Facebook Pixel

ক. স্পিকার কী? খ. অ্যটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব কী? গ. উদ্দীকের বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন বিষয়টির সাথে সাদৃশ্য বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর। ঘ. রাষ্ট্র পরিচালনায় এর গুরুত্ব বর্ণনা কর।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ বাংলাদেশের সংবিধান

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি যিনি সংসদ পরিচালনা করেন। খ. অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তার প্রধান দায়িত্ব হলো, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আইনি পরামর্শ দেওয়া এবং আদালতে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি সরকারের বিভিন্ন আইনি বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং বিভিন্ন মামলায় সরকারের পক্ষে আইনি লড়াই করেন। এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্র ও সরকারের স্বার্থ রক্ষার্থে দেশের যেকোনো আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারেন। গ. উদ্দীপকের বিষয়টির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য বিদ্যমান। উদ্দীপকে প্রজাতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি, গণতন্ত্র এবং এককেন্দ্রিক সরকারের মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে, যা সবই বাংলাদেশের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র। সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য এবং ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই অধিকারগুলো হলো জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক ও চিন্তার স্বাধীনতা, চলাফেরার স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিকারের অধিকার। সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্রীয় মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ। এই মূলনীতিগুলো রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। সংবিধানে গণতন্ত্রের আদর্শকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হবে, এটাই গণতন্ত্রের মূলকথা। বাংলাদেশে এককেন্দ্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। সংবিধান অনুযায়ী, সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই দেশ পরিচালনা করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও সংবিধানের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন-সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাচন প্রক্রিয়া, এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থা। উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো সবই বাংলাদেশের সংবিধানে লক্ষণীয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়গুলো বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো দিয়ে সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে যা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় এর বিকল্প নেই। একটি দেশের সংবিধান হলো সেই ভিত্তি, যার ওপর রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সংবিধান একটি রাষ্ট্রের কাঠামো নির্ধারণ করে। এটি সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, যেমন- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি ব্যাখ্যা করে। সংবিধানের মাধ্যমে সরকার কীভাবে গঠিত হবে, কীভাবে কাজ করবে এবং জনগণের সাথে সরকারের সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ধারণ করা হয়। সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো লিপিবদ্ধ থাকে। এ অধিকারগুলো নাগরিকদের জীবন, স্বাধীনতা, এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সংবিধান নিশ্চিত করে যে, রাষ্ট্র কোনোভাবেই নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করতে পারবে না। সংবিধান রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো নির্ধারণ করে, যা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। এ মূলনীতিগুলো রাষ্ট্রের আদর্শ, লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে। সংবিধান গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করে। এটি জনগণের ক্ষমতা, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করে। সংবিধানের মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়। সংবিধানের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, দেশের সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এটি সরকারের ক্ষমতা সীমিত করে এবং স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করে। সংবিধান অনুযায়ী সরকার কাজ করতে বাধ্য থাকে এবং জনগণের অধিকার রক্ষা করতে হয়। এভাবে সংবিধান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে। এটি ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সহযোগিতা নিশ্চিত করে। করে। এটি সকল নাগরিককে একটি সাধারণ পরিচয়ে একত্রিত করে। এছাড়া সংবিধান সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়। এটি সমাজের দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার রক্ষা করে এবং বৈষম্য দূর করতে সাহায্য করে। সংবিধান একটি দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নির্ধারণে সহায়তা করে। পরিশেষে বলা যায়, সংবিধান একটি রাষ্ট্রের মূলভিত্তি। একটি শক্তিশালী সংবিধান একটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করে। সংবিধানের অনুপস্থিতিতে একটি রাষ্ট্র সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না এবং সেখানে অরাজকতা সৃষ্টি হবেই। তাই, রাষ্ট্র পরিচালনায় সংবিধানের গুরুত্ব অপরিসীম।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

ক.

স্পিকার কী?

খ.

অ্যটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব কী?

গ.

উদ্দীকের বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন বিষয়টির সাথে সাদৃশ্য বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

রাষ্ট্র পরিচালনায় এর গুরুত্ব বর্ণনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

'A' নামক দেশটি এক দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশটি মাত্র এক বছরের মধ্যে এ...

'P' দেশের সংবিধান গণপরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সংবিধানটির প্রকৃতি হল লিখিত ও দুষ্পরবির্তনীয়। এ সংবিধানে মৌলিক অ...

Q. (?) চিহ্নিত স্থানে বাংলাদেশ সংবিধানের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?

'X' রাষ্ট্রটির সংবিধান লিখিত এবং দুষ্পরিবর্তনীয়। দেশটিতে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতি শাসন...

'Y' রাষ্ট্রের জনস্বার্থ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য কিছু নাগরিক অধিকার রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে। ঐ সকল অধিকার খর্ব হলে নাগরিকদের আ...

‘B’ রাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তী এক বছরের মধ্যে একটি গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনী...

ক. BSTI-এর পূর্ণরূপ কী? খ. মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত অংশের বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর। ঘ. উদ্দীপ...

ক. সংবিধান কী? খ. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলতে কী বোঝ? গ. 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সংবিধানের ...

ক. সার্বজনীন ভোটাধিকার কী? খ. মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে কোন দেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর...

ক. ভাষা আন্দোলন কত সালে সংঘটিত হয়? খ. ছয় দফাকে বাংলার মুক্তি সনদ বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানটি তো...

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।