফুল প্রাণের সুধার প্রতীক। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধেও লেখক সাহিত্যকে আনন্দের অনুষঙ্গ হিসেবে দেখিয়েছেন। সাহিত্য মানুষকে আনন্দ দেয় বলে সাহিত্যের সংস্পর্শে মানুষ উজ্জীবিত হয়। উদ্দীপকের "হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা”- পঙ্ক্তিতে ফুলের মাধ্যমে হৃদয় ও আত্মার আনন্দের যে অনুভূতির কথা বলা হয়েছে তা 'সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যপাঠে প্রাপ্ত আনন্দের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ প্রবন্ধে লেখক একমাত্র আনন্দদানের লক্ষ্যে সাহিত্য রচনা ও পাঠের পরামর্শ দিয়েছেন। সাহিত্যপাঠে হৃদয়ে আনন্দের সাড়া জাগে, মন উজ্জীবিত হয়। উদ্দীপকের ফুল কেনার মাধ্যমেও আনন্দ প্রাপ্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের শেষ পঙ্ক্তিটির মর্মার্থ 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর (2026)

জোটে যদি মোটে একটি পয়সা, খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি

দুটি যদি জোটে অর্ধেক দিয়ে, ফুল কিনো হে অনুরাগী।

বাজারে বিকায় ফল তন্ডুল, সে শুধু মিটায় দেহের ক্ষুধা

হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা। 

ক. রোদ্যাঁ কে?

খ. 'মানুষের দেহ-মনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।'- ব্যাখ্যা করো। 

গ. উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন? নিজের ভাষায় লেখো।

ঘ. 'হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা'- উদ্দীপকের এই উক্তির মর্মার্থ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন। যুক্তিসহ লেখো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

আজাদ রহমান বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনি লেখেন, যা শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে। নিজের সৃষ্টি অন্যের আনন্...

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসটির মূলে জেলে-জীবনের কথকতাই মুখ্য বিষয়। কিন্তু তিনি জেলে সম্প্রদায়কে তুষ্...

জীবনানন্দ দাশ বাংলার 'রূপসী বাংলা'র কবি নামে খ্যাত। আত্মগত আনন্দ ও ভাবনার নিবিষ্টতায় কবি নির্মাণ করেছেন তাঁর কাব্যভুবন। ...

স্কুল মাঠে একদল শিশু আপন মনে খেলায় ব্যস্ত। মাঠের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন পাড়ার সকলের বেলুমামা। তিনি শিশুদের ডেকে বললেন,...

সাহিত্য হচ্ছে সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত গাঁথুনি। মনের উল্লাসে সাহিত্যিকরা সাহিত্য রচনা করে গেছেন। আর সাহিত্য...

জনপ্রিয় লেখক হওয়ার তাগিদে মিরাজ মিয়া দিন-রাত লিখে যান। তিনি তাই লেখেন যা পাত্র পছন্দ করবে। তার ধারণা, নিজের ইচ্ছেমতো লিখ...

নাসির একজন জনপ্রিয় লেখক হতে চান। পাঠকের চাহিদা বুঝে তিনি লেখালেখি চালিয়ে যান। এতে তিনি সাময়িক সফলতাও অর্জন করেন। কিন্তু ...

'কাবুলিওয়ালা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটোগল্প। গল্পটি কেবল কাবুল দেশের কাবুলিওয়ালা রহমতের জীবনকাহিনি নয় বরং এটি একজন প...

ঘটনা-১: নাবিলের লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলার প্রতি প্রবল আগ্রহ। এই খেলায় সে অতুলনীয় আনন্দ পায়। খেলাধুলা করায় তার মন ও...

বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।