Facebook Pixel

মি. কবির চারুকলার শিক্ষক। তিনি ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে নবপাঠ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের চারুকলার বিভিন্ন কৌশল শিখিয়ে দেন। মি. ফাহমিদ বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। অধ্যক্ষ মহোদয় তার বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত জ্ঞান চর্চার ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. যুক্তিবিদ্যা কেন কলাবিদ্যা? গ. মি. কবিরের কার্যক্রমে যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি নির্দেশ করছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে অধ্যক্ষের বক্তব্য তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি

উৎস: Board Exam Question JB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল। (খ) যুক্তিবিদ্যাকে কলাবিদ্যা বলা হয় কারণ এটি চিন্তার নিয়মগুলোকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কৌশল শিক্ষা দেয়। যুক্তিবিদ্যা কেবল চিন্তার বৈধতার নিয়মাবলিই প্রদান করে না, বরং সেই নিয়মগুলোকে ব্যবহার করে কীভাবে সঠিক যুক্তি গঠন করা যায় এবং ভুল যুক্তি পরিহার করা যায়, তার ব্যবহারিক দিকও নির্দেশ করে। কোনো তাত্ত্বিক জ্ঞানকে যখন বাস্তবে প্রয়োগের উপযোগী করে তোলা হয়, তখন তাকে কলাবিদ্যা বলা হয়। এই অর্থে যুক্তিবিদ্যা একটি কলাবিদ্যা। (গ) উদ্দীপকে মি. কবিরের কার্যক্রম যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের দিকটি নির্দেশ করছে। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তার নিয়মাবলি সংক্রান্ত একটি সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান। বিজ্ঞান যেমন কোনো বিষয়ের ওপর সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সূত্র প্রদান করে, যুক্তিবিদ্যাও তেমনি বৈধ যুক্তির স্বরূপ ও নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করে। মি. কবির চারুকলার শিক্ষক হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের চারুকলার বিভিন্ন কৌশল বা পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছেন, যা একটি সুশৃঙ্খল জ্ঞানচর্চার অংশ। যুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রেও আমরা যখন যুক্তির গঠন ও নিয়মাবলি নিয়ে তাত্ত্বিকভাবে আলোচনা করি, তখন তা বিজ্ঞানের মর্যাদা পায়। মি. কবিরের এই পদ্ধতিগত শিক্ষা প্রদান যুক্তিবিদ্যার সেই তাত্ত্বিক ও নিয়মতান্ত্রিক বিজ্ঞানের দিকটিই প্রতিফলিত করে। (ঘ) উদ্দীপকে অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রকৃত জ্ঞানচর্চার জন্য ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। এই বক্তব্যটি যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা উভয় দিকের সমন্বিত রূপকে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান বলা হয় কারণ এটি চিন্তার বৈধতা নির্ণয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সূত্র প্রদান করে। এটি যুক্তির আকার বা কাঠামো নিয়ে সুশৃঙ্খল আলোচনা করে, যা বিজ্ঞানের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে, যুক্তিবিদ্যাকে কলাবিদ্যা বলা হয় কারণ এটি চিন্তার নিয়মগুলোকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কৌশল শিক্ষা দেয়। কেবল নিয়ম জানলেই হয় না, সেই নিয়মগুলো ব্যবহার করে কীভাবে সঠিক যুক্তি গঠন করতে হয়, তা-ই যুক্তিবিদ্যার কলাগত দিক। অধ্যক্ষ মহোদয়ের বক্তব্যে ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যা যুক্তিবিদ্যার কলাবিদ্যার দিকটিকে সমর্থন করে। আবার শিখন কৌশল বা নিয়মাবলি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে, যা যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের দিকটিকে নির্দেশ করে। সুতরাং, যুক্তিবিদ্যা কেবল তাত্ত্বিক বিজ্ঞান নয়, বরং এটি একটি ব্যবহারিক কলাও বটে। তাই বলা যায়, অধ্যক্ষের বক্তব্যটি যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা উভয় দিকের পরিপূরক রূপকেই সঠিকভাবে তুলে ধরেছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenJessore Board (2025)

মি. কবির চারুকলার শিক্ষক। তিনি ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে নবপাঠ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের চারুকলার বিভিন্ন কৌশল শিখিয়ে দেন। মি. ফাহমিদ বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। অধ্যক্ষ মহোদয় তার বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত জ্ঞান চর্চার ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক দিকের সাথে শিখন কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. যুক্তিবিদ্যা কেন কলাবিদ্যা? গ. মি. কবিরের কার্যক্রমে যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি নির্দেশ করছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে অধ্যক্ষের বক্তব্য তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।