Facebook Pixel

মুনা ও কণা কয়েকদিন যাবত অসুস্থ। মুনার শরীরে লাল রঙের র‍্যাশ দেখা দিয়েছে এবং রক্ত জমাট বাঁধগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে কণার শরীরে রক্তশূন্যতা ও কাঁপুনি হয়। ক. ভিরিয়ন কী খ. জনুক্রম বলতে কী বোঝ গ. কণার দেহে রক্তশূন্যতার কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো ঘ. মুনা ও কণার রোগ প্রতিরোধে মশা নিধনই কি যথেষ্ট? তোমার মতামত ব্যাখ্যা করো

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ অণুজীব

উৎস: Board Exam Question DB 2024, Board Exam Question DB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) নিউক্লিক অ্যাসিড এবং একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে। (খ) জনুক্রম হলো কোনো জীবের জীবনচক্রে ডিপ্লয়েড (2n) এবং হ্যাপ্লয়েড (n) দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তন। এই দুটি দশা একে অপরের পরিপূরক। ডিপ্লয়েড জনু মায়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটোফাইট তৈরি করে, যা পরবর্তীতে নিষেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় ডিপ্লয়েড স্পোরোফাইট দশায় ফিরে আসে। (গ) উদ্দীপকের কণার অসুস্থতার লক্ষণসমূহ, রক্তশূন্যতা এবং কাঁপুনি, ম্যালেরিয়া রোগের নির্দেশক, যা Plasmodium vivax নামক পরজীবীর কারণে হয়। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে রক্তশূন্যতার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: Anopheles মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করে। যকৃতে হেপাটিক সাইজোগনি শেষে জীবাণুর মেরোজয়েট দশা লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে। লোহিত রক্তকণিকার ভেতরে জীবাণুটি সিগনেট রিং, অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট এবং সাইজন্ট দশার মধ্য দিয়ে যায়। সাইজন্ট বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অসংখ্য মেরোজয়েট উৎপন্ন করে। এ সময় কোষে বিষাক্ত হিমোজয়েন নামক বর্জ্য উৎপন্ন হয়। লোহিত রক্তকণিকা ফেটে মেরোজয়েট ও হিমোজয়েন রক্তরসে বেরিয়ে আসে, যা বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। একই সাথে শ্বেত রক্তকণিকা পাইরোজেন নামক বিষাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে, যার ফলে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি চক্রে লোহিত রক্তকণিকা ক্রমাগত ধ্বংস হতে থাকে, যার ফলে শরীরে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। (ঘ) উদ্দীপক অনুযায়ী মুনা ডেঙ্গু এবং কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মশা নিধন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও এটিই একমাত্র বা যথেষ্ট সমাধান নয়। এর জন্য বহুমুখী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি: ১. ব্যক্তিগত সুরক্ষা: মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার, লম্বা হাতওয়ালা পোশাক পরা এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বা লোশন ব্যবহার করা প্রয়োজন। ২. পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা: মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণ করা, ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা এবং ড্রেন ও নর্দমা সচল রাখা জরুরি। ৩. জনসচেতনতা: মশাবাহিত রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ৪. দ্রুত চিকিৎসা: আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করলে রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব। সুতরাং, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে মশা নিধনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুরক্ষা, পরিবেশগত সচেতনতা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সমানভাবে জরুরি।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDhaka Board (2024)Dhaka Board (2025)

মুনা ও কণা কয়েকদিন যাবত অসুস্থ। মুনার শরীরে লাল রঙের র‍্যাশ দেখা দিয়েছে এবং রক্ত জমাট বাঁধগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে কণার শরীরে রক্তশূন্যতা ও কাঁপুনি হয়।

ক. ভিরিয়ন কী খ. জনুক্রম বলতে কী বোঝ গ. কণার দেহে রক্তশূন্যতার কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো ঘ. মুনা ও কণার রোগ প্রতিরোধে মশা নিধনই কি যথেষ্ট? তোমার মতামত ব্যাখ্যা করো

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।