Facebook Pixel

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে 'X' প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১টি। 'X' স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হাসপাতাল, স্বাস্থ্যক্লিনিক ও ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়ে থাকে। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ও জনগণের সক্রিয় ভূমিকায় 'X' প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাধিত হয়। ক. পৌরসভার প্রধানকে কী বলা হয়? খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝ? গ. উদ্দীপকে 'X' কোন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান? উত্ত প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি আলোচনা করো। ঘ. 'X' প্রতিষ্ঠানকে অধিক কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৬ঃ স্থানীয় শাসন

উৎস: Board Exam Question DB 2017

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. পৌরসভার প্রধানকে মেয়র বলা হয়। খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকারগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্বারা পরিচালিত হয় না। এর প্রতিনিধিগণ এলাকার জনসাধারণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত অথবা সরকার কর্তৃক মনোনীত হন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এরা নিজ নিজ এলাকার জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ প্রভৃতি। গ. উদ্দীপকের 'X' হলো সিটি কর্পোরেশন নামক স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন অন্যতম। বিভিন্ন স্থানের বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহৎ নগরীর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়েছে। এটি মূলত একটি নগরভিত্তিক স্থানীয় সংস্থা। উদ্দীপকে এ প্রতিষ্ঠানটিরই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান 'X'-এর সংখ্যা হলো ১১। এ প্রতিষ্ঠানটি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যক্লিনিক ও ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়ে থাকে। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ও জনগণের সক্রিয় ভূমিকায় এ সংস্থার কার্যক্রম সাধিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। যথা: ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও গাজীপুর। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ অর্থাৎ মেয়র, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলররা সিটি কর্পোরেশনের কার্যাবলি সম্পাদন করেন। এসব কাজে জনগণও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মহানগরীর উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নানাবিধ সমস্যা সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন বহুবিধ কাজ করে থাকে। সন্ত্রাস দমন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রোধের জন্য এ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মহানগরীর জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে সিটি কর্পোরেশন বহুমুখী দায়িত্ব পালন করে। যেমন- হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ ও নির্মাণের অনুমতি প্রদান, শৌচাগার নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ ইত্যাদি। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে- রাস্তাঘাট নির্মাণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, বিশ্রামাগার নির্মাণ, মোটরগাড়ি ও ট্রাক ছাড়া অন্য সকল প্রকার যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান ও চলাচল ইত্যাদি। এ সংস্থাটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন, সাহায্য ও পুনর্বাসনেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এছাড়াও জনকল্যাণ এবং মহানগরের উন্নয়নে সংস্থাটি ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। ঘ. 'X' প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ সিটি কর্পোরেশনকে অধিক কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সিটি কর্পোরেশন মহানগরের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে। এর মেয়র ও কাউন্সিলরদের জনগণ সরাসরি নির্বাচন করতে পারে। এর ফলে সিটি কর্পোরেশনে জনগণের জন্য, জনগণের দ্বারাও জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের সীমিত জনবলের পক্ষে মহানগরের মতো বিশাল এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে জনগণ নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ও আবর্জনা ফেলে ও নিজ দায়িত্বে নিজেদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করে। মহানগরের জনগণের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পূরণের জন্য সিটি কর্পোরেশন গভীর ও অগভীর নলকূপ খনন করে। জনগণ পানির অপচয় রোধ করে সকলের জন্য পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করে। এসব কাজে এলাকার জনগণ সম্পৃক্ত হয়ে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করে। ভূমি অধিগ্রহণ, বাড়িঘর স্থানান্তর ইত্যাদি কাজেও জনগণ কর্পোরেশনকে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়ম অনুযায়ী ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে জনগণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন সংগ্রহ করে। রাস্তাঘাটে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ব্যাপারেও এ প্রতিষ্ঠানটিকে জনগণ সহযোগিতা করে। পরিশেষে বলা যায়, মহানগরের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সিটি কর্পোরেশন যেসব কাজ করে তা মূলত জনগণের স্বার্থেই পরিচালিত হয়। এ কারণে জনগণও এসব কাজে সহযোগিতা করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDhaka Board (2017)

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে 'X' প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১টি। 'X' স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হাসপাতাল, স্বাস্থ্যক্লিনিক ও ঘরবাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়ে থাকে। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ও জনগণের সক্রিয় ভূমিকায় 'X' প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাধিত হয়।

ক.

পৌরসভার প্রধানকে কী বলা হয়?

খ.

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝ?

গ.

উদ্দীপকে 'X' কোন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান? উত্ত প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি আলোচনা করো।

ঘ.

'X' প্রতিষ্ঠানকে অধিক কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

17 ক. দুর্নীতি কাকে বলে? খ. খাদ্যে ভেজাল রোধ করা প্রয়োজন কেন? গ. 'ক' শাসনব্যবস্থা দ্বারা কোন ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বোঝায...

'Chittagong Hilltracts Regulation Act' কত সালে তৈরি করা হয়?

'Chittagong Hilltracts Regulation Act' কারা তৈরি করে?

Encyclopedia of Social Science এর বাংলা অর্থ কোনটি?

NGO-এর পূর্ণরূপ কী? [ঢা. বো. '১৬; রা. বো. '১৬; য. বো. '১৫]

'X' নামক রাষ্ট্রের জনগণকে রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার মানসে সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি গ্রহণ করা হয়। স্ত্র...

ক. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের গঠন উল্লেখ করো। খ. কীভাবে মৌলিক অধিকার বলবৎ করা যায়? গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্ত...

'M' একজন ছাত্র এবং এ বছর সে ভোটার হয়েছে। নিয়মমাফিক একটি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে সে তিনজনকে ভোট দেওয়ার সুযো...

NGO-এর পূর্ণরূপ কী?

আধুনিককালে কী কারণে সরকারকে বহুমুখী কল্যাণমুখী কাজ সম্পাদন করতে হয়?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।