Facebook Pixel

শ্রেণিকক্ষে স্যার পড়াতে পড়াতে বললেন , মানুষ জন্মায় , বেঁচে থাকে আবার মারাও যায়। রাহাত বলে , এটিই প্রকৃতির নিয়ম। সে আরও বলে , আমি এ যাবৎ যত মানুষ দেখেছি তারা সবাই প্রকৃতির নিয়মের অনুসারী। ক. প্রকৃত আরোহ কত প্রকার ? খ. কোন ধরনের আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয় ? গ. উদ্দীপকের স্যার ও রাহাতের বক্তব্যে কোন ধরনের আরোহ ফুটে উঠেছে ? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের আরোহ যথার্থ কিনা যুক্তিসহকারে উপস্থাপন কর।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ আরোহের প্রকারভেদ

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. প্রকৃত আরোহ তিন প্রকার। যথা — ১ . বৈজ্ঞানিক আরোহ , ২ . অবৈজ্ঞানিক আরোহ ও ৩ . সাদৃশ্যানুমান । খ. বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। কারণ বৈজ্ঞানিক আরোহের ক্ষেত্রে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নীতির ওপর ভিত্তি করে সমগ্র শ্রেণি সম্পর্কে একটি সাধারণ সংশ্লেষক বাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার জন্য এক্ষেত্রে কোনো প্রতিকূল দৃষ্টান্তের সম্ভাবনা থাকে না বা কোনো অনুপপত্তিও ঘটে না। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। গ. উদ্দীপকের স্যার ও রাহাতের বক্তব্যে বৈজ্ঞানিক আরোহের প্রতিফলন ঘটেছে । কারণ উভয়েই বৈজ্ঞানিক আরোহের ভিত্তিতে বক্তব্য প্রদান করেছেন। বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করে। এ আরোহে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বিদ্যমান থাকে। উদ্দীপকের দুইজনের বক্তব্যেই এ বিষয়গুলো বিদ্যামান। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুজনেই প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করায় এটি বৈজ্ঞানিক আরোহের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে এবং এতে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বিদ্যমান। বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি হলো এমন যার দ্বারা প্রকৃতির একরূপতাকে বোঝায়। অর্থাৎ প্রকৃতি সর্বত্রই একই আচরণ করে। প্রকৃতিতে খামখেয়ালির কোনো স্থান নেই। যার ফলে বৈজ্ঞানিক আরোহ নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে । তাই দেখা যায় , বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে আরোহের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিদ্যমান থাকে যা অন্যকোনো আরোহের মধ্যে থাকে না। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহ একটি প্রকৃত বা যথার্থ আরোহ। ঘ. উদ্দীপকের আরোহ অনুমানটি বৈজ্ঞানিক আরোহকে ইঙ্গিত করেছে । বৈজ্ঞানিক আরোহ যথার্থ কিনা তা যুক্তিসহকারে নিম্নে উপস্থাপন করা হলো - বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করে। এ আরোহে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বিদ্যমান থাকে। উদ্দীপকের দুইজনের বক্তব্যেই এ বিষয়গুলো বিদ্যামান। অর্থাৎ উদ্দীপকের দুজনেই প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করায় এটি বৈজ্ঞানিক আরোহের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে এবং এতে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বিদ্যমান। বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি হলো এমন যার দ্বারা প্রকৃতির একরূপতাকে বোঝায়। অর্থাৎ প্রকৃতি সর্বত্রই একই আচরণ করে। প্রকৃতিতে খামখেয়ালির কোনো স্থান নেই। যার ফলে বৈজ্ঞানিক আরোহ নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে । তাই দেখা যায় , বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে আরোহের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিদ্যমান থাকে যা অন্যকোনো আরোহের মধ্যে থাকে না। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহ একটি প্রকৃত বা যথার্থ আরোহ।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

শ্রেণিকক্ষে স্যার পড়াতে পড়াতে বললেন, মানুষ জন্মায়, বেঁচে থাকে আবার মারাও যায়। রাহাত বলে, এটিই প্রকৃতির নিয়ম। সে আরও বলে, আমি এ যাবৎ যত মানুষ দেখেছি তারা সবাই প্রকৃতির নিয়মের অনুসারী।

ক.

প্রকৃত আরোহ কত প্রকার?

খ.

কোন ধরনের আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়?

গ.

উদ্দীপকের স্যার ও রাহাতের বক্তব্যে কোন ধরনের আরোহ ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর। 

ঘ.

উদ্দীপকের আরোহ যথার্থ কিনা যুক্তিসহকারে উপস্থাপন কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।