Facebook Pixel

তারকার উপাদান মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এই গ্যাস ও মেঘপুঞ্জে জমাট বাঁধতে শুরু করে। অভ্যন্তরের চাপ ও উত্তাপ বাড়তে থাকে। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট যে বস্তু তৈরি হয় তা আলো বিকিরণ করতে পারে না। পূর্ণ তারকা তৈরি হওয়ার পূর্ববর্তী এই অবস্থাকে প্রো-স্টার বলা হয়। প্রো-স্টার আরও ঘনীভূত হয় এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। যখন তাপমাত্রা প্রায় 10^7^o c হয় নিউক্লিয় বিক্রিয়ার ফলে হিলিয়াম পরমাণুর সৃষ্টি হয় এবং বিপুল শক্তি নিঃসৃত হয়। এভাবেই তার কার জন্ম হয়। আমাদের সূর্যও একটি তারকা যার ভর ও ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 2 × 10^30 ~kg ও 6.96 × 10^3 ~m ঘ. আমাদের সৌরজগতের স্থায়িত্ব সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-১১ঃ জ্যোতির্বিজ্ঞান

উৎস: অনুশীলনীর প্রশ্ন তফাজ্জল স্যার

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে মহাবিশ্বের স্থায়িত্ব বা পরিণতি সম্পর্কে প্রধানত তিনটি মতবাদ প্রচলিত রয়েছে: ১. আবদ্ধ মহাবিশ্ব (Closed Universe): এই মতবাদ অনুযায়ী, মহাবিশ্বের মোট ঘনত্ব একটি নির্দিষ্ট সংকট ঘনত্বের চেয়ে বেশি। এর ফলে মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ একসময় থেমে যাবে এবং মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে একটি বিন্দুতে পরিণত হবে। ২. উন্মুক্ত মহাবিশ্ব (Open Universe): এই মতবাদ অনুযায়ী, মহাবিশ্বের ঘনত্ব সংকট ঘনত্বের চেয়ে কম। ফলে মহাকর্ষীয় বল মহাবিশ্বের প্রসারণকে থামাতে পারবে না এবং মহাবিশ্ব অনন্তকাল ধরে প্রসারিত হতে থাকবে। ৩. সমতল মহাবিশ্ব (Flat Universe): এই মতবাদ অনুযায়ী, মহাবিশ্বের ঘনত্ব ঠিক সংকট ঘনত্বের সমান। এতে মহাবিশ্ব অনন্তকাল প্রসারিত হবে ঠিকই, কিন্তু প্রসারণের হার সময়ের সাথে সাথে কমতে থাকবে এবং অসীমে গিয়ে তা শূন্যের কাছাকাছি পৌঁছাবে। বর্তমান জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সমতল মহাবিশ্ব মডেলটি অধিক গ্রহণযোগ্য। এই মডেল অনুযায়ী, মহাবিশ্বের বিবর্তন অত্যন্ত ধীর। নক্ষত্রগুলোর জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে সেগুলো শ্বেত বামন বা কৃষ্ণ বিবর (Black Hole) হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে। দীর্ঘ সময় পর কৃষ্ণ বিবরগুলোও হকিং বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি হারিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও প্রোটনের স্থায়িত্বের ধারণার ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পরিণতি অত্যন্ত ধীরগতির এবং দীর্ঘমেয়াদী।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenঅনুশীলনীর প্রশ্ন - তফাজ্জল স্যার

তারকার উপাদান মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এই গ্যাস ও মেঘপুঞ্জে জমাট বাঁধতে শুরু করে। অভ্যন্তরের চাপ ও উত্তাপ বাড়তে থাকে। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট যে বস্তু তৈরি হয় তা আলো বিকিরণ করতে পারে না। পূর্ণ তারকা তৈরি হওয়ার পূর্ববর্তী এই অবস্থাকে প্রো-স্টার বলা হয়। প্রো-স্টার আরও ঘনীভূত হয় এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। যখন তাপমাত্রা প্রায় $10^{7^{o}} c$ হয় নিউক্লিয় বিক্রিয়ার ফলে হিলিয়াম পরমাণুর সৃষ্টি হয় এবং বিপুল শক্তি নিঃসৃত হয়। এভাবেই তার কার জন্ম হয়। আমাদের সূর্যও একটি তারকা যার ভর ও ব্যাসার্ধ যথাক্রমে $2 \times 10^{30} \mathrm{~kg}$ ও $6.96 \times 10^{3} \mathrm{~m}$

ঘ. আমাদের সৌরজগতের স্থায়িত্ব সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

আগুনের গোলার মত পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা বস্তুটিকে কী বলে?

একটি গ্রহাণুর কক্ষপথে অর্ধবৃত্তাকার দৈর্ঘ্য 3.5 জ্যোতির্বিদ্যার একক। এর আবর্তনকাল কত?

কোন চারটি গ্রহকে পার্থিব গ্রহ বলে?

কোন দুটি গ্রন্থের কোনো উপগ্রহ নেই?

ক্ষুদ্র শিলা খণ্ড পৃথিবীর অভিকর্ষের টানে প্রচণ্ড বেগে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং বায়ু কণার সাথে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে উঠে, ...

গ্রহাণু কোন দুটি গ্রহের কক্ষপথের মাঝ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?

গ্রহাণু কোন দুটি গ্রহের কক্ষপ্তহের মাঝ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?

তারকার উপাদান মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এই গ্যাস ও মেঘপুঞ্জে জমাট বাঁধতে শুরু করে। অভ্যন্তরের চাপ ও...

ধূমকেতুর- i. ব্যাস কয়েক কিলোমিটার ii. কক্ষপথ অতিমাত্রায় উৎকেন্দ্রিক iii. লেজটি দেখতে ঝাঁটার মত নিচের কোনটি সঠিক?

নিচের চিত্রে সূর্যের গঠন দেখানো হয়েছে । গ. সূর্যের গঠন ও তাপ আলোক বিকিরণ প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।