ক.
সংবিধানের ৬৪(১)অনুচ্ছেদে এটর্নি জেনারেল এর কথা উল্লেখ আছে।
খ.
দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, ও দুর্নীতি প্রতিরোধে গঠিত একটি কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। এটি ২০০৪ সালের ৯ মে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কার্যকর হয়েছে। একজন চেয়ারম্যান ও দুজন কমিশনার নিয়ে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত। এ সংস্থার লক্ষ্য হচ্ছে দেশে দুর্নীতি ও দুর্নীতিমূলক কাজ প্রতিরোধ করা। যে কোনো ব্যক্তি অথবা সংস্থার বিরুদ্ধে কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে কোনো অভিযোগ সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বিভাগীয় অথবা সেগুনবাগিচা, ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয় প্রেরণ করা যাবে।
গ.
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফারিহার বাবার প্রতিষ্ঠানটি হলো মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে কোটের বিচার বছর বয়স পর্যন্ত ক্ষমতার অপদচ্যুতি: মহাহিসাব নিরীক্ষক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ন্যায়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিবৃন্দ যে। কারণ ও পদ্ধতিতে অপসারিত হবেন, সেই কারণ ও পদ্ধতি ব্যতীত তাকে অপসারণ করা যাবে না। প্রমাণিত অযোগ্যতা ও অসামর্থ্যের কারণে তিনি পদচ্যুত হতে পারেন। রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে তিনি পদত্যাগ করতে পারবেন। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়মূয়েত হতে শূন্যস্থলে অথবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা প্রভৃতি কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে, পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি একজন অস্থায়ী মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিযুক্ত করবেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক জাতীয় অর্থের অভিভাবক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এগুলো নিম্নরূপ:
১। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব এবং সকল আদালত, সরকারি কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীর সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করবেন এবং অনুরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট দিবেন।
২। এ উদ্দেশ্যে তিনি প্রজাতন্ত্রের কার্যে নিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তির নথি, বই, রসিদ, দলিল, নগদ অর্থ, স্ট্যাম্প, জামিন বা সরকারি সম্পত্তি পরীক্ষা করবেন এবং এরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট দান করবেন।
৩। জাতীয় সংসদের আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যেকোনো যৌথ সংস্থার হিসাব তিনি নিরীক্ষা করবেন এবং অনুরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করবেন।
৪। উপরোল্লিখিত কার্যাদি ছাড়া জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা তাঁর ওপর যে সব দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করবে সেসব দায়িত্ব তিনি সম্পাদন করবেন।
৫। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মহাহিসাব নিরীক্ষক অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণাধীন হবেন না। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে যে পদ্ধতি নির্ধারিত হয়, সে পদ্ধতিতে প্রজাতন্ত্রের হিসাব রাখবেন।
৬। ৭। প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত রিপোর্ট "মহাহিসাব নিরীক্ষকের রিপোর্ট" নামে অভিহিত হবে। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তা রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপন করবেন এবং রাষ্ট্রপতি ঐ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করার ব্যবস্থা করবেন।
ঘ.
মহা হিসাব নিরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় অর্থ সংক্রান্ত বিষয়বলি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে:
সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক নিরীক্ষা এবং মান নিরীক্ষা পরিচালনার প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় কার্য সম্পাদন নিরীক্ষা প্রবর্তন করে, যা জনসম্পদের পরিচালনায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা অর্থনীতি, দক্ষতা এবং কার্যকারিতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এ দফতরের প্রতিবেদন অনুসরণ করে।
মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রিক দ্বারা সম্পাদিত একটি আর্থিক নিরীক্ষণ সরকারি ক্ষেত্রের সত্তাগুলির আর্থিক বিবরণী অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে যথাযথভাবে বর্ণিত হয়েছে কিনা তা মূল্যায়নের চেষ্টা করে। ওসিএজি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউশনস (আইএসএসএআই) এর সাথে পুরোপুরি অনুগত হওয়ার সক্ষমতা বিকাশ করছে।
মহা হিসা নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রিক দ্বারা সম্পাদিত একটি কমপ্লায়েন্স অডিট সরকারি সেক্টর সত্তাগুলির ক্রিয়াকলাপগুলি প্রাসঙ্গিক বিদ্যমান আইন, বিধি ও বিধি মেনে চলছে কিনা তা মূল্যায়নের চেষ্টা করে। ওসিএজি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউশনস (আইএসএসএআই) এর সাথে পুরোপুরি অনুগত হওয়ার সক্ষমতা বিকাশ করে।
ব্যবহৃত জনসম্পদের তিনটি ই- অর্থনীতি, কার্যকারিতা এবং দক্ষতা - মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার ক্রমবর্ধমান উপলব্ধির সাথে, ওসিএজি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পারফরম্যান্স অডিটগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ঐতিহ্যবাহী কমপ্লায়েন্স অডিট ছাড়াও পার্লামেন্টের কার্যনির্বাহকের জবাবদিহিতা এবং কার্যকরভাবে করদাতাদের নিশ্চিত করার জন্য ওসিএজি দ্বারা পারফরম্যান্স অডিট চালু করা হয়েছিল।
মহা হিসাব নিরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় অর্থ সংক্রান্ত বিষয়বলি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন উপায় অনুসরণ করে। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং হিসাবরক্ষণ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মহা হিসাব নিরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটির কার্যাদেশে সঠিক ও নিয়মিত হিসাবরক্ষণ এবং অনুযায়ী বিতর্ক নিরসনের জন্য বিভিন্ন অনুমেয় পদক্ষেপ রয়েছে। এই প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে:
*লোকগণ প্রতিষ্ঠানের নয়া হিসাব প্রণালীর অনুমোদন*: নয়া হিসাব প্রণালী অনুসরণ করা হয়েছে বা নতুন আইনের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কার্যক্রমে।
*আনুসন্ধানিক মামলার নিবারণ*: যদি কোনও অনিয়ম বা অব্যবহৃত কার্যকলাপ খুঁজে পাওয়া যায়, তবে সে সাথে সম্পূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য উপায় নেওয়া হয়।
*ব্যবস্থাপনা ও নীতি উপযোগ পর্যালোচনা*: নীতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সুস্পষ্টতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত পর্যালোচনা ও সংশোধন করে।
*অনুসন্ধান এবং বাছাই প্রক্রিয়ার সমর্থন*: ব্যবস্থাপনা প্রণালী ও কর্মীদের নির্দেশিত তথ্য সরবরাহ করে যাতে তারা স্বচ্ছ বিচারে গতিশীল হোক। ইত্যাদি।