Facebook Pixel

A → অকোষীয় জীব, প্রোটিন দ্বারা নিউক্লিয়াস আবৃত। B → এককোষী জীব ও নিউক্লিয়াস আদিকোষী। C → এমন জীব যার অযৌনজনন মানবদেহে সংঘটিত হয় কিন্তু যৌন জনন স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকীর দেহে সংঘটিত হয়। ক. কলেরা রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম লিখ। খ. গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া বলতে কী বুঝ? কর। গ. কোষকে ধ্বংস করে 'A' এর সংখ্যাবৃদ্ধির প্রক্রিয়া আলোচনা কর। ঘ. মানুষের যকৃতে 'C' জীবটি কিভাবে তার অযৌন জনন সম্পন্ন করে বর্ণনা কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ অণুজীব

উৎস: Test Exam Question JGCC 2020

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) কলেরা রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Vibrio cholerae। (খ) যেসব ব্যাকটেরিয়াকে ক্রিস্টাল ভায়োলেট ও আয়োডিন দিয়ে রঞ্জিত করার পর অ্যালকোহল বা অ্যাসিটোন দিয়ে ধৌত করলেও রঞ্জক পদার্থ বেরিয়ে যায় না এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্রে বেগুনি রঙের দেখায়, তাদের গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া বলে। এদের কোষপ্রাচীর মূলত পেপটিডোগ্লাইকান নামক পুরু স্তর দ্বারা গঠিত। উদাহরণ: Clostridium, Staphylococcus। (গ) উদ্দীপকের 'A' হলো ভাইরাস এবং 'B' হলো ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে যে প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে তাকে লাইটিক চক্র বলে। নিচে এর ধাপসমূহ আলোচনা করা হলো: ১. সংযুক্তি: ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস তার স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের নির্দিষ্ট রিসেপ্টর সাইটে যুক্ত হয়। ২. DNA প্রবেশ: ফায ভাইরাস তার লেজের সংকোচনশীল অঙ্গ ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরে ছিদ্র তৈরি করে এবং নিজস্ব DNA ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করায়। ৩. অনুলিপন: ভাইরাসের DNA ব্যাকটেরিয়ার বিপাকীয় প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে। ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব DNA ধ্বংস হয়ে যায় এবং ভাইরাসের DNA প্রতিলিপন ও প্রোটিন তৈরির মাধ্যমে নতুন নতুন ভাইরাসের উপাদান তৈরি হয়। ৪. সংযোজন: কোষের ভেতরে তৈরি হওয়া নতুন DNA এবং প্রোটিন একত্রিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ভাইরাস বা ভিরিয়ন গঠিত হয়। ৫. মুক্তি: ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ বা লাইসিস হয়ে নতুন সৃষ্ট ভাইরাসগুলো বাইরে বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় অন্য ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। (ঘ) উদ্দীপকের 'C' জীবটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবী বা Plasmodium vivax। মানুষের যকৃতে এর অযৌন জনন প্রক্রিয়াকে হেপাটিক সাইজোগনি বলা হয়। এটি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়: ১. প্রি-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি: মশা দংশনের মাধ্যমে স্পোরোজয়েট মানবদেহে প্রবেশ করে যকৃতে পৌঁছায়। যকৃত কোষে এরা ক্রিপ্টোজয়েট ও পরবর্তীতে সাইজন্টে পরিণত হয়। সাইজন্টের নিউক্লিয়াস বিভাজনের মাধ্যমে অসংখ্য ক্রিপ্টোমেরোজয়েট তৈরি হয়, যা যকৃত কোষ বিদীর্ণ করে বেরিয়ে আসে। ২. এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি: প্রি-এরিথ্রোসাইটিক পর্যায়ে উৎপন্ন মেরোজয়েটগুলো নতুন যকৃত কোষকে আক্রমণ করে। একইভাবে এখানেও সাইজন্ট ও মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন মেরোজয়েটগুলো রক্তস্রোতে প্রবেশ করে লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে, যার ফলে ম্যালেরিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই চক্রটি যকৃতে বারবার চলতে থাকে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Joypurhat Girls’ Cadet College (2020)

A → অকোষীয় জীব, প্রোটিন দ্বারা নিউক্লিয়াস আবৃত।

B → এককোষী জীব ও নিউক্লিয়াস আদিকোষী।

C → এমন জীব যার অযৌনজনন মানবদেহে সংঘটিত হয় কিন্তু যৌন জনন স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশকীর দেহে সংঘটিত হয়।

ক. কলেরা রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম লিখ।

খ. গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া বলতে কী বুঝ? কর।

গ. কোষকে ধ্বংস করে 'A' এর সংখ্যাবৃদ্ধির প্রক্রিয়া আলোচনা কর।

ঘ. মানুষের যকৃতে 'C' জীবটি কিভাবে তার অযৌন জনন সম্পন্ন করে বর্ণনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।