Facebook Pixel

সিলেটের ব্যবসায়ী জনাব আলফাজ ঢাকার নিউ মার্কেটের পাওনাদার জনাব ফরিদকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার একটি চেক দেন। জনাব ফরিদ তার নামে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে ইস্যুকৃত চেকটি ২০ আগস্ট ২০২৩ সালে ব্যাংকে তার হিসাবে জমা দিতে গেলে ব্যাংক টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। ক. দাগকাটা চেক কী? খ. চেকের আদেষ্টা কে? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত চেকটির টাকা দিতে ব্যাংকের অপারগতার কারণ ব্যাখ্যা কর। ঘ. জনাব ফরিদের পক্ষে তার প্রাপ্য টাকা আদায় করা সম্ভব কি না? তোমার মতামত দাও।

বিষয়: ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৬ঃ চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ ও প্রমিসরি নোট

উৎস: Test Exam Question JCPSC 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) বাহক বা হুকুম চেকের উপরিভাগে বামকোণে দুটি সমান্তরাল রেখা এঁকে যে চেক প্রস্তুত করা হয় তাকে দাগকাটা চেক বলে। (খ) যে ব্যক্তি চেক প্রস্তুত করেন এবং চেকে স্বাক্ষর প্রদান করেন তাকে চেকের আদেষ্টা বলে। আমানতকারীই সাধারণত চেকের আদেষ্টা হয়ে থাকেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে আমানতকারীর নিকট থেকে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অনুমোদিত কোনো ব্যক্তিও চেকের আদেষ্টা হতে পারেন। আদেষ্টাকে চেকের প্রথম পক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত চেকটি বাসি চেকে পরিণত হওয়ায় ব্যাংক জনাব ফরিদকে টাকা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেছে। চেকে উল্লিখিত তারিখ হতে আইনানুগ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চেকের অর্থ উত্তোলন করা না হলে তাকে বাসি চেক বলে। সাধারণত চেক প্রস্তুতের তারিখ হতে ৬ মাস বা ১৮০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে উক্ত চেক বাসি চেক হিসেবে গণ্য হয় এবং ব্যাংক এক্ষেত্রে অর্থ পরিশোধ করে না। উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আলফাজ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে চেকটি ইস্যু করেন। জনাব ফরিদ ২০ আগস্ট ২০২৩ সালে এটি ব্যাংকে জমা দেন। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সময় ৬ মাসের বেশি অতিক্রান্ত হয়েছে। ফলে চেকটি আইনগতভাবে বাসি চেকে পরিণত হয়েছে। এই কারণেই ব্যাংক জনাব ফরিদকে টাকা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেছে। (ঘ) জনাব ফরিদের পক্ষে তার প্রাপ্য টাকা আদায় করা সম্ভব হবে। চেক এক প্রকার হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। এই দলিলের হস্তান্তরকারী হস্তান্তরগ্রহীতার নিকট দায়বদ্ধ থাকেন এবং এটি ঋণের প্রমাণ হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য। উদ্দীপকে জনাব আলফাজ কর্তৃক প্রদত্ত চেকটি বাসি হয়ে যাওয়ায় জনাব ফরিদ ব্যাংক থেকে টাকা পাননি, তবে এর অর্থ এই নয় যে তার পাওনা বিলুপ্ত হয়েছে। উভয়ের মধ্যে দেনা-পাওনার নিষ্পত্তি ঘটেনি। জনাব ফরিদ তার প্রাপ্য টাকা আদায়ের জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেন: ১. তিনি জনাব আলফাজকে অবগত করে তার কাছ থেকে পাওনা টাকা সরাসরি আদায় করে চেকটি ফেরত দিতে পারেন। ২. তিনি জনাব আলফাজের অনুরোধে চেকের তারিখ পরিবর্তন করিয়ে নিয়ে পুনরায় ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারেন। ৩. যদি জনাব আলফাজ টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানান, তবে জনাব ফরিদ উক্ত বাসি চেকটিকে ঋণের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় তার পাওনা টাকা আদায় করতে পারবেন। সুতরাং, জনাব ফরিদের পক্ষে তার প্রাপ্য টাকা আদায় করা সম্ভব হবে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Jalalabad Cantonment Public School And College, Sylhet (2026)

সিলেটের ব্যবসায়ী জনাব আলফাজ ঢাকার নিউ মার্কেটের পাওনাদার জনাব ফরিদকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার একটি চেক দেন। জনাব ফরিদ তার নামে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে ইস্যুকৃত চেকটি ২০ আগস্ট ২০২৩ সালে ব্যাংকে তার হিসাবে জমা দিতে গেলে ব্যাংক টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

ক. দাগকাটা চেক কী? খ. চেকের আদেষ্টা কে? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত চেকটির টাকা দিতে ব্যাংকের অপারগতার কারণ ব্যাখ্যা কর। ঘ. জনাব ফরিদের পক্ষে তার প্রাপ্য টাকা আদায় করা সম্ভব কি না? তোমার মতামত দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।