Facebook Pixel

বর্তমান বিশ্বের প্রায় সকল দেশ বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। A দেশ আর্থসামাজিক উন্নয়নের কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন, অতীতে গৃহীত পরিকল্পনার মূল্যায়ন ও অনিশ্চয়তা হ্রাসের প্রক্রিয়া নির্ধারণ, বৈদেশিক সাহায্যের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণের জন্য ২০১৫-২০১৭ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। B দেশ সাক্ষরতার হার ১০০ ভাগে উন্নীতকরণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫০০০ মেগাওয়াট নিশ্চিতকরণ, সমাজের আয় বৈষম্য দূরীকরণসহ নানাবিধ লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য ২০১৫-২০১৭ সাল মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ক. বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? খ. অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনার প্রয়োজন- ব্যাখ্যা কর। গ. A দেশের পরিকল্পনাটি কোন ধরনের? তার উদ্দেশ্য বর্ণনা কর। ঘ. A ও B দেশের পরিকল্পনার মৌলিক কোনো পার্থক্য কি?

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-১০ঃ উন্নয়ন পরিকল্পনা

উৎস: Board Exam Question RB 2018

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. সুনির্দিষ্ট কতকগুলো আর্থসামাজিক লক্ষ্য অর্জনে নির্দিষ্ট বর্ষে বাস্তবায়নের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বলা হয়। খ. সুনির্দিষ্ট ও কর্মোপযোগী উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশসমূহের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা যায়। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ, আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন করা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশের সামগ্রিক সমস্যা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। সুতরাং দেখা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রয়োজন। গ. উদ্দীপকের A দেশটির পরিকল্পনা স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে বহুমুখী লক্ষ্য ও কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময়সীমা এক বছর পর্যন্ত হতে পারে। এরূপ স্বল্প সময়সীমার মধ্যে কতকগুলো সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় । অতএব বলা যায়, স্বল্পমেয়াদি কতকগুলো সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। উদ্দেশ্য : স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ নিম্নরূপ : ১. গুরুত্বপূর্ণ আর্থসামাজিক লক্ষ্য ও কর্মসূচির দ্রুত বাস্তবায়ন। ২. মেয়াদভিত্তিক বা নির্দিষ্ট সময়ে বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা। ৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অনিশ্চয়তা হ্রাস। ৪. উন্নয়ন কর্মসূচিসমূহের সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ। ৫. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ ত্বরান্বিত করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ। ৬. পরবর্তী পরিকল্পনার ভিত্তি স্থাপন। ঘ. উদ্দীপকে A দেশের পরিকল্পনা স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা আর B দেশের প্ররিকল্পনা মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা। এ দুই পরিকল্পনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। স্বল্পমেয়াদি কিছু সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে স্বল্পমেয়াদি পারিকল্পনা বলে। এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশের দ্বিবার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলা হয়। সাধারণত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময়সীমা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর হতে পারে। রাষ্ট্রীয় সাময়িক কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি, সামাজিক খাদ্য পরিস্থিতির উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পরিস্থিতির মোকাবিলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার ব্যবহার করা হয় অন্যদিকে, যখন সুনির্দিষ্ট কতকগুলো আর্থসামাজিক লক্ষ্য কয়েক বছর সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়. তখন এ ধরনের পরিকল্পনাকে মধ্যমমেয়াদি পরিকল্পনা বলে অন্যভাবে বলা যায়, এক বছরের বেশি কিন্তু ৫ বছরের কম সময়ের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে মধ্যমমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বলে যেমন- বাংলাদেশে ১৯৭৮ সালে প্রণীত দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা হলো মধ্যমমেয়াদি পরিকল্পনা।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenRajshahi Board (2018)

বর্তমান বিশ্বের প্রায় সকল দেশ বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। A দেশ আর্থসামাজিক উন্নয়নের কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন, অতীতে গৃহীত পরিকল্পনার মূল্যায়ন ও অনিশ্চয়তা হ্রাসের প্রক্রিয়া নির্ধারণ, বৈদেশিক সাহায্যের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণের জন্য ২০১৫-২০১৭ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। B দেশ সাক্ষরতার হার ১০০ ভাগে উন্নীতকরণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫০০০ মেগাওয়াট নিশ্চিতকরণ, সমাজের আয় বৈষম্য দূরীকরণসহ নানাবিধ লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য ২০১৫-২০১৭ সাল মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

ক.

বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? 

খ.

অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনার প্রয়োজন- ব্যাখ্যা কর।

গ.

A দেশের পরিকল্পনাটি কোন ধরনের? তার উদ্দেশ্য বর্ণনা কর।

ঘ.

A ও B দেশের পরিকল্পনার মৌলিক কোনো পার্থক্য কি? 

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

' Bio Technology 'শব্দটি কত সালে প্রথম দ্বিতীয় ব্যবহৃত হয়?

HYV এর পূর্ণরূপ কী?

'A' দেশের সরকার শিক্ষা ও প্রযুক্তি, জননিরাপত্তা, জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ এবং প্রা...

ADP-এর প্রকল্প বাস্তবায়নে কার অনুমোদনের প্রয়োজন হয়?

ADP কী?

ক. কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কী? খ. 'পরিকল্পনা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত A ও B পরিকল...

ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কাকে বলে? খ. ‘সঠিক তথ্য ও উপাত্তের অভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমস্যা হয়’– ব্যাখ...

কত বছর মেয়াদের পরিকল্পনাকে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা বলা হয়?

প্ররোচিত পরিকল্পনা হলো- i. পুঁজিবাদী পরিকল্পনা ii. বিকেন্দ্রীয় পরিকল্পনা iii. নির্দেশভিত্তিক পরিকল্পনা নিচের কোনটি সঠিক...

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) প্রণয়নের সময় কিসের সাথে সম্পর্কিত প্রকল্পসমূহ অগ্রাধিকার দেয়া হয়?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।