Facebook Pixel

boxedmathbf~ক~ সংবিধান রচিত হয় ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে । boxedmathbf~খ~ তমদ্দুন মজলিস হলো ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত প্রথম সংগঠন। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়। এ সংগঠনের উদ্যোগেই ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু প্রকাশিত হয়েছিল। এ সংগঠনের উদ্যোগেই ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিল । boxedmathbf~গ~ উদ্দীপকের কবিতাটি আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ । পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই এ রাষ্ট্রের ভাষা কী হবে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাবের মাধ্যমে বাংলা-উর্দু ভাষা বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে ১৭ মে চৌধুরী খালীকুজ্জামান এবং ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন। তাদের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবিরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠন করা হয় তমদ্দুন মজলিস নামক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় একইভাবে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দিলে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য ছাত্র শিক্ষকসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু হয়। গঠন করা হয় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬% বাংলা ভাষাভাষী হওয়াতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনে শহরে বন্দরে সব শ্রেণিপেশার মানুষ শামিল হয়। শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী মহলও বাংলাভাষার পক্ষে আন্দোলন শুরু করে। এ সময় আব্দুল লতিফ রচনা করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটি। এছাড়া আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'। মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক এবং জহির রায়হান রচনা করেন আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। boxedmathbf~ঘ~ উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঘটনা ছিল বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম ধাপ- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সাধারণ ঘটনা। পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এটি ছিল বাঙালি জাতির প্রথম প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথা প্রেরণা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালি জাতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের অবহেলা, শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছিল। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবমাননা বাঙালির মনকে প্রবল নাড়া দিয়েছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল পাকিস্তানিদের হাতে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অর্থনীতির কিছুই নিরাপদ নয়। এভাবেই বাঙালির মাঝে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ বপিত হয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে বাংলার শোষিত, বঞ্চি জনগণ তাদের কাম্য শাসনব্যবস্থা প্রণয়ন করতে সমর্থ হয়। যার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। পরিশেষে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জনগণ পরবর্তী সকল আন্দোলনে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা পায়। তাই ভাষা আন্দোলনকে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম ধাপ বলা যায়। -

বিষয়: ইতিহাস ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতি প্রকৃতি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত হয়। (খ) তমদ্দুন মজলিস হলো ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত প্রথম সাংস্কৃতিক সংগঠন। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে এই সংগঠনটি গঠিত হয়। এই সংগঠনের উদ্যোগেই ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু' শীর্ষক প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রেও তমদ্দুন মজলিস অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। (গ) উদ্দীপকের কবিতাটি আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই এর রাষ্ট্রভাষা কী হবে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব দিলে বাংলা-উর্দু ভাষা বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে চৌধুরী খালীকুজ্জামান এবং ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন, যার তীব্র বিরোধিতা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের মতো প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীরা। এই প্রেক্ষাপটে অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' নামক সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠিত হয়। ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্র-শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশ বাংলা ভাষাভাষী হওয়া সত্ত্বেও উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা আন্দোলনে শামিল হন। এই আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় আব্দুল লতিফ গান রচনা করেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরী লেখেন 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি', মুনীর চৌধুরী রচনা করেন 'কবর' নাটক এবং জহির রায়হান লেখেন 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। (ঘ) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম ধাপ- এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য ও যুগান্তকারী ঘটনা। পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এটি ছিল বাঙালি জাতির প্রথম সংগঠিত প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অবহেলা ও অর্থনৈতিক শোষণ শুরু করে। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবমাননা বাঙালির আত্মপরিচয় ও অস্তিত্বের সংকটের সৃষ্টি করে, যা তাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। বাঙালি জাতি উপলব্ধি করে যে, পাকিস্তানিদের হাতে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক অধিকার কোনোটিই নিরাপদ নয়। এই উপলব্ধির ফলেই বাঙালির মনে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন হয়। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত এই ঐক্য ও চেতনা পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে প্রভাব ফেলে। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন থেকে শুরু করে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি লড়াইয়ের মূলে ছিল ১৯৫২ সালের সেই চেতনা। পরিশেষে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, যেখানে বিজয় অর্জনের পর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনই ছিল বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম এবং প্রধান ধাপ।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

$\boxed{\mathbf{~ক~}}$ সংবিধান রচিত হয় ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে । $\\ $ $\boxed{\mathbf{~খ~}}$ তমদ্দুন মজলিস হলো ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত প্রথম সংগঠন। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়। এ সংগঠনের উদ্যোগেই ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু প্রকাশিত হয়েছিল। এ সংগঠনের উদ্যোগেই ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিল । $\\ $ $\boxed{\mathbf{~গ~}}$ উদ্দীপকের কবিতাটি আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ।

পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই এ রাষ্ট্রের ভাষা কী হবে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাবের মাধ্যমে বাংলা-উর্দু ভাষা বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে ১৭ মে চৌধুরী খালীকুজ্জামান এবং ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন। তাদের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবিরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠন করা হয় তমদ্দুন মজলিস নামক সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় একইভাবে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দিলে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য ছাত্র শিক্ষকসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু হয়। গঠন করা হয় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬% বাংলা ভাষাভাষী হওয়াতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনে শহরে বন্দরে সব শ্রেণিপেশার মানুষ শামিল হয়। শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী মহলও বাংলাভাষার পক্ষে আন্দোলন শুরু করে। এ সময় আব্দুল লতিফ রচনা করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটি। এছাড়া আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'। মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক এবং জহির রায়হান রচনা করেন আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। $\\ $ $\boxed{\mathbf{~ঘ~}}$

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঘটনা ছিল বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম ধাপ- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সাধারণ ঘটনা। পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এটি ছিল বাঙালি জাতির প্রথম প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথা প্রেরণা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালি জাতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের অবহেলা, শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছিল। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবমাননা বাঙালির মনকে প্রবল নাড়া দিয়েছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল পাকিস্তানিদের হাতে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অর্থনীতির কিছুই নিরাপদ নয়। এভাবেই বাঙালির মাঝে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ বপিত হয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে বাংলার শোষিত, বঞ্চি জনগণ তাদের কাম্য শাসনব্যবস্থা প্রণয়ন করতে সমর্থ হয়। যার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। পরিশেষে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জনগণ পরবর্তী সকল আন্দোলনে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা পায়। তাই ভাষা আন্দোলনকে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম ধাপ বলা যায়। -

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাবুল ও ইসমাইল ছুটিতে বাংলাদেশে এসে ১৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এবং বিশ্বের ইতিহাসের এ অসাধা...

আইয়ুব খানের সামরিক শাসনামলের অভিনব সৃষ্টি কোনটি?

আন্দোলনে শহিদ ভাইদের প্রতি খোলাচিঠি প্রিয় শহিদ ভাইয়েরা, তোমাদের মহান আত্মত্যাগে জন্মভূমি গঠিত। এ আত্মত্যাগের ফল হিসেবে...

উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা"- উক্ত ঘোষণাটি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দিয়েছিলেন- i. ঢাকা বিশ্ববিদ্যা...

উর্দুর সাথে বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব করেন-

একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় একজন বক্তা উর্দু এবং ফারসি ভাষায় বক্তৃতা করলেন। পরে তা আবার বাংলায়ও অনুবাদ করেন। অনু...

একুশ নিয়ে প্রথম গানটি কে রচনা করেন?

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে ১৬ জুন আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ শেতাঙ্গ ডাচদের জার্মানডাচ ভাষায় শিক্ষাদান বাধ্...

নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও "ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়" । উদ্দীপকে কোন ভাষার কথা বলা হয়েছে?

নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও : দেশবিভাগের পর ক ও খ অঞ্চল নিয়ে একত্রে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা হয়। এক...

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।