Facebook Pixel

সুমনার নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনিসহ জ্বর আসে। চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানালেন RBC-তে অণুজীব সংক্রমণের মাধ্যমে এই জ্বর হয়। ক. কায়াজমা কী? খ. অপুংজনি বলতে কী বুঝ? গ. উদ্দীপকের বিশেষ কণিকায় পরজীবীটির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া বর্ণনা কর। ঘ. উদ্দীপকের রোগটি কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ অণুজীব

উৎস: Board Exam Question JB 2018, Board Exam Question DB 2018, Board Exam Question SB 2018, Board Exam Question DiB 2018, Board Exam Question Combined 2018, Board Exam Question RB 2018, Board Exam Question CB 2018, Board Exam Question ChB 2018, Board Exam Question BB 2018, Board Exam Question MSB 2018

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) মিয়োসিস কোষবিভাজনের প্রফেজ-১ এর ডিপ্লোটিন উপপর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডদ্বয় পরস্পরকে আড়াআড়িভাবে অতিক্রম করে যে X আকৃতির গঠন তৈরি করে, তাকে কায়াজমা বলে। (খ) যে বিশেষ প্রজনন প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু নিষেক ছাড়াই সরাসরি ভ্রূণে পরিণত হয়ে নতুন জীবে রূপান্তরিত হয়, তাকে অপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস বলে। এটি এক ধরনের অযৌন প্রজনন। মৌমাছি, বোলতা, রটিফার ইত্যাদি প্রাণিদেহে এবং কিছু উদ্ভিদে এ ধরনের জনন দেখা যায়। অপুংজনি প্রধানত দুই প্রকার: হ্যাপ্লয়েড অপুংজনি ও ডিপ্লয়েড অপুংজনি। (গ) উদ্দীপকের পরজীবীটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium) এবং বিশেষ কণিকাটি হলো লোহিত রক্তকণিকা (RBC)। লোহিত রক্তকণিকায় পরজীবীটির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি নিচে বর্ণনা করা হলো: যকৃত থেকে আসা মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েটগুলো লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং খাদ্য গ্রহণ করে স্ফীত হয়ে ট্রফোজয়েটে পরিণত হয়। ট্রফোজয়েটের অভ্যন্তরে একটি গহ্বর সৃষ্টি হয়ে তা বড় হতে থাকলে সাইটোপ্লাজম পরিধির দিকে সরে যায়, ফলে পরজীবীটিকে দেখতে অনেকটা আংটির মতো মনে হয়। একে সিগনেট রিং বলে। পরবর্তীতে গহ্বরটি অদৃশ্য হয়ে গেলে পরজীবীটি অনিয়তাকার ও ক্ষণপদযুক্ত অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েটে পরিণত হয়। এ সময় লোহিত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজমে সাফনার্স দানা দেখা যায়। এরপর পরজীবীটি গোলাকার হয়ে নিউক্লিয়াস বিভাজনের মাধ্যমে বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত সাইজন্টে পরিণত হয়। পরিণত সাইজন্টে বহুবিভাজন বা শাইজোগনি প্রক্রিয়ায় ১২-১৮টি মেরোজয়েট তৈরি হয়, যা গোলাপের পাপড়ির মতো সাজানো থাকে বলে একে রোজেন্ট দশা বলে। পরিশেষে লোহিত রক্তকণিকার প্রাচীর বিদীর্ণ করে মেরোজয়েটগুলো রক্তরসে মুক্ত হয় এবং নতুন লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে। (ঘ) উদ্দীপকের রোগটি হলো ম্যালেরিয়া, যা স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে মশার বংশবিস্তার রোধ ও মশা থেকে সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করা হলো: ১. মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস: মশা সাধারণত স্থির পানিতে ডিম পাড়ে। তাই বাড়ির আশেপাশের ডোবা, নালা, ফুলের টব বা পরিত্যক্ত পাত্রে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে মশার আশ্রয়স্থল নষ্ট হয়। ২. লার্ভা ও পিউপা ধ্বংস: জলাশয়ে কেরোসিন বা পেট্রোল ছিটিয়ে দিলে লার্ভা ও পিউপা অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়। এছাড়া বিএইচসি (BHC) বা ডায়েলড্রিনের মতো কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় লার্ভিভোরাস মাছ যেমন- গাপ্পি, কই, তেলাপিয়া ইত্যাদি চাষ করা একটি কার্যকর জৈবিক পদ্ধতি। ৩. পূর্ণাঙ্গ মশা নিধন: ফগিং মেশিনের সাহায্যে ধোঁয়া তৈরি করে বা রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ মশা নিধন করা যায়। ৪. ব্যক্তিগত সুরক্ষা: রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা এবং দিনের বেলা শরীর ঢেকে থাকে এমন পোশাক পরা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের অন্যতম কার্যকর উপায়। উপসংহারে বলা যায়, মশা নিধন এবং ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenJessore Board (2018)Dhaka Board (2018)Sylhet Board (2018)Dinajpur Board (2018)Combined Board (2018)Rajshahi Board (2018)Cumilla Board (2018)Chattogram Board (2018)Barisal Board (2018)Mymensingh Board (2018)

সুমনার নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনিসহ জ্বর আসে। চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানালেন RBC-তে অণুজীব সংক্রমণের মাধ্যমে এই জ্বর হয়।

ক. কায়াজমা কী?

খ. অপুংজনি বলতে কী বুঝ?

গ. উদ্দীপকের বিশেষ কণিকায় পরজীবীটির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকের রোগটি কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।