Facebook Pixel

সেই অস্ত্র আমাকে ফিরিয়ে দাও যে অস্ত্র ব্যাপ্ত হলে নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে আগুন ঝরবে না। মানববসতির বুকে মুহূর্তের অগ্ন্যুৎপাত লক্ষ লক্ষ মানুষকে করবে না পঙ্গু-বিকৃত; আমাদের চেতনা জুড়ে তারা করবে না আর্তনাদ। সেই অস্ত্র, যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে বারবার বিধ্বস্ত হবে না ট্রয় নগরী। কোন পথে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি সম্ভব? খ. "এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য; তবু শেষ সত্য নয়"-' ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত সেই অস্ত্র 'সুচেতনা' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো। ঘ. "একটি মানবিক সমাজ প্রত্যেক মানবতাবাদী মানুষের একান্ত কাম্য।"- উদ্দীপক ও 'সুচেতনা' কবিতার মূলভাব প্রসঙ্গে উক্তিটি বিশ্লষণ করো।

বিষয়: বাংলা ১ম পত্র | অধ্যায়: কবিতা - সুচেতনা

উৎস: Test Exam Question ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. সুচেতনার পথে আলো জ্বেলে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি সম্ভব। খ. "এই পথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য; তবু শেষ সত্য নয়।"-পঙ্ক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, সভ্যতার অগ্রগতির পাশাপাশি পৃথিবী তার বুকে যুদ্ধ কিংবা রক্তপাত ধারণ করলেও এই ধ্বংসাত্মক দিক পৃথিবীর শেষ সত্য নয়।পৃথিবীর বুকে সভ্যতা যেমন এগিয়েছে, বিকশিত হয়েছে, তার পাশাপাশি বহু যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানি সংঘটিত হয়েছে এবং বর্তমান সময়েও হচ্ছে। এতে বিপন্ন হচ্ছে মানবতা, লোপ পাচ্ছে মানুষের বিবেকবোধ কিংবা চিন্তাচেতনা থেকে উদ্ভূত শুভবোধ। এই ধ্বংসাত্মক বোধ বা দিকটিই একমাত্র সত্য নয়। এর বাইরেও সত্য লুকিয়ে আছে। কবি তাকে সুচেতনা হিসেবে কল্পনা করেছেন। গ. উদ্দীপকের সেই অস্ত্র 'সুচেতনা' কবিতার কবির প্রার্থিত সুচেতনা প্রত্যয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।'সুচেতনা' কবিতায় কবির প্রার্থিত সুচেতনা দূরতর দ্বীপ-সদৃশ ধারণা যা পৃথিবীর নির্জনতায়, যুদ্ধে, রক্তে নিঃশেষিত নয়। চেতনাগত এই সত্তা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে একটি সাম্য সুন্দর পৃথিবী রচনা করবে।উদ্দীপকের কবির 'সেই অস্ত্র' একটি কল্যাণময় অনুষঙ্গ, যা পৃথিবীর সব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বিলীন করে দেবে। কবির প্রার্থিত এই অস্ত্রই পৃথিবী শান্ত ও সুশৃঙ্খল বসবাসযোগ্য করে তুলবে। 'সুচেতনা' কবিতায় কবির প্রার্থিত সুচেতনা একটি ধারণা হলেও এটি পৃথিবীকে সুন্দর ও বসবাসযোগ্য করে তুলবে। তাই কবি এই শুভ চেতনাকে কামনা করেন। এদিক থেকে উদ্দীপকের সেই অস্ত্র 'সুচেতনা' কবিতার কবির প্রার্থিত সুচেতনা প্রত্যয়ের অনুরূপ। ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি ও 'সুচেতনা' কবিতার কবি উভয়েই সাম্য সুন্দর পৃথিবী রচনার মনোভাব ব্যক্ত করায়, “একটি মানবিক সমাজ প্রত্যেক মানবতাবাদী মানুষের একান্ত কাম্য”-মন্তব্যটি যথার্থ।'সুচেতনা' কবিতায় বর্ণিত কবির চেতনাগত সুচেতনা বর্তমান পৃথিবীর গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে একটি সাম্য সুন্দর পৃথিবী রচনা করবে। এভাবে সুচেতনা প্রত্যয়টি মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে।উদ্দীপকের কবির প্রার্থিত 'সেই অস্ত্র' কোনো ধ্বংসাত্মক অস্ত্র নয়। এটি এক কল্যাণময়ী অনুষঙ্গ যা যুদ্ধ, বিভেদের সীমারেখা ঘুচিয়ে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলবে। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবি প্রার্থিত সুচেতনা পৃথিবীর সকল ব্যাধিকে অতিক্রম করে পৃথিবীর অগ্রযাত্রাকে তির্যক করবে।উদ্দীপকের কবি ও 'সুচেতনা' কবিতার কবি উভয়েই যুদ্ধ, বিভেদ, বিদ্বেষের রেখা মুছে দিতে চেয়েছেন। উদ্দীপকের কবি 'সেই অস্ত্র' প্রত্যয়ের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা যুক্ত করেছেন। 'সুচেতনা' কবিতায়ও কবি শুভ চেতনার উদ্রেক ঘটাতে চেয়েছেন, যা যুদ্ধ-বিদ্বেষ হানাহানি মুছে দিয়ে সাম্য, সুন্দর ও কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করবে। তাই উপর্যুক্ত আলোচার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, “একটি মানবিক সমাজ প্রত্যেক মানবতাবাদী মানুষের একান্ত কাম্য।"- মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর (2026)

সেই অস্ত্র আমাকে ফিরিয়ে দাও
যে অস্ত্র ব্যাপ্ত হলে নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে আগুন ঝরবে না।
মানববসতির বুকে মুহূর্তের অগ্ন্যুৎপাত

লক্ষ লক্ষ মানুষকে করবে না পঙ্গু-বিকৃত;

আমাদের চেতনা জুড়ে তারা করবে না আর্তনাদ।
সেই অস্ত্র, যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে

বারবার বিধ্বস্ত হবে না ট্রয় নগরী।

কোন পথে পৃথিবীর ক্রমমুক্তি সম্ভব?

খ. "এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা সত্য; তবু শেষ সত্য নয়"-' ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত সেই অস্ত্র 'সুচেতনা' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।

ঘ. "একটি মানবিক সমাজ প্রত্যেক মানবতাবাদী মানুষের একান্ত কাম্য।"- উদ্দীপক ও 'সুচেতনা' কবিতার মূলভাব প্রসঙ্গে উক্তিটি বিশ্লষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

বারুদের গন্ধে জীবনের স্বাদ নেই অস্ত্রের গর্জনে বাকরুদ্ধ মানবতা। অস্ত্র কখনো আনতে পারে না বৃক্ষের সজীবতা প্রতিটি বিপ্লব র...

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লার একটি গ্রামে একজন নারী যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেডের খোলস ব্যবহার করে তা দিয়ে ফুল চাষ করে স...

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চেখে দেখে তারা যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই, প্রীতি নেই, করু...

কবি জীবনানন্দ দাশের বিশ্বাসমতে সুচেতনা হলো-

'মানুষ তবু ঋণী পৃথিবীরই কাছে' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে-

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও। তবে পাল খোলো, তবে নোঙর তোলো; এবার অনেক পথ শেষে সন্ধানী হেরার তোরণ মিলবে সম্মুখে ...

'হেরার তোরণ মিলবে সম্মুখে জানি'- উক্তির সাথে 'সুচেতনা' কবিতার কোন চরণের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়?

জীবনানন্দ দাশের জন্মতারিখ কোনটি?

কবি জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম কী?

কবি কুসুমকুমারী দাশ ও কবি জীবনানন্দ দাশের সম্পর্ক কী?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।