Facebook Pixel

beginarray|l|c|c|c| hline textbfধাপ-১ & textbfধাপ-২ & textbfধাপ-৩ & textbfধাপ-৪ hline textশিশু & textকিশোর & textযুবক & textবৃদ্ধ hline endarray ক. যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে? খ. যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের বিজ্ঞান বুঝিয়ে লেখো। গ. ধাপ-৩ দ্বারা যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের কোন যুগকে তুলে ধরা হয়েছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. ধাপ-১ যুক্তিবিদ্যার যে যুগকে নির্দেশ করে, সে যুগের একজন যুক্তিবিদের ধারণা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি

উৎস: Board Exam Question MSB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) যুক্তিবিদ্যা হলো এমন একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান, যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে আলাদা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি ও নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করে। (খ) যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়। যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের ওপর ভিত্তি করে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করে, তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে মানুষের চিন্তার বৈধতা ও অবৈধতা নির্ণয় করে। চিন্তার সঠিক নিয়মাবলি অনুসরণ করে কীভাবে সত্যে পৌঁছানো যায়, তা যুক্তিবিদ্যা শিক্ষা দেয়। যেহেতু যুক্তিবিদ্যা চিন্তার আদর্শ বা মানদণ্ড নির্ধারণ করে, তাই একে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়। (গ) উদ্দীপকের ধাপ-৩ দ্বারা যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের আধুনিক যুগকে নির্দেশ করা হয়েছে। যুক্তিবিদ্যার ইতিহাসকে প্রধানত চারটি যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, আধুনিক যুগ এবং সাম্প্রতিক যুগ। উদ্দীপকের ছকে মানুষের বয়সভেদে চারটি ধাপ (শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ) দেখানো হয়েছে, যা যুক্তিবিদ্যার চারটি যুগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপ বা যুবক পর্যায়টি আধুনিক যুগের প্রতীক। আধুনিক যুগে যুক্তিবিদ্যার ব্যাপক পরিবর্তন ও পরিমার্জন ঘটে। এই যুগের অন্যতম পথিকৃৎ ফ্রান্সিস বেকন তার আরোহ পদ্ধতির মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। এছাড়া অ্যান্টনি আরনল্ড ও পিয়ের নিকোলি রচিত 'Port Royal Logic', জন স্টুয়ার্ট মিলের 'A System of Logic' এবং হেগেলের 'Science of Logic' গ্রন্থগুলো আধুনিক যুক্তিবিদ্যার ভিত্তি মজবুত করেছে। (ঘ) উদ্দীপকের ধাপ-১ দ্বারা যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের প্রথম পর্যায় বা প্রাচীন যুগকে নির্দেশ করা হয়েছে। প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ যুক্তিবিদ হলেন এরিস্টটল, যাকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয়। এরিস্টটল যুক্তিবিদ্যাকে চিন্তার বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তার মতে, চিন্তার আকার ও উপাত্ত নিয়ে আলোচনা করাই যুক্তিবিদ্যার কাজ। তিনি মনে করতেন, সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য চিন্তা প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল করা প্রয়োজন। এরিস্টটলের যুক্তিবিদ্যার প্রধান অবদান হলো সহানুমান বা Syllogism-এর ধারণা প্রবর্তন। তিনি যুক্তির বৈধতা বিচারের জন্য যে সূত্র প্রদান করেন, তা 'এরিস্টটলের সূত্র' (Aristotle's Dictum) নামে পরিচিত। তিনি চিন্তার চারটি মৌলিক নিয়ম প্রদান করেছেন যা আজও যৌক্তিক চিন্তার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। পরিশেষে, এরিস্টটলের অবদান সম্পর্কে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট যথার্থই বলেছেন যে, যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে যা যা জানার প্রয়োজন, তার সবই এরিস্টটল আবিষ্কার করে গেছেন। উদ্দীপকের ধাপ-১ এরিস্টটলের এই সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারা ও যুক্তিবিদ্যার সূচনালগ্নকে নির্দেশ করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenMymensingh Board (2025)

$\begin{array}{|l|c|c|c|} \hline \textbf{ধাপ-১} & \textbf{ধাপ-২} & \textbf{ধাপ-৩} & \textbf{ধাপ-৪} \\ \hline \text{শিশু} & \text{কিশোর} & \text{যুবক} & \text{বৃদ্ধ} \\ \hline \end{array}$

ক. যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে? খ. যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের বিজ্ঞান বুঝিয়ে লেখো। গ. ধাপ-৩ দ্বারা যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের কোন যুগকে তুলে ধরা হয়েছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. ধাপ-১ যুক্তিবিদ্যার যে যুগকে নির্দেশ করে, সে যুগের একজন যুক্তিবিদের ধারণা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।