Facebook Pixel

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহ পরিসংখ্যানিক তথ্য সংগ্রহ করে এবং প্রকাশ করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশে পরিসংখ্যান কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান সংস্থা। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত পরিসংখ্যানের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ক. সরকারি পরিসংখ্যান কী? খ. সঠিক তথ্যের অভাবই বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বড় সীমাবদ্ধতা'- ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সীমাবদ্ধতাসমূহ আলোচনা কর। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে তোমার সুপারিশসমূহ কী হতে পারে? মতামত দাও।

বিষয়: পরিসংখ্যান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৮ঃ বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান

উৎস: Board Exam Question DiB 2018, Board Exam Question SB 2018, Board Exam Question JB 2018, Board Exam Question DB 2018, Board Exam Question Combined 2018

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) সরকারি পরিসংখ্যান হলো সেই সব পরিসংখ্যানিক তথ্য, যা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সরকারি সংস্থা জনস্বার্থে বা প্রশাসনিক প্রয়োজনে নিয়মিতভাবে সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে। (খ) বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্যের অভাব একটি বড় সীমাবদ্ধতা। অনেক ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীরা অদক্ষ বা প্রশিক্ষণহীন হওয়ায় সংগৃহীত তথ্যে ভুল থাকে। এছাড়া তথ্য সংগ্রহকারীর উদাসীনতা, পুরাতন নমুনা কাঠামো ব্যবহার, ব্যক্তিগত পক্ষপাতিত্ব এবং অসততার কারণে তথ্যের নির্ভুলতা বজায় থাকে না। সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাবে নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়, তাই সঠিক তথ্যের অভাবকে পরিসংখ্যানের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে গণ্য করা হয়। (গ) উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সীমাবদ্ধতাসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ত্রুটিপূর্ণ সংগ্রহ পদ্ধতি: অনেক ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহের জন্য আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির পরিবর্তে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ২. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব: তথ্য সংগ্রহকারীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং অসততার কারণে সংগৃহীত তথ্যের শুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বজায় থাকে না। ৩. আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব: তথ্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনায় আধুনিক পরিসংখ্যানিক প্রযুক্তি বা কম্পিউটারের ব্যবহার সীমিত হওয়ায় তথ্যের গভীর বিশ্লেষণ সম্ভব হয় না। ৪. তথ্যের অপর্যাপ্ততা: অনেক ক্ষেত্রে গবেষণার পরিধি ছোট হওয়ায় প্রাপ্ত তথ্য সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়। ৫. তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ উপস্থাপন: অনেক প্রকাশনায় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য, পরিধি ও পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় তথ্যের গুণগত মান যাচাই করা কঠিন হয়। ৬. সমন্বয়ের অভাব: বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও কাজের সমন্বয়ের অভাব থাকায় তথ্যের দ্বৈততা দেখা দেয়, যা শ্রম ও সময়ের অপচয় ঘটায়। ৭. প্রকাশনায় বিলম্ব: তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় তথ্যের উপযোগিতা ও কার্যকারিতা হ্রাস পায়। (ঘ) বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে আমার সুপারিশসমূহ নিচে দেওয়া হলো: ১. দক্ষ জনবল নিয়োগ: তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণের জন্য পরিসংখ্যান বিষয়ে শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ২. বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অনুসরণ: তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। ৩. সমন্বিত কার্যক্রম: তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করতে হবে যাতে তথ্যের দ্বৈততা দূর হয়। ৪. সঠিক প্রশ্নমালা প্রণয়ন: তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল ও সুনির্দিষ্ট প্রশ্নমালা তৈরি করতে হবে। ৫. গবেষণা ও উন্নয়ন: পরিসংখ্যানিক পদ্ধতির উপযোগিতা যাচাইয়ের জন্য অধিকতর গবেষণা সংস্থা স্থাপন করতে হবে। ৬. সময়োপযোগী প্রকাশনা: তথ্য সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রকাশের মধ্যবর্তী সময় কমিয়ে আনতে হবে যাতে পরিসংখ্যানের উপযোগিতা বজায় থাকে। ৭. নিয়মিত প্রশিক্ষণ: তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে তারা আধুনিক পদ্ধতির সাথে পরিচিত হতে পারে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDinajpur Board (2018)Sylhet Board (2018)Jessore Board (2018)Dhaka Board (2018)Combined Board (2018)

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহ পরিসংখ্যানিক তথ্য সংগ্রহ করে এবং প্রকাশ করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশে পরিসংখ্যান কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান সংস্থা। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত পরিসংখ্যানের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ক. সরকারি পরিসংখ্যান কী?

খ. সঠিক তথ্যের অভাবই বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বড় সীমাবদ্ধতা'- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সীমাবদ্ধতাসমূহ আলোচনা কর।

ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে তোমার সুপারিশসমূহ কী হতে পারে? মতামত দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

2kg ভরের একটি বস্তু 20 cm বিস্তার নিয়ে 5 mathrm~d^2 x/mathrmdt^2+625 mathrmx=0 সমীকরণ অনুসারে কম্পিত হচ্ছে। কম্পন শুরুর ...

30 text cm দৈর্ঘ্যের একটি স্প্রিংকে কোনো দৃঢ় অবলম্বন হতে ঝুলিয়ে দিয়ে মুক্ত প্রান্তে 200 text g ভরের বস্তু যুক্ত করার ফলে...

কত বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?

কোনটি বাংলাদেশে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান?

কোনটি বাংলাদেশে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান?

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি ম...

নিম্নে সারণিতে বিক্রয়ের পরিমাণ (হাজার টাকা) দেওয়া হলো: ক. বেসরকারি পরিসংখ্যান কী? খ. উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব প্রকাশিত প...

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান বিষয়ক কার্যক্রম- i. অদমশুমারি ii. কৃষিশুমারি iii. জাতীয় আয় নিরূপণ নিচের কোনটি সঠি...

বাংলাদেশ পৃথিবীর জনবহুল দেশ। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকার...

বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান বিষয়ক কার্যক্রম– i. আদমশুমারি ii. কৃষিশুমারি iii. জাতীয় আয় নিরূপণ নিচের কোনটি...

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।