Facebook Pixel

মিসেস রওশন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য নজরুল একাডেমির কিছু শিক্ষার্থীকে ডাকলেন। তিনি দেখলেন রেহানা, জলি, বীণা, শিরিন ওরা সবাই ভালো উপস্থাপনা করে। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে, নজরুল একাডেমির সবাই ভালো উপস্থাপক। অপরদিকে মিতা এ পর্যন্ত যেসব মানুষের সংস্পর্শে এসেছে তারা সবাই উদারমনা। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিশ্বের সব মানুষই উদারমনা ক. আরোহ কত প্রকার? খ. প্রকৃত ও অপ্রকৃত আরোেহ এক নয় কেন? গ. উদ্দীপকে মিতার সিদ্ধান্তে কোন আরোহ অনুমান প্রতিফলিত হয়েছে? ঘ. উদ্দীপকে মিসেস রওশন ও মিতার অভিজ্ঞতায় যে দুটি আরোহ অনুমানের ইঙ্গিত রয়েছে তাদের পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ আরোহের প্রকারভেদ

উৎস: Board Exam Question JB 2022

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. আরোহ দুই প্রকার। যথা- প্রকৃত আরোহ ও অপ্রকৃত আরোহ। খ. আরোহমূলক লম্ফের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির কারণে প্রকৃত ও অপ্রকৃত আরোহ এক নয়। প্রকৃত আরোহ হলো একটি বৌদ্ধিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার আরোহমূলক লম্ফের সাহায্যে জানা বিষয় থেকে অজানা বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অন্যদিকে, যে অনুমান প্রক্রিয়ায় আরোহমূলক লম্ফ অনুপস্থিত থাকে তাকে অপ্রকৃত আরোহ বলে। এই অনুমানে প্রতিটি দৃষ্টান্ত যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই বলা যায়, আরোহমূলক লক্ষের কারণে প্রকৃত ও অপ্রকৃত আরোহ এক নয়। গ. উদ্দীপকে মিতার সিদ্ধান্তে অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান প্রতিফলিত হয়েছে।ব্যাখ্যা করা হলো- প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি বা প্রতিকূল দৃষ্টান্তবিহীন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। যেমন- এ যাবৎ যত ফুল দেখেছি সবই সুন্দর । অতএব, সব ফুলই হয় সুন্দর। এখানে অনুকূল দৃষ্টান্তের আলোকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তাই এটি অবৈজ্ঞানিক আরোহের দৃষ্টান্ত। তেমনি উদ্দীপকে বলা হয়েছে , মিতা এ পর্যন্ত যেসব মানুষের সংস্পর্শে এসেছে তারা সবাই উদারমনা। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিশ্বের সব মানুষই উদারমনা। অর্থাৎ, সে কেবল অনুকূল অভিজ্ঞতার আলোকে আরোহমূলক লঞ্চের সাহায্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই বলা যায় যে,এই দৃষ্টান্তটি অবৈজ্ঞানিক আরোহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঘ. উদ্দীপকে মিসেস রওশন ও মিতার অভিজ্ঞতায় যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক আরোহ এবং অবৈজ্ঞানিক আরোহের ইঙ্গিত রয়েছে। নিচে এ দুই অরোহের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- বৈজ্ঞানিক আরোহে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কারণে বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। অপরদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে কেবল প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ওপর নির্ভর করে অবাধ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য হয়। বৈজ্ঞানিক আরোহে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেক্ষেত্রে সদর্থক ও নঞর্থক উভয় দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণ করা হয়। তাই এ অনুমানের বাস্তবতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। অন্যদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে দৃষ্টান্তের সংখ্যার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ অনুমানে সদর্থক দৃষ্টান্তকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও নঞর্থক দৃষ্টান্তকে একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাই অনেক ক্ষেত্রেই অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্তের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল থাকে না।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenJessore Board (2022)

মিসেস রওশন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য নজরুল একাডেমির কিছু শিক্ষার্থীকে ডাকলেন। তিনি দেখলেন রেহানা, জলি, বীণা, শিরিন ওরা সবাই ভালো উপস্থাপনা করে। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে, নজরুল একাডেমির সবাই ভালো উপস্থাপক। অপরদিকে মিতা এ পর্যন্ত যেসব মানুষের সংস্পর্শে এসেছে তারা সবাই উদারমনা। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিশ্বের সব মানুষই উদারমনা

ক.

আরোহ কত প্রকার?

খ.

প্রকৃত ও অপ্রকৃত আরোেহ এক নয় কেন? 

গ.

উদ্দীপকে মিতার সিদ্ধান্তে কোন আরোহ অনুমান প্রতিফলিত হয়েছে?

ঘ.

উদ্দীপকে মিসেস রওশন ও মিতার অভিজ্ঞতায় যে দুটি আরোহ অনুমানের ইঙ্গিত রয়েছে তাদের পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।