Facebook Pixel

শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি চিত্র প্রদর্শন করেন, যা নিম্নরূপ- এরপর তিনি বলেন যে, সরকারি ব্যয় এবং ভোগবৃদ্ধির ফলে AD রেখা ডানপাশে স্থানান্তর হয়। ক. মুদ্রা সংকোচন কী? খ. "মুদ্রাস্ফীতি হলে ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।"- ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপক অনুসারে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় কর। ঘ. উদ্দীপকের সমস্যাটি সমাধানের জন্য সরকার রাজস্বনীতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে? ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৭ঃ মুদ্রাস্ফীতি

উৎস: Board Exam Question DB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) কোনো দেশে দ্রব্যসামগ্রীর জোগান অপেক্ষা অর্থের জোগান কম হলে দামস্তর ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে, তখন সেই অবস্থাকে মুদ্রা সংকোচন বলে। (খ) মুদ্রাস্ফীতি হলে ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়। একজন ঋণদাতা যখন ঋণ প্রদান করেন, তখন সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়ে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী ক্রয় করা যেত, মুদ্রাস্ফীতির কারণে ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে সমপরিমাণ অর্থ ফেরত পেলেও তা দিয়ে আগের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করা সম্ভব হয়। ফলে ঋণদাতার প্রকৃত আয় কমে যায় এবং তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। (গ) উদ্দীপক অনুসারে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো। মুদ্রাস্ফীতির হার বলতে ভিত্তি বছরের তুলনায় চলতি বছরের সাধারণ দামস্তরের শতাংশিক বৃদ্ধিকে বোঝায়। ধরি, ভিত্তি বছরের দামস্তর P_0 এবং চলতি বছরের দামস্তর P_1। মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: textRate of Inflation = P_1 - P_0/P_0 × 100% উদ্দীপকের চিত্র থেকে পাই, ভিত্তি বছরের দামস্তর P_0 = 131 টাকা চলতি বছরের দামস্তর P_1 = 162 টাকা অতএব, beginaligned textRate of Inflation &= 162 - 131/131 × 100% &= 31/131 × 100% &≈ 23.66% endaligned সুতরাং, মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় ২৩.৬৬%। (ঘ) উদ্দীপকে সরকারি ব্যয় ও ভোগ বৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক চাহিদা (AD) বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে দামস্তর ১৩১ থেকে বেড়ে ১৬২ হয়েছে। এটি মুদ্রাস্ফীতি নির্দেশ করে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার সংকোচনমূলক রাজস্বনীতি গ্রহণ করতে পারে। এর প্রধান পদক্ষেপগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: ১. সরকারি ব্যয় হ্রাস: সরকার উন্নয়নমূলক বা অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমিয়ে দিলে বাজারে অর্থের সরবরাহ ও মোট চাহিদা কমে আসে, যা মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমাতে সাহায্য করে। ২. করের পরিমাণ বৃদ্ধি: সরকার আয়কর, কর্পোরেট কর বা ভ্যাট (VAT)-এর হার বাড়িয়ে দিলে জনগণের ব্যয়যোগ্য আয় কমে যায়। ফলে সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পায় এবং পণ্যের দামের ওপর চাপ কমে। ৩. সরকারি ঋণ গ্রহণ: সরকার বন্ড বা সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে জনসাধারণের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে। এতে জনগণের হাতে থাকা বাড়তি ক্রয়ক্ষমতা সরকারের কাছে চলে আসে, যা বাজারে অর্থের সরবরাহ কমিয়ে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. সঞ্চয় বৃদ্ধি: সঞ্চয়ের বিপরীতে সুদের হার বৃদ্ধি করে সরকার জনগণের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে পারে। এতে জনগণের ভোগ ব্যয় কমে আসে এবং সামগ্রিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখে। পরিশেষে বলা যায়, এই পদক্ষেপগুলো সমন্বিতভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে সরকার অর্থনীতি থেকে অতিরিক্ত অর্থ শোষণ করে মুদ্রাস্ফীতিজনিত ব্যবধান দূর করতে পারে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDhaka Board (2025)

শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি চিত্র প্রদর্শন করেন, যা নিম্নরূপ-

এরপর তিনি বলেন যে, সরকারি ব্যয় এবং ভোগবৃদ্ধির ফলে AD রেখা ডানপাশে স্থানান্তর হয়। ক. মুদ্রা সংকোচন কী? খ. "মুদ্রাস্ফীতি হলে ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।"- ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপক অনুসারে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় কর। ঘ. উদ্দীপকের সমস্যাটি সমাধানের জন্য সরকার রাজস্বনীতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে? ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।