Facebook Pixel

১৯৯৩ সালে গৃহীত প্যারিস নীতিমালার আলোকে ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে 'ক' নামক সংস্থাটিকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়। 'প্যারিস নীতিমালা'য় প্রতিষ্ঠানটি গঠনের ক্ষেত্র স্বাধীনতা, কার্যকারিতা এবং সকলের প্রতিনিধিত্বেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। সংস্থাটি দেশে প্রচলিত' জেলখানা, হাজতখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের অধিকার পায়। ক. RSS-এর পূর্ণরূপ লেখ। খ. বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর। গ. ক' সংস্থাটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন সংস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে উক্ত সংস্থার কার্যাবলি বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: সমাজকর্ম ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৬ঃ বাংলাদেশে সরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. RSS-এর পূর্ণরূপ হলো- Rural Social Service. খ. প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ও দুর্যোগ- পরবর্তী ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির অধীনে গৃহীত কর্মসূচিগুলো তিনটি স্তরে পরিচালনা করা হয়। যথা- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ও ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্প। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে তার মধ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য, পরীক্ষণমূলক ত্রাণ, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য খাদ্য বিতরণ ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। গ. ক' সংস্থাটি পাঠ্যপুস্তকের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা এবং এ ব্যাপারে সরকারকে সুপারিশ ও পরামর্শ প্রদানে নিয়মিত একটি সংস্থা হলো বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। রাষ্ট্র কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হলেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ, প্রতিষ্ঠান হিসেবে কর্মরত রয়েছে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্যারিস নীতিমালায় ম্যান্ডেট স্বাধীনতা এবং স্বায়ত্তশাসনের মানদণ্ড অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে এই কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯৮ সালে এ কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে জাতীয় মানবাধিকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই আইন দ্বারা এই কমিশনকে বৈধতা স্বাধীন সংগঠনে রূপান্তর করা হয়। দেশব্যাপী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই এই কমিশন কার্যক্রম পরিচালনা করে। উদ্দীপকের শুরুতেই ১৯৯৩ সালের প্যারিস নীতিমালার আলোকে ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই যে সংস্থার অনুমোদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা বাংলাদেশে একমাত্র জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাই 'ক' সংস্থাটি অবশ্যই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হবে। ঘ. উদ্দীপকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কথা বলা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যাবলি নিম্নরূপ: মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জেলখানা, থানা হেফাজত, কিশোর সংশোধন কেন্দ্র বা অন্য যেকোনো আটক কেন্দ্রসহ সরকারি সেবাপ্রদান প্রতিষ্ঠান যেমন- হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রভৃতি পরিদর্শন করে সেখানকার পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ প্রদান করা মানবাধিকার কমিশনের কাজের অন্তর্ভুক্ত। কোনো ব্যক্তি বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ পেলে বা লঙ্ঘনের প্ররোচনা দেখা দিলে কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অথবা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত করতে পারে। মানবাধিকার লঙ্ঘনসংক্রান্ত কোনো বিচারাধীন মামলায় আদালতের অনুমতি নিয়ে মধ্যস্থতা বা হস্তক্ষেপ করতে পারে। সরকারের সম্পাদিত বিদ্যমান আইনসমূহ মানবাধিকার রক্ষা করছে কিনা তা পর্যালোচনা করা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে থাকে। দেশের সংস্কৃতিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সেমিনার, কর্মশালা, প্রকাশনা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা ও শিক্ষার প্রচার করাও এ কমিশনের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও মানবাধিকার রক্ষায় কর্মরত বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সংগঠনের কার্যক্রমে সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করা; মানবাধিকার রক্ষার কৌশল নির্ধারণে শিক্ষা ও পেশাগত প্রতিষ্ঠানে গবেষণামূলক কাজ পরিচালনা করা প্রভৃতিও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার কার্যাবলি অন্তর্ভুক্ত।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

১৯৯৩ সালে গৃহীত প্যারিস নীতিমালার আলোকে ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে 'ক' নামক সংস্থাটিকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়। 'প্যারিস নীতিমালা'য় প্রতিষ্ঠানটি গঠনের ক্ষেত্র স্বাধীনতা, কার্যকারিতা এবং সকলের প্রতিনিধিত্বেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। সংস্থাটি দেশে প্রচলিত' জেলখানা, হাজতখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের অধিকার পায়।

ক.

RSS-এর পূর্ণরূপ লেখ।

খ.

বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর।

গ.

ক' সংস্থাটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন সংস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত সংস্থার কার্যাবলি বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

UCDP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?

'X' একটি সরকারি সমাজ উন্নয়ন সংস্থা। এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ এবং নিরক্ষরতা দূরীক...

'Y' একটি সরকারি সমাজ উন্নয়ন সংস্থা। এটি বস্তির জনগণের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সাথে...

ক. UNICEF এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? খ. আন্তর্জাতিক সংগঠন বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ইঙ্গিত ...

ক. Common Human Needs গ্রন্থটি কে লিখেছেন? খ. সামাজিক সমস্যার ৩টি বৈশিষ্ট্য লেখ। গ. চিত্রে '?' চিহ্নিত স্থানটিতে কী বসবে...

‘ক’ উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রাম উন্নয়ন প্রক্রিয়ার আওতায় তার এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মৌল মানবিক চাহিদা পূরণে ...

'M' একটি সরকারি সমাজ উন্নয়ন সংস্থা। এটি পল্লি এলাকার জনগণকে প্রশিক্ষণ ও ঋণদান করে থাকে। এছাড়া শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকা...

গ্রামীণ হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও অসুবিধাগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে একটি সরকারি কর্মসূচি গ্রহণ ...

বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগেই এতিমখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ দেশে সরকারি সমাজসেবা কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল। এখানে কোন সময়ক...

শহর সমাজসেবার আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকালে প্রশিক্ষণার্থীদের কী প্রদান করা হয়ে থাকে?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।