Facebook Pixel

বাংলাদেশে ২০২০-২১ অর্থবছরে কয়েকটি পণ্যের রপ্তানি আয় নিম্নরূপ— beginarray|l|c|c| hline textbfক্রমিক নং & textbfপণ্যের নাম & textbfপরিমাণ (মিলিয়ন ডলারে) hline text১ & textহিমায়িত খাদ্য & text৪৭৭ hline text২ & textকাঁচা পাট & text১৩৮ hline text৩ & textচা & text০৪ hline text৪ & textকৃষিজাত পণ্য & text৫৩২ hline text৫ & textতৈরি পোশাক & text১৪৪৯৭ hline text৬ & textচামড়া & text১১৯ hline endarray বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য আশানুরূপ নয়। ক. মূলধনী দ্রব্য কাকে বলে? খ. বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যসামগ্রী আমদানি করতে হয় কেন? গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি আয় পৃথকভাবে নিরূপণপূর্বক ব্যাখ্যা কর। ঘ. বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় বলে তুমি মনে কর? আলোচনা কর।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৮ঃ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য

উৎস: Board Exam Question SB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) যেসব দ্রব্য সরাসরি ভোগের কাজে ব্যবহৃত না হয়ে অন্য কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মূলধনী দ্রব্য বলে। (খ) বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যসামগ্রী আমদানির প্রধান কারণ হলো ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তুলনায় খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি না পাওয়া। দেশের মোট আবাদি জমির পরিমাণ সীমিত এবং নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রতি বছর ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার, উন্নত বীজের অভাব এবং কৃষিজমির খণ্ডবিখণ্ডতা উৎপাদনশীলতাকে ব্যাহত করে। ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। (গ) উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোকে প্রচলিত ও অপ্রচলিত এই দুই ভাগে ভাগ করে রপ্তানি আয় নিচে নিরূপণ করা হলো: প্রচলিত পণ্য বলতে সাধারণত সেই পণ্যগুলোকে বোঝায় যা বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘকাল ধরে রপ্তানি করে আসছে। উদ্দীপক অনুযায়ী, প্রচলিত পণ্যগুলোর রপ্তানি আয়: পণ্যের নাম রপ্তানি আয় (মিলিয়ন ডলারে) হিমায়িত খাদ্য ৪৭৭ কাঁচা পাট ১৩৮ চা ০৪ চামড়া ১১৯ মোট ৭৩৮ অন্যদিকে, অপ্রচলিত পণ্য হলো সেই পণ্যগুলো যা সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদ্দীপকের অপ্রচলিত পণ্যগুলোর রপ্তানি আয়: পণ্যের নাম রপ্তানি আয় (মিলিয়ন ডলারে) কৃষিজাত পণ্য ৫৩২ তৈরি পোশাক ১৪৪৯৭ মোট ১৫০২৯ ব্যাখ্যা: উদ্দীপক থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে অপ্রচলিত পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত থেকে। প্রচলিত পণ্যগুলোর রপ্তানি আয় তুলনামূলকভাবে অনেক কম। (ঘ) বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি: ১. রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ: বর্তমানে আমাদের রপ্তানি আয় তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। ঝুঁকি কমাতে চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, হিমায়িত খাদ্য এবং প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানির ওপর জোর দিতে হবে। ২. নতুন বাজার অনুসন্ধান: আমাদের রপ্তানি বাজার মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল। তাই মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা এবং এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলোতে রপ্তানি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। ৩. পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন: আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা আবশ্যক। ISO, HACCP-এর মতো আন্তর্জাতিক সনদ অর্জনে উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান এবং মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগার স্থাপন করতে হবে। ৪. অবকাঠামোগত উন্নয়ন: বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কাস্টমস প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন এবং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে যাতে পণ্য রপ্তানিতে সময় ও খরচ কমে। ৫. নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা: রপ্তানিকারকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা, কর অবকাশ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (EPZ) বিশেষ সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখতে হবে। পরিশেষে, উপরোক্ত পদক্ষেপগুলো সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আসবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে রপ্তানি আয়ের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenSylhet Board (2025)

বাংলাদেশে ২০২০-২১ অর্থবছরে কয়েকটি পণ্যের রপ্তানি আয় নিম্নরূপ—

$\begin{array}{|l|c|c|} \hline \textbf{ক্রমিক নং} & \textbf{পণ্যের নাম} & \textbf{পরিমাণ (মিলিয়ন ডলারে)} \\ \hline \text{১} & \text{হিমায়িত খাদ্য} & \text{৪৭৭} \\ \hline \text{২} & \text{কাঁচা পাট} & \text{১৩৮} \\ \hline \text{৩} & \text{চা} & \text{০৪} \\ \hline \text{৪} & \text{কৃষিজাত পণ্য} & \text{৫৩২} \\ \hline \text{৫} & \text{তৈরি পোশাক} & \text{১৪৪৯৭} \\ \hline \text{৬} & \text{চামড়া} & \text{১১৯} \\ \hline \end{array}$

বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য আশানুরূপ নয়। ক. মূলধনী দ্রব্য কাকে বলে? খ. বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যসামগ্রী আমদানি করতে হয় কেন? গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি আয় পৃথকভাবে নিরূপণপূর্বক ব্যাখ্যা কর। ঘ. বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় বলে তুমি মনে কর? আলোচনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

A একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করতে হলে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সাথে সাথে বিভিন্ন দ...

'A' ও 'B' দুটি দেশ। 'A' দেশ তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে দ্রব্য উৎপাদন করে এবং দেশের মধ্যেই ক্রয়-বিক্রয় করে। 'B' দেশ...

‘A’ ও ‘B’ দুটি দেশ। ‘A’ দেশ দীর্ঘদিন ধরে ‘B’ দেশ থেকে সাহায্য গ্রহণ করে আসছে। এখন 'A' দেশের কর্তৃপক্ষ অনুধাবন করতে পারছে...

A ও B দুটি দেশ। A দেশ দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রয়-বিক্রয় করে, অন্যদিকে B দেশ তার উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্...

A দেশ ও B দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যে গত অর্থবছরে A দেশের ১৪৩৯৩ মিলিয়ন ডলার এবং B দেশের ১৩৭৫৭ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আ...

'A' দেশ তার নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়ে দ্রব্য উৎপাদন করে এবং দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রয়-বিক্রয় করে। 'B' দেশ তার উ...

‘A’ দেশ তার সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা নিজ দেশের মধ্যে বিনিময় করে। 'B' দেশ তার উৎপাদিত পণ্য ও সেবা নিজ ...

'A' ব্যক্তি একটি শতরঞ্জি তৈরির কারখানায় কাজ করে। অন্যদিকে, 'B' ব্যক্তি একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করে। 'A' ব্যক্তির...

'A''ও 'B' দুটি দেশ। 'A' দেশ তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে দ্রব্য উৎপাদন করে এবং দেশের মধ্যেই ক্রয়-বিক্রয় করে। 'B' দেশ ত...

Br=(X-M)

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।