Facebook Pixel

সাদ তার পিতা জনাব সবুজকে জিজ্ঞাসা করে, আমরা কেন যা খুশি তা করতে পারি না? উত্তরে তার পিতা জনাব সবুজ বলেন, সমাজ বা রাষ্ট্রে আমরা অনেক কাজ করতে পারি না এজন্য যে, কাজগুলো করলে আমাদের শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ যেসব কাজ করলে অন্যের ক্ষতি হবে সেসব কাজ আমরা করতে পারি না। কারণ, বিবেকের দংশনই নৈতিকতার বড় রক্ষাকবচ। ক. অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস কয়টি? খ. আইন প্রণয়ন করা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে যে ধারণার কথা বলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো । ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় দুটির সম্পর্ক মূল্যায়ন করো।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য

উৎস: Board Exam Question RB 2021

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস ৬টি। (খ) মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সুসংহত করার জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। মানুষ সামাজিক জীব হওয়ায় তাকে সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি অনুগত থাকতে হয়। রাষ্ট্রীয় জীবনের শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন হয়, আর এই নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার জন্যই আইন প্রণয়ন করা হয়। (গ) উদ্দীপকে আইন এবং নৈতিকতা এই দুটি ধারণার কথা বলা হয়েছে। আইন: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, "সমাজ বা রাষ্ট্রে আমরা অনেক কাজ করতে পারি না এজন্য যে, কাজগুলো করলে আমাদের শাস্তি পেতে হবে।" এখানে শাস্তির ভয় এবং আচরণ নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে, যা আইনের মূল বৈশিষ্ট্য। আইন হলো রাষ্ট্রের দ্বারা স্বীকৃত ও বলবৎকৃত কিছু নিয়মের সমষ্টি, যা অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে। নৈতিকতা: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, "বিবেকের দংশনই নৈতিকতার বড় রক্ষাকবচ।" এখানে মানুষের অভ্যন্তরীণ বিবেক এবং সঠিক-ভুলের বোধের কথা বলা হয়েছে, যা নৈতিকতার মূল ভিত্তি। নৈতিকতা হলো মানুষের আচরণের সেই মানদণ্ড যা তাকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য করতে শেখায় এবং বিবেক দ্বারা পরিচালিত করে। (ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় দুটি হলো আইন ও নৈতিকতা। এদের মধ্যে গভীর ও পরিপূরক সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রাষ্ট্র কর্তৃক তা বাধ্যতামূলক করা হয়। অন্যদিকে, নৈতিকতা মানুষের অভ্যন্তরীণ মানসিক দিক ও বিবেককে নিয়ন্ত্রণ করে। উভয়ের উৎস প্রায় একই। প্রথা, ধর্ম, ন্যায়বোধ এবং সামাজিক মূল্যবোধ থেকে আইন ও নৈতিকতা উভয়ই জন্ম নেয়। আইন ও নৈতিকতা একে অপরের পরিপূরক। নৈতিকতা আইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে; যে আইন নৈতিকতার সাথে সংগতিপূর্ণ, তা নাগরিকের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়। আবার আইন অনেক সময় সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার দূর করে নৈতিকতার মানদণ্ডকে উন্নত করে। সামঞ্জস্যপূর্ণ আইন ও নৈতিকতা সমাজজীবনে শান্তি ও উৎকর্ষতা আনে। নৈতিকতাহীন আইন স্বৈরাচারী হতে পারে, আবার আইনহীন নৈতিকতা অনেক সময় অকার্যকর হয়। পরিশেষে বলা যায়, আইন ও নৈতিকতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenRajshahi Board (2021)

সাদ তার পিতা জনাব সবুজকে জিজ্ঞাসা করে, আমরা কেন যা খুশি তা করতে পারি না? উত্তরে তার পিতা জনাব সবুজ বলেন, সমাজ বা রাষ্ট্রে আমরা অনেক কাজ করতে পারি না এজন্য যে, কাজগুলো করলে আমাদের শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ যেসব কাজ করলে অন্যের ক্ষতি হবে সেসব কাজ আমরা করতে পারি না। কারণ, বিবেকের দংশনই নৈতিকতার বড় রক্ষাকবচ।

ক. অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস কয়টি?

খ. আইন প্রণয়ন করা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকে যে ধারণার কথা বলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো ।

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় দুটির সম্পর্ক মূল্যায়ন করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।