Facebook Pixel

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে কৃষির উপখাতগুলো হলো শস্য ও শাকসবজি, পশুসম্পদ, বনজসম্পদ ও মৎস্য সম্পদের অবদানের হার (%) যথাক্রমে ১২.০, ২.৫, ২.০ এবং ৪.৫। ক. জৈব প্রযুক্তি কী? খ. কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি কেন? গ. ২০১৯-২০২০ অর্থবছর জিডিপিতে কৃষির উপখাতসমূহের অবদান লেখচিত্রের মাধ্যমে দেখাও। ঘ. উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষির উপখাতগুলোর অবদানের গতিধারা এবং অর্থনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ বাংলাদেশের কৃষি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. যে প্রযুক্তির সাহায্যে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের উদ্ভাবন বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা যায়, তাকে বায়োটেকনোলজি বা জৈব প্রযুক্তি বলে। খ. বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশে কৃষি উপকরণ যথেষ্ট সহজলভ্য। কৃষিভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সহজ ও সস্তায় কাঁচামাল পাওয়া যায়। ফলে উৎপাদন খরচ কম হয়। এজন্য উৎপাদিত পণ্যের মূল্য কম হয়। এসব কারণে কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনকে অগ্রধিকার দেওয়া জরুরি। গ. উদ্দীপক অনুসারে বাংলাদেশের ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদনে (এউচ) কৃষির বিভিন্ন উপখাতের অবদান নিচের লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো। চিত্রে ভূমি অক্ষে (X-অক্ষ) কৃষির বিভিন্ন উপখাত যেমন শস্য ও শাকসবজি, পশুসম্পদ, বনজসম্পদ ও মৎস্যসম্পদ দেখানো হয়েছে। লম্ব অক্ষে (Y-অক্ষ) দেখানো হয়েছে GDP-তে তাদের অবদান শতকরা হারে (%)। উদ্দীপক থেকে পাওয়া তথ্য চিত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়- শস্য ও শাকসবজি খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (১২.০%), যা কৃষিতে প্রধান অবদান রাখে। মৎস্যসম্পদের অবদান (৪.৫%), যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পশুসম্পদ খাতের অবদান (২.৫%), যা প্রাণিজ পণ্য সরবরাহ করে। সবচেয়ে কম অবদান রয়েছে বনজসম্পদ খাতে (২.০%), যা কাঠ ও বনজ পণ্য উৎপাদন করে। সুতরাং, কৃষির বিভিন্ন উপখাতের অবদানের মধ্যে শস্য ও শাকসবজি খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলেও অন্যান্য উপখাতগুলোর উন্নয়ন অর্থনীতিতে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘ. উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষির উপখাতগুলোর অবদানের গতিধারা এবং অর্থনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- শস্য ও শাকসবজি খাতের অবদান সর্বোচ্চ, যা দেশের প্রধান খাদ্য উৎপাদন খাত হিসেবে ভূমিকা রাখছে। মৎস্যসম্পদের অবদান উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাহায্য করছে। পশুসম্পদ খাতের অবদান তুলনামূলক কম, যা উন্নত প্রাণিজ পণ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। বনজসম্পদের অবদান সবচেয়ে কম। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির উপখাতগুলো অবদান অপরিসীম। যেমন- (ক) খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা: শস্য ও শাকসবজি উৎপাদন বেশি থাকায় খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত হয়, যা জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখে। (খ) কর্মসংস্থান সৃষ্টি: কৃষির উপখাতগুলো বিশেষ করে শস্য ও শাকসবজি ও মৎস্য খাত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রধান কর্মসংস্থানের উৎস। (গ) রপ্তানি আয়ে অবদান: মৎস্যসম্পদ ও পশুসম্পদ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। (ঘ) শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ: কৃষিখাত থেকে উৎপাদিত কাঁচামাল যেমন শস্য, পশুসম্পদ ও বনজসম্পদ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা শিল্পোন্নয়নে সহায়ক। সুতরাং, কৃষির প্রতিটি উপখাতের সমন্বিত উন্নয়ন অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে কৃষির উপখাতগুলো হলো শস্য ও শাকসবজি, পশুসম্পদ, বনজসম্পদ ও মৎস্য সম্পদের অবদানের হার (%) যথাক্রমে ১২.০, ২.৫, ২.০ এবং ৪.৫।

ক.

জৈব প্রযুক্তি কী?

খ.

কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি কেন?

গ.

২০১৯-২০২০ অর্থবছর জিডিপিতে কৃষির উপখাতসমূহের অবদান লেখচিত্রের মাধ্যমে দেখাও।

ঘ.

উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষির উপখাতগুলোর অবদানের গতিধারা এবং অর্থনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।