Facebook Pixel

সোহানা সুন্দরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। তাদের বিদ্যালয়টি ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত। বর্তমানে তাদের বিদ্যালয়টি ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত হবে বলে সে শুনেছে। সোহানা খুব খুশি। কারণ তার ছোট ভাই রাজু সেখানে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়তে পারবে। ক. শিশু কারা? খ. ২০১১ সালের শিশুনীতির মূলনীতিসমূহ উল্লেখ কর। গ. উদ্দীপকে সরকারের কোন নীতির বিষয়ে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সামাজিক নীতিটির গুরুত্ব তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা কর।

বিষয়: সমাজকর্ম ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৭ঃ সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে শিশু বলা হয়। খ. জাতীয় শিশু নীতি ২০১১-এর মূলনীতিগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ⦿ বাংলাদেশের সংবিধান, শিশু আইন ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহের আলোকে শিশু অধিকার নিশ্চিতকরণ। ⦿ শিশু দারিদ্র্য বিমোচন এবং শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ। ⦿ কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ এবং শিশুর সুরক্ষা ও স্বার্থ নিশ্চিতকরণে শিশুদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ। গ. উদ্দীপকে সরকারের 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০'-এর বিষয়ে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। এই নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার স্তর পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধি করা। এই নীতিতে বলা হয়েছে, দেশের মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এর মেয়াদ ৫ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৮ বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। উদ্দীপকের সোহানার বিদ্যালয়টি পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ার বিষয়টি সরাসরি এই শিক্ষানীতির লক্ষ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো একটি বৈষম্যহীন, গণমুখী ও বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা। সোহানা এবং তার ভাই রাজুর মতো সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষালাভের সমান সুযোগ অবারিত করাই এই নীতির মূল উদ্দেশ্য। ঘ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সামাজিক নীতিটি হলো জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০, যা একটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাঠ্যবইয়ের আলোকে এর গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- দক্ষ জনশক্তি গঠন: শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য। সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশ: শিক্ষানীতি শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ: এই নীতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, সততা, অসাম্প্রদায়িকতা এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলে। বৈষম্য দূরীকরণ: জাতি, ধর্ম ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার জন্য শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করে সামাজিক বৈষম্য দূর করা এর প্রধান লক্ষ্য। পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক এবং উন্নত চরিত্রসম্পন্ন জাতি গঠন করা সম্ভব। এটি শুধু শিক্ষার হার বৃদ্ধি করে না, বরং দেশের টেকসই উন্নয়নের নীলনকশা হিসেবে কাজ করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

সোহানা সুন্দরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। তাদের বিদ্যালয়টি ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত। বর্তমানে তাদের বিদ্যালয়টি ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত হবে বলে সে শুনেছে। সোহানা খুব খুশি। কারণ তার ছোট ভাই রাজু সেখানে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়তে পারবে।

ক.

শিশু কারা?

খ.

২০১১ সালের শিশুনীতির মূলনীতিসমূহ উল্লেখ কর।

গ.

উদ্দীপকে সরকারের কোন নীতির বিষয়ে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সামাজিক নীতিটির গুরুত্ব তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।