Facebook Pixel

লাবনীর বাবা এইচএসসি অধ্যয়নকালে তার একটি বিষয় ছিল যা তাকে খুবই আনন্দ দিত। কারণ প্রকৃত অর্থে সৃজনশীল বলতে যা বোঝায় তিনি এই বিষয়টি পড়ে তা পেয়েছেন। তিনি চান লাবনীও উচ্চ মাধ্যমিকে বিষয়টি পড়ুক। বিষয়টি বুদ্ধিবৃত্তিকে যেমন শাণিত করে তেমনি এর ব্যবহারিক দিকও রয়েছে। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. 'চিন্তা যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়' কেন? গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি তোমার পাঠ্যক্রমের কোন বিষয়কে নির্দেশ করছে? বুঝিয়ে লেখো। ঘ. উদ্দীপকে যে দুটি দিকের ইঙ্গিত রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি

উৎস: Board Exam Question DB 2025, Board Exam Question BB 2024, Board Exam Question DB 2024

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল। (খ) যুক্তিবিদ্যাকে উৎপত্তিগতভাবে ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান বলা হয়। চিন্তা একটি অত্যন্ত ব্যাপক বিষয়। সাধারণ অর্থে চিন্তা বলতে কল্পনা, স্মৃতি, অনুমান বা প্রত্যক্ষণকে বোঝায়। কিন্তু যুক্তিবিদ্যা সব ধরনের চিন্তা নিয়ে আলোচনা করে না। যুক্তিবিদ্যা কেবল সেই চিন্তার সাথে সম্পর্কিত যা অনুমানের সাথে যুক্ত। অর্থাৎ, যে চিন্তার মাধ্যমে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি বা যুক্তি প্রদান করি, তাকেই যুক্তিবিদ্যা তার আলোচ্য বিষয় হিসেবে গ্রহণ করে। তাই বলা যায়, অনুমানমূলক চিন্তা বা যুক্তিনির্ভর চিন্তাই যুক্তিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়। (গ) উদ্দীপকে লাবনীর বাবার বর্ণিত বিষয়টি হলো যুক্তিবিদ্যা। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিষয়টি সৃজনশীল, বুদ্ধিবৃত্তিকে শাণিত করে এবং এর ব্যবহারিক দিক রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা হলো যুক্তির বিজ্ঞান, যা আমাদের চিন্তার নিয়মাবলি শিক্ষা দেয়। এটি কেবল তাত্ত্বিক আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ভুল যুক্তি থেকে সঠিক যুক্তিকে পৃথক করতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যা অধ্যয়নের ফলে আমাদের চিন্তার জড়তা দূর হয় এবং বুদ্ধিবৃত্তি শাণিত হয়। উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে যুক্তিবিদ্যার এই বৈশিষ্ট্যগুলো হুবহু মিলে যায়, তাই বিষয়টি যুক্তিবিদ্যাকে নির্দেশ করছে। (ঘ) উদ্দীপকে যুক্তিবিদ্যার দুটি দিকের ইঙ্গিত রয়েছে, যা হলো যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা হিসেবে রূপ। যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান বলা হয় কারণ এটি একটি সুশৃঙ্খল জ্ঞান। বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যারও নিজস্ব বিষয়বস্তু রয়েছে এবং এটি যুক্তির বৈধতা ও অবৈধতা নির্ণয়ের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা নীতি প্রণয়ন করে। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে আমরা যুক্তির সত্যতা যাচাই করতে পারি, যা যুক্তিবিদ্যাকে একটি বিজ্ঞানসম্মত রূপ দেয়। অন্যদিকে, যুক্তিবিদ্যাকে কলাবিদ্যা বলা হয় কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কৌশল শেখায়। কলাবিদ্যা মানেই হলো কোনো বিষয়ের ব্যবহারিক প্রয়োগ। যুক্তিবিদ্যা আমাদের শেখায় কীভাবে সঠিকভাবে চিন্তা করতে হয় এবং কীভাবে যুক্তির ভুল বা অনুপপত্তি এড়িয়ে চলা যায়। এই নিয়মগুলো যখন আমরা আমাদের বাস্তব জীবনে বা বিতর্কে প্রয়োগ করি, তখন তা কলাবিদ্যার মর্যাদা পায়। পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যা একদিকে যেমন যুক্তির নিয়মাবলি প্রণয়ন করে বিজ্ঞান হিসেবে কাজ করে, অন্যদিকে সেই নিয়মগুলোকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কৌশল শিখিয়ে কলাবিদ্যা হিসেবেও ভূমিকা রাখে। তাই যুক্তিবিদ্যা একই সাথে বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDhaka Board (2025)Barisal Board (2024)Dhaka Board (2024)

লাবনীর বাবা এইচএসসি অধ্যয়নকালে তার একটি বিষয় ছিল যা তাকে খুবই আনন্দ দিত। কারণ প্রকৃত অর্থে সৃজনশীল বলতে যা বোঝায় তিনি এই বিষয়টি পড়ে তা পেয়েছেন। তিনি চান লাবনীও উচ্চ মাধ্যমিকে বিষয়টি পড়ুক। বিষয়টি বুদ্ধিবৃত্তিকে যেমন শাণিত করে তেমনি এর ব্যবহারিক দিকও রয়েছে। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. 'চিন্তা যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়' কেন? গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি তোমার পাঠ্যক্রমের কোন বিষয়কে নির্দেশ করছে? বুঝিয়ে লেখো। ঘ. উদ্দীপকে যে দুটি দিকের ইঙ্গিত রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।