ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকার কয়েক দফায় আইনের সংস্কার করে। কিন্তু আইনগুলো কখনোই ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। বিশেষ করে ১৯৩৪ সালের পর আইনের সংস্কার করা হয় এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হয়।
ক. বাঁশের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
খ. ভাগ কর ও শাসন কর নীতি বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত আইনটির প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।
ঘ. উক্ত আইনের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব কার্যকারিতা মূল্যায়ন কর।
আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?
প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।
পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুনসম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ
A দেশটির B অঞ্চল আয়তনে বিশাল। প্রশাসনের পক্ষে এত বড় অঞ্চলের সবকিছু সমানভাবে দেখভাল করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই বিবেচনায় তখন অঞ্...
‘B’ অঞ্চলটি এক সময় স্বাধীন ছিল। অঞ্চলটিতে দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। একটা সময় অঞ্চলটিতে বিদেশি শক্তি উপন...
X প্রদেশের জনগণ স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্দে করছে। এ আন্দোলন দমনের জন্য X প্রদেশকে এমনভাবে ভাগ করার যাতে দুটি সম্প্র...
'X' প্রদেশের জনগণ স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন দমনের জন্য 'X' প্রদেশকে এমনভাবে ভাগ করা হয় যাতে দুট...
X' রাষ্ট্রে একটি নতুন আইনের মাধ্যমে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো- সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়...
অখন্ড বাংলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা ছিলেন—
অখন্ড বাংলার আন্দোলন শুরু করেন কে?
অধ্যাপক জাহানারা হক শ্রেণিকক্ষে ভারতীয় উপমহাদেশের অগ্রগতির ইতিহাস আলোচনা করতে গিয়ে বলেন যে, ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন শাসকগ...
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
অবিভক্ত ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।