(ক)
ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত এবং সহজভাবে ডিজিটাল বার্তা বা তথ্য আদান-প্রদানের একটি আধুনিক পদ্ধতি।
(খ)
একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি তার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে যে সর্বনিম্ন পরিমাণ মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তাকে ন্যূনতম চাঁদা বলে। কোম্পানি কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র পাওয়ার আগে এই পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই ন্যূনতম চাঁদা সংগ্রহ করা না যায়, তবে কোম্পানিটি শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া বাতিল করতে হয় এবং সংগৃহীত অর্থ বিনিয়োগকারীদের ফেরত দিতে হয়।
(গ)
উদ্দীপকের মি. সাব্বির ই-ব্যাংকিং (Electronic Banking) বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছেন।
ব্যাখ্যা: ই-ব্যাংকিং হলো এমন একটি আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা যেখানে প্রথাগত কাগজের খাতা বা ব্যাংকের শাখায় উপস্থিত হওয়ার পরিবর্তে কম্পিউটার, ইন্টারনেট এবং অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. সাব্বির তার ব্যাংকের সব লেনদেনের হিসাব ছাপানো খাতায় লেখার পরিবর্তে কম্পিউটারে বিশেষ ব্যবস্থায় লিপিবদ্ধ করার নিয়ম চালু করেছেন। এছাড়া গ্রাহকদের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য চিঠিপত্রের বদলে ই-মেইল ও মোবাইল ফোনে এসএমএস পদ্ধতি চালু করেছেন। এই বৈশিষ্ট্যগুলো ই-ব্যাংকিং-এর সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। সুতরাং, মি. সাব্বির ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছেন।
(ঘ)
হ্যাঁ, উদ্দীপকে নেওয়া পদ্ধতি গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হবে।
যুক্তি: ই-ব্যাংকিং পদ্ধতি প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দূর করে গ্রাহকদের দ্রুত, সহজ এবং সাশ্রয়ী সেবা প্রদান করে। এর ফলে গ্রাহকদের উন্নত সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। উদ্দীপকের 'এবিসি ব্যাংক'-এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির প্রভাবগুলো নিম্নরূপ:
১. দ্রুত লেনদেন ও নির্ভুলতা: কম্পিউটারে হিসাব লিপিবদ্ধ করার ফলে হিসাবের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে এবং লেনদেনের গতি বৃদ্ধি পায়।
২. সময় ও শ্রমের সাশ্রয়: আগে গ্রাহকদের ছোটখাটো তথ্যের জন্য ব্যাংকে যেতে হতো বা চিঠির জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এখন ই-মেইল ও এসএমএস-এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা গ্রাহকের সময় ও শ্রম বাঁচায়।
৩. তথ্যের নিরাপত্তা: ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ করায় কাগজের খাতা হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে না, ফলে গ্রাহকের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
৪. সহজলভ্যতা: গ্রাহকরা ঘরে বসেই তাদের হিসাবের আপডেট জানতে পারছেন, যা গ্রাহক সন্তুষ্টি বৃদ্ধি করে।
পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির এই সমন্বিত ব্যবহারের ফলে 'এবিসি ব্যাংক' তার সেবার মান বৃদ্ধি করতে পেরেছে, যা গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। সুতরাং, ই-ব্যাংকিং পদ্ধতি 'এবিসি ব্যাংক'-এর গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিতে সক্ষম হবে।