Facebook Pixel

বিবৃতি-১: যুক্তিবিদ্যা চিন্তন ক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। বিবৃতি-২: যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে এবং সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে ঐ নীতিসমূহ বাস্তব কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নীতিমালা সরবরাহ করে। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. আকারগত সত্যতা বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার কোন স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. তুমি কি মনে কর, বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি

উৎস: Board Exam Question DiB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)। (খ) আকারগত সত্যতা বলতে চিন্তনের অভ্যন্তরীণ বিরোধহীনতা বা কাঠামোগত শুদ্ধতাকে বোঝায়। যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হলো যুক্তির আকার বা কাঠামো। যখন কোনো যুক্তির সিদ্ধান্ত তার আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় এবং যুক্তির গঠন বা বিন্যাসে কোনো স্ববিরোধিতা থাকে না, তখন তাকে আকারগতভাবে সত্য বলা হয়। এর জন্য বাস্তব জগতের তথ্যের সাথে সংগতি থাকার প্রয়োজন নেই। যেমন, 'সকল মানুষ হয় মরণশীল, রহিম হয় মানুষ, সুতরাং রহিম হয় মরণশীল' এটি একটি আকারগতভাবে বৈধ যুক্তি। (গ) উদ্দীপকের বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার 'তাত্ত্বিক বিজ্ঞান' বা 'বিজ্ঞান' হিসেবে স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞান হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান। যুক্তিবিদ্যা চিন্তন প্রক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করে, যা চিন্তার শুদ্ধতা অর্জনের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রদান করে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, যুক্তিবিদ্যা চিন্তন ক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। এই নীতিমালাগুলো হলো চিন্তার নিয়ম, যেমন অভেদ নিয়ম, বিরোধ নিয়ম ও বহির্ভূত তৃতীয় নিয়ম। এই নিয়মগুলো জানার মাধ্যমে আমরা চিন্তার শুদ্ধতা সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান লাভ করি, যা যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানসম্মত স্বরূপকে নির্দেশ করে। (ঘ) হ্যাঁ, আমি মনে করি বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিক, অর্থাৎ বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই ফুটে উঠেছে। যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই বলা হয়। বিজ্ঞান হিসেবে এটি চিন্তার নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। অন্যদিকে, কলা হিসেবে এটি সেই নিয়মাবলিকে বাস্তব চিন্তন বা যুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে শেখায়। উদ্দীপকের বিবৃতি-২ এ বলা হয়েছে, যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে, যা এর বিজ্ঞানসম্মত দিক। আবার বলা হয়েছে, সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে ঐ নীতিসমূহ বাস্তব কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নীতিমালা সরবরাহ করে, যা এর ব্যবহারিক বা কলাবিদ্যার দিক। সুতরাং, যুক্তিবিদ্যা শুধু নিয়ম আবিষ্কারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সেই নিয়মগুলো প্রয়োগ করে সত্য উদ্ঘাটনের পথও দেখায়। তাই বিবৃতি-২ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিকটি সঠিকভাবে তুলে ধরেছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDinajpur Board (2025)

বিবৃতি-১: যুক্তিবিদ্যা চিন্তন ক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। বিবৃতি-২: যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে এবং সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে ঐ নীতিসমূহ বাস্তব কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নীতিমালা সরবরাহ করে। ক. যুক্তিবিদ্যার জনক কে? খ. আকারগত সত্যতা বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার কোন স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. তুমি কি মনে কর, বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।