Facebook Pixel

শিক্ষক ক্লাসে এক ধরনের জ্বরের কথা বললেন, যার কারণে রক্তে অণুচক্রিকা অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায় এবং এক ধরনের এককোষী অণুজীবের কথা বললেন যার সংক্রমণে যকৃৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক. ইমার্জিং ভাইরাস কী খ. হেপাটাইটিসকে তুষের আগুন বলা হয় কেন গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত এককোষী অণুজীবটির সংখ্যাবৃদ্ধি রেখাচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত জ্বরের প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় বিশ্লেষণ করো

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ অণুজীব

উৎস: Board Exam Question JB 2024, Board Exam Question JB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) আদি পোষক থেকে পরে নতুন পোষকে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে ইমার্জিং ভাইরাস বলে। যেমন, HIV, SARS, Ebola ইত্যাদি। (খ) হেপাটাইটিসকে তুষের আগুন বলার কারণ হলো, এই রোগটি প্রায়শই দীর্ঘস্থায়ী এবং নীরব প্রকৃতির হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি বছরের পর বছর ধরে হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত থাকলেও অনেক সময় কোনো স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না। ভাইরাসটি নীরবে যকৃতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং ধীরে ধীরে লিভারের কোষগুলোকে ধ্বংস করে, যা পরবর্তীতে লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের মতো মারাত্মক জটিলতায় রূপ নিতে পারে। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত এককোষী অণুজীবটি হলো Plasmodium বা ম্যালেরিয়া পরজীবী। ম্যালেরিয়া পরজীবী মানুষের যকৃৎ কোষে প্রবেশ করে বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে, যাকে হেপাটিক বা যকৃৎ সাইজোগনি বলা হয়। এটি মানবদেহের যকৃৎকোষে দুটি পর্যায়ে ঘটে: (১) প্রি-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি এবং (২) এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি। নিচে রেখাচিত্রের সাহায্যে ম্যালেরিয়া পরজীবীর হেপাটিক বা যকৃৎ সাইজোগনি দেখানো হলো, (ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত জ্বরটি হলো ডেঙ্গু জ্বর, যা এডিস মশা দ্বারা বাহিত হয় এবং রক্তের অণুচক্রিকা অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস করে। এর প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: রোগের প্রতিকার: ডেঙ্গু সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। আক্রান্ত রোগীকে প্রচুর পানি, ফলের রস ও তরল খাবার দিতে হবে। জ্বর নিয়ন্ত্রণে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। রোগীর মাথায় পানি ঢালা, গায়ের ঘাম মুছে দেওয়া এবং ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে দেওয়া উপকারী। হেমোরেজিক ডেঙ্গু হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। রোগের প্রতিরোধ: ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহক এডিস মশার আবাসস্থল ধ্বংস করতে হবে। বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত টায়ার, ভাঙা ড্রাম বা ডাবের খোলে যেন পানি না জমে সেদিকে নজর দিতে হবে। মশা থেকে বাঁচতে দিনের বেলায় মশারি ব্যবহার করতে হবে। অসুস্থ হলে ইনজেকশন দেওয়ার সময় ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে ভাইরাসের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenJessore Board (2024)Jessore Board (2025)

শিক্ষক ক্লাসে এক ধরনের জ্বরের কথা বললেন, যার কারণে রক্তে অণুচক্রিকা অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায় এবং এক ধরনের এককোষী অণুজীবের কথা বললেন যার সংক্রমণে যকৃৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক. ইমার্জিং ভাইরাস কী খ. হেপাটাইটিসকে তুষের আগুন বলা হয় কেন গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত এককোষী অণুজীবটির সংখ্যাবৃদ্ধি রেখাচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত জ্বরের প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় বিশ্লেষণ করো

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।