Facebook Pixel

"তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার 'উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।" ক. 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? খ. "তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? গ. উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর। ঘ. "তারুণ্যই সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি।"- উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: বাংলা ১ম পত্র | অধ্যায়: কবিতা - আঠারো বছর বয়স

উৎস: Board Exam Question DB 2024

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। খ. "তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।"- চরণটিতে বোঝানো হয়েছে যে, পৃথিবীব্যাপী অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বৈষম্য, ভেদাভেদ দেখে তরুণরা যন্ত্রণায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের সঞ্জীবনীশক্তিতে তরুণরা যৌবনপ্রাপ্ত হয়। এ বয়সে যৌবনের জোয়ারে উজ্জীবিত হয়ে তরুণরা অসীম শক্তি লাভ করে। মন থেকে ভয়-শঙ্কা দূর করে অফুরন্ত সাহসে অগ্রসর হয়। অজানাকে জানা ও অচেনাকে চেনার অদম্য আকাঙ্ক্ষা এই, বয়সেই প্রকাশিত হয়। তাই যখন চারপাশে অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, শোষণ, সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ প্রত্যক্ষ করে তখন প্রাণবন্ত তাজা তরুণরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করে। গ. উদ্দীপকের ভাবার্থের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার তারুণ্যের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে।তরুণরা নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখে। আর সেই স্বপ্ন পূরণে তারুণ্যশক্তি কোনো বাধা মানে না। তরুণরা দেহ ও মনের স্থবিরতা, জরাজীর্ণতা অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলে।উদ্দীপকে তারুণ্যশক্তির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। এখানে তারুণ্যশক্তির জয়মুকুটের কথা বলা হয়েছে। যার শক্তি অপরিমেয়, গতিবেগ ঝঞ্ঝার মতো, যার তেজ মেঘহীন আষাঢ়ের সূর্যের মতো, যার আশা বিপুল, যার উৎসাহ ক্লান্তিহীন, অটল যার সাধনা, মৃত্যু যার হাতের মুঠোয় সেই মূলত তারুণ্যশক্তির অধিকারী। তারুণ্যের এই ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার তারুণ্যশক্তির বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে। এ বয়স চারপাশের অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ-পীড়ন, সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এই বয়স উত্তেজনায় প্রবল, সাধনায় অটল, অবিরাম গতিতে জীবনসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা মৃত্যুকে তুচ্ছ মনে করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। এভাবে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের ভাবার্থ সাদৃশ্যপূর্ণ। ঘ. "তারুণ্যই সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি।" উদ্দীপক ও - 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ।তরুণরাই যেকোনো দেশের মানবকল্যাণ ও সমাজ বিনির্মাণের অগ্রদূত। তারুণ্যের ধর্মই হলো ত্যাগ ও সেবা। তরুণরাই অন্যের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার মতো ঝুঁকি নিতে পারে। আর তাই তারুণ্যকেই সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি বা প্রধান কারিগর বলা হয়ে থাকে।উদ্দীপকের বর্ণনায় তারুণ্যশক্তির ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলোকে উপস্থাপন করা হয়েছে। যারা অপরিমেয় শক্তির অধিকারী, যাদের গতিবেগ ঝাঞ্ঝার মতো, যাদের প্রখর সূর্যের মতো তেজ, বিপুল যাদের আশা, ক্লান্তিহীন যাদের উৎসাহ, যাদের সাধনা অটল, যারা মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় ধরে রাখে তাদেরকেই মূলত তরুণ বলা হয়। এই দিকগুলো তারুণ্যের ইতিবাচক দিক। এই তারুণ্যশক্তির নানা দিক 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরেছেন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের তরুণদের জয়গান গেয়েছেন। এছাড়াও তারা ভঙ্গুর সমাজ বাস্তবতায় চারপাশের অন্যায়-অত্যাচার, শোষণ-পীড়ন, সামাজিক বৈষম্য ও কুসংস্কার দেখে ক্ষুব্ধ হয়। অসীম সাহসের সঙ্গে সব বাধা উপেক্ষা করে তারুণ্যেরই জয়গান গলা ছেড়ে গায়। সামাজিক সংস্কারমূলক ও সেবাধর্মী কাজে তরুণদের ভূমিকা অপরিসীম। এজন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন নানা সমস্যাপীড়িত এ দেশে তারুণ্য ও যৌবনশক্তি যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে প্রমাণিত হয় যে, তারুণ্যই সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenDhaka Board (2024)

"তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার 'উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।"

ক. 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

খ. "তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 

গ. উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।

ঘ. "তারুণ্যই সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি।"- উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: "এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময...

উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: "এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময...

এ দেশের বুকে কেন আঠারোকে নেমে আসতে বলা হয়েছে?

"আঠারো বছর বয়সের ধর্ম মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া।"-এ মহান মন্ত্রের বাহন কোনটি?

“ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?— প্রলয় নূতন সৃজন বেদন! আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন! তাই সে এমন কেশে বেশে প্রলয় বয়...

“আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়াক।” – এই প্রত্যাশার প্রতিফলন ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কোন চরণটিতে ঘটেছে?

উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও: ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন। আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।...

উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নটির উত্তর দাও: ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন। আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।...

'আমরা চলি সম্মুখপানে কে আমাদের বাঁধবে? রইল যারা পিছুর টানে কাঁদবে তারা কাঁদবে। ছিঁড়ব বাধা রক্ত-পায়ে, চলব ছুটে রৌদ্রে-ছায়...

“এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয়”— পঙ্ক্তিতে কত বছর বয়সের কথা বলা হয়েছে?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।