Facebook Pixel

রাইফ ও রোদ্র পত্রিকায় দেখল ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস এবং এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় 'মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি'। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাদক সেবন, ব্যবসা ও পাচারের দিক থেকে বাংলাদেশ অন্যতম। মাদকের ভয়াল গ্রাস দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করছে। রাইফ বলল "মাদকের অপব্যবহার বন্ধে সরকার ও আইনই যথেষ্ট নয়"। এ বিষয়ে দেশের যুব সম্প্রদায়কে সচেতন করা দরকার। ক. এইডস কি? খ. ইভটিজিং বলতে কী বোঝায়? গ. সমাজে মাদকদ্রব্যের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপকে রাইফের বক্তব্য কি তুমি সমর্থন কর? যুক্তি দাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায় -১০ঃ নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয়

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome) হচ্ছে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত মরণব্যাধি। খ. ইভটিজিং মূলত প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি, পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ দ্বারা নারী নির্যাতনকে নির্দেশ করে। পুরুষরা যখন নারী দেখলে অশ্লীল কথা বলে, অপ্রীতিকর অঙ্গভঙ্গি করে, সুযোগ বুঝে ধাক্কা মারে, মোবাইল ফোনে বিরক্ত করে, পেছনে পেছনে অকারণে অনুসরণ করে এবং শিষ দেয় তাকেই ইভটিজিং বলে। গ. সমাজে মাদকদ্রব্যের নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়। মাদক সমস্যায় সবচেয়ে বেশি জড়িত যুব সমাজ। যুব সমাজই যেহেতু সমাজ তথা রাষ্ট্রের প্রাণশক্তি সেহেতু এ সমস্যাটি কমবেশি এ সমস্যাটি পতিত হলে গোটা সমাজই ভেঙে পড়ে। মাদক এমন একটি প্রত্যয় যা শুধুমাত্র একক কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না। গাঁজা, মদ, বিড়ি-সিগারেট, কোকেন, মরফিন, মারিজুয়ানা, হেরোইন, আফিম ইত্যাদি মাদকের অন্তর্ভুক্ত। একবার মাদক গ্রহণ শুরু করলে তা আসক্তকে এমনভাবে আকৃষ্ট করে যে বারবার নিতে হয়। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ। মাদক সেবনকারী শুধু নয়, বরং তার পরিবারসহ গোটা সমাজই এর কুফল ভোগ করে। মাদকসেবনকারী অনেক ক্ষেত্রে উন্মাদ হয়ে পড়ে এবং সে সমাজের অন্যদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে পড়ে। মাদক এমন একটি বিষয় যার বিন্দুমাত্র উপকার নেই অথচ অর্থ, স্বাস্থ্য ও সমাজের ক্ষতি সাধন করে। ঘ. উদ্দীপকে রাইফের বক্তব্য মাদক নিরসনে তাৎপর্যপূর্ণ, যা সম্পূর্ণরূপে আমি সমর্থন করি। মাদক এমন একটি সমস্যা যা শুধু সেবনকারীর সাথে জড়িত নয় বরং গোটা সমাজই এর সাথে জড়িত। মাদকের কুফল ক্ষেত্রভেদে ব্যক্তি, পরিবার, দেশ, সমাজ সকলকেই ভোগ করতে হয়। আর এ সমস্যা মূলত সমাজের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যেই বেশি লক্ষণীয়। সমাজের যুবকরাই প্রাণশক্তি হিসেবে বিবেচিত। তাই তাদেরকে সচেতন করে তুললে বাকিদের দায়িত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করতে পারবে। সুতরাং যুব সমাজকে সচেতন করে তুললে তরুণ সমাজও সচেতন হবে। আবার মাদক সমস্যা দূরীকরণে যুব সমাজের কোনো বিকল্প নেই। এছাড়াও মাদক দূরীকরণে সমাজের যুবকদের নিয়ে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে যুবকরাই বেশি অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে থাকে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মাদক দূরীকরণে সমাজের যুব সম্প্রদায়কে নিয়ে 'মাদককে না বলুন' স্লোগানটি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

রাইফ ও রোদ্র পত্রিকায় দেখল ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস এবং এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় 'মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি'। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাদক সেবন, ব্যবসা ও পাচারের দিক থেকে বাংলাদেশ অন্যতম। মাদকের ভয়াল গ্রাস দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করছে। রাইফ বলল "মাদকের অপব্যবহার বন্ধে সরকার ও আইনই যথেষ্ট নয়"। এ বিষয়ে দেশের যুব সম্প্রদায়কে সচেতন করা দরকার।

ক.

এইডস কি?

খ.

ইভটিজিং বলতে কী বোঝায়?

গ.

সমাজে মাদকদ্রব্যের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করো।

ঘ.

উদ্দীপকে রাইফের বক্তব্য কি তুমি সমর্থন কর? যুক্তি দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।