Facebook Pixel

স্বাচ্ছতা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, অংশগ্রহণমূলক। ক. সুশাসনের সংজ্ঞা দাও। খ. পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকের বিষয় সমূহ কোন শাসনের সাথে জড়িত? উদ্দীপকে বর্ণিত বৈশিষ্ট্য ছাড়া এটির অন্যান্য বৈশিষ্ট্য গুলো ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে যে বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে তা প্রতিষ্ঠার সমস্যা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আলোচনা কর।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ সুশাসন

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. যে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বৈধ গণতান্ত্রিক আইনের শাসন ব্যবস্থায় সততা ও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণের সার্বিক কল্যাণ, বিশেষত মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হয় তাকে সুশাসন বলে। খ. নাগরিক ও নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সকল বিষয়ে আলোচনা করে বলে পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। হয় তাকে সুশাসন বলে। পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যাবলিই পৌরনীতি ও সুশাসনের মুখ্য আলোচ্য বিষয়। পৌরনীতি ও সুশাসনের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, নাগরিকের জীবন ও কার্যাবলি যতদূর বিস্তৃত, অর্থাৎ যা কিছু নাগরিক জীবনকে স্পর্শ করে, পৌরনীতির বিষয়বস্তু ও পরিধি ততদূর প্রসারিত। নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকার কার্যাবলি নিয়ে পৌরনীতি অনুশীলন চালায়। নাগরিকের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। গ. উদ্দীপকের বিষয় সমূহ সুশাসনের সাথে জড়িত উদ্দীপকের বর্ণিত বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো স্বচ্ছতা আইনের শাসন জবাবদিহিতা দক্ষতা দায়িত্বশীলতা এবং অংশগ্রহণমূলক। যে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বৈধ গণতান্ত্রিক আইনের শাসন ব্যবস্থায় সততা ও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণের সার্বিক কল্যাণ, বিশেষত মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হয় তাকে সুশাসন বলে। ১.অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া :অংশগ্রহণ বলতে রাষ্ট্র শাসন ব্যবস্থা নিতে নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের জনগণের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন কে বোঝায়। ২.স্বচ্ছতা :স্বচ্ছতার অর্থ পরিষ্কার স্পষ্ট দ্বৈত অর্থ বোদ্ধতার অনুপস্থিতি হলো সস্তা ৩.দায়িত্বশীলতা :সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো দায়িত্বশীল ওদের অর্থ হলো সরকার ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কর্মকান্ডের দায়িত্বশীলতা। ৪.আইনের শাসন :সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন আইনের শাসন বিদ্যমান থাকে আইনের শাসনের মূল কথাই হলো আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান। ৫.জবাবদিহিতা: সরকারের সকল কর্মকান্ড আবার তথ্য প্রবাহের মাধ্যমে জনগণকে জানানো জবাবদিহিতা। ৬.দক্ষতা কোন কাজ শুনে কোনভাবে সম্পন্ন করার ক্ষমতাকে দক্ষতা বলে। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসমুহ : ১.স্বাধীন বিচার বিভাগ :: বিচারকগণ যদি সৎ, দক্ষ, নিরপেক্ষ ও উচ্চ নৈতিক গুণাবলির অধিকারী হন; ভয়ভীতি বা প্রলোভনের কাছে নিতি স্বীকার না করেন সুতায়ণে ন্যায়বিচারা প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগ অইবেবির অধিকারী হন; ভয়ভীতি বা প্রলোভনের কাছে পালন করতে পারে। সুতরাং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বলা চলে। ২.সততা: সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই সৎ হন এটাই কাম্য। আইন এবং নৈতিকতা যথাযথ ভাবে মেনে কাজ করাই হল সততা। ৩. লিঙ্গ বৈষম্যের অনুপস্থিতি : সুপ্রশাসনে লিঙ্গ বৈষম্য করা হয় না। মারী-পুরুষ নির্বিশেষে যোগ্য ব্যক্তিই প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ পান এবং সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতার জন্য পুরস্কৃত হন বা পদোন্নতি পান। ৪.বিকেন্দ্রীকরণ): সুপ্রশাসন প্রতিষ্ঠায় বিকেন্দ্রীকরণের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কেন্দ্রীকরণ হচ্ছে ক্ষমতার বণ্টন ও বিভক্তিকরণের নীতি। এর অর্থ হলো ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বকে প্রশাসনের উচ্চ স্তর থেকে নিম্ন স্তরে ছড়িয়ে দেয়া। বিকেন্দ্রীকরণের ফলে জনগণের অংশগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি হলেও পায়, প্রশাসনের মূল্যবান সময় বেঁচে যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ৫.শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা: শক্তিশালী, মর্যাদাসম্পন্ন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ আদি ভূমিকা পালন করে। স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে স্থানীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও উন্নয়ন করা যায়। এর ফলে প্রশাসনে কিং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় এবং দক্ষ নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে। ৬.সুশীল সমাজ : সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সুশীল সমাজের ভূমিকাকে বর্তমানে খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। সুশীল সমাজ নিরপেক্ষ ও নিরাসক্ত দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যা চিহ্নিত করা এবং তার সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন। সুশীল সমাজের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিগণ প্রেস, রেডিও, টিভি মাধ্যম, বিভিন্ন সামাজিক, আর্থিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে বা মুখপাত্র হিসেবে যে বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন তা' সুষ্ঠু জনমত সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৭.জন গ্রহণযোগ্যতা : সুপ্রশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন তা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষম হয় বা সচেষ্ট হয়। জনগণের জন্য গ্রহণযোগ্য নয় এমন কোনো শাসনকে তাই সুশাসন বলা যায় না। ৮.পেশাদারিত্ব :সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরপেশাদারী দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য তাদের প্রচুর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পেলেন প্রশাসনের দক্ষতাবৃদ্ধি পায়। ৯. মর্যাদা ও বিশ্বাস অর্জন: প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজকর্ম, দক্ষতা ও যোগ্যতা দ্বারা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং জনগণের নিকট নিজেদেরকে মর্যাদাসম্পন্ন ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। ১ ০ . প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা : প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে সুষ্ঠু জনমত গড়ে ওঠে না। ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে সফল করতে হলে, সুশাসনের পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে তাই প্রচার মাধ্যম হবে স্বাধীন ও এর সরকারের অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত। ১১.মুক্ত এবং বহুত্বভিত্তিক সমাজ : সমাজের গঠন কাঠামো যদি স্বাধীন ও মুক্ত হয় এবং এর প্রকৃতি যদি বহুত্বভিত্তিক হয় তাহলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়। কৃত্রিমভাবে সমাজ নির্মাণ বা সমাজ ন কাঠামোতে কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়া সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করে। ঘ. বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি অনুন্নত দেশ। আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক প্রতিটি তুলনা পিছিয়ে। জনসংখ্যাধিক্য, অশিক্ষা ও দারিদ্র্যের সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশের যে কোনো সরকারের পক্ষেই সার্বিক সাফল্য অর্জন করা অসম্ভব ব্যাপার। সরকার গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ, সরকার গঠনের বৈধতা, সরকারের সমর্থনের বৈধতা, আইনের শাসন, সাংবিধানিকতা, শাসক ও শাসিতের সম্পর্ক, সরকার বদল ও বিরোধী দলের সম্পর্ক ইত্যাদি | বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের সমস্যা: নিম্নে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। বিচারবিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্রের সুপরিচালনা কার্য নির্ভর করে। সুশাসনের সমস্যাগুলো আলোচনা করা হলো: ১. সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ: বাংলাদেশে সরকারের কর্মকাণ্ডের কোনো প্রকার আলোচনা বা সমালোচনা তা গঠনমূলক হোক বা না হোক তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। জনগণ বা প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। কিন্তু সীমানা অতিক্রম করা 'Governance' এর ধারণাকে সংকুচিত করে। সাধারণত গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করে না। সরকারের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ সুশাসনকে বিঘ্নিত করে। ২. বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: অধিকাংশ রাষ্ট্রেই, বিশেষ করে অনুন্নত, উন্নয়নশীল ও সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোতে তত্ত্বগতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও দেখা যায় যে, জনগণের বাক স্বাধীনতায় ক্ষমতাসীন সরকার হস্তক্ষেপ করে থাকে। জনগণ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে না। সংবাদপত্র তথা মিডিয়ার ওপর সরকার সেন্সরশীপ আরোপ করে। সরকার সব সময় মুক্ত আলোচনাকে ভয় পায় এবং বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। এর ফলে জনগণ রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা বুঝতে পারে না। এর ফলে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়। ৩. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব এবং সহিংসতা: সদ্য স্বাধীন, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব লক্ষ করা যায়। নির্বাচিত সরকার নির্ধারিত মেয়াদ শেষের আগেই বিরোধী দলগুলো সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করে। এসব আন্দোলন হয়ে ওঠে সহিংস। অকারণে 'হরতাল' বা 'বন্ধ' ঘোষণা এবং পিকেটিং, জ্বালাও-পোড়াও করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়। ফলে সময়ের আগেই সরকারের পতন ঘটে কিংবা সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। এর ফলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়। প্রশাসন ভেঙে পড়ে বা স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে সুশাসন ব্যাহত হয় স্বচ্ছতা। ৪. সরকারের জবাবদিহিতার অভাব: অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহে এমনকি কোনো কোনো উন্নত রাষ্ট্রে জবাবদিহিতার অভাব লক্ষ করা যায়। লক্ষ করা যায় যে, সরকারের শাসনবিভাগ - তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করে না। মন্ত্রী ও আইন সভার সদস্যগণ একই দলের হওয়ায় এবং দলীয় শৃঙ্খলার কারণে জবাবদিহিতার বিষয়টি গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। এর ফলে সুশাসন বিঘ্নিত হয়। ৫.. আমলাদের জবাবদিহিতার অভাব : সাধারণত আমলারা নিজেদেরকে জনগণের সেবক না ভেবে প্রভু ভাবেন। তারা নিজেদেরকে অভিজাত শ্রেণি বলে মনে করেন। তাদের মধ্যে জবাবদিহিতার মানসিকতা গড়ে না ওঠায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা সুদূর পরাহত হয়ে ওঠে। এজন্যই রিচার্ড ক্রসম্যান বলেছেন। যে, "অনিয়ন্ত্রিত আমলাতন্ত্র গণতন্ত্রের জন্য হুমকীস্বরূপ” ৬. আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা : আমলাতন্ত্রে পূর্বের মতো দক্ষ, নিরপেক্ষ ও মেধাবী মুখ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার প্রাধান্য, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব, আমলাদের কাজে অবাঞ্ছিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, রাজনীতিকরণ ইত্যাদি কারণে আমলারা ক্রমশ অযোগ্য ও অদক্ষ হয়ে পড়ছে। ফলে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ৭. আইনের শাসনের অভাব ): অধ্যাপক ডাইসি-এর মতে, আইনের শাসনের ালিক তিনটি শর্ত রয়েছে। এগুলো হলো ক. আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান, খ. আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান সু কা, গ. শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা। এই শর্ত তিনটি মেনে চললেই তবে বলা যাবে আইনের শাসন কার্যকর রয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে ন্যায়পরায়ণ আচরণ, নিপীড়ন মুক্ত স্বাধীন কি বেশ ও নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকতে হয়। ৮.স্বজনপ্রীতি : বিশ্বের অনেক দেশেই স্বজনপ্রীতির ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যায়। নিয়োগ, বদলি, পদায়ন, সুযোগ-সুবিধা বণ্টন, সম্মান-পদবি-খেতাব প্রদান প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন সরকার বা গোষ্ঠী স্বজনপ্রীতির আশ্রয় সেনের গ্রহণ করে। ফলে যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী ব্যক্তিদের সেবা ও সহযোগিতা থেকে রাষ্ট্র তথা প্রশাসক বঞ্চিত হয়। এর ফলে দ্যমান সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ৯.বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাক: স্বাধীন বিচার শধীন বিভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সহায়ক। স্বাধীন বিচার বিভাগ না থাকায় বা বিচার বিভাগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি পেলে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সুযোগ বিনষ্ট হয়। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার শেষ সুযোগটুকুও হাতছাড়া হয়। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে,বাংলাদেশের মতো সমস্যাসংকুল, অশিক্ষার অভিশাপে অভিশপ্ত, দারিদ্র্যপীড়িত বিপুল জনগোষ্ঠীকে সুপরিচালনার আওতায় আনতে হলে জনগোষ্ঠীকে বিবেকবান, দায়িত্বশীল, সুশিক্ষিত ও সচেতন করে গড়ে তোলার প্রয়োজন। এ বিপুল বিশৃঙ্খল জনগোষ্ঠীকে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা যে কোনো সরকারের পক্ষেই অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। জনগণ ও সরকার পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালনে সক্ষম হন।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

স্বাচ্ছতা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, দক্ষতা,  দায়িত্বশীলতা, অংশগ্রহণমূলক।

ক.

সুশাসনের সংজ্ঞা দাও।

খ.

পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন?

গ.

উদ্দীপকের বিষয় সমূহ কোন শাসনের সাথে জড়িত?  উদ্দীপকে বর্ণিত বৈশিষ্ট্য ছাড়া এটির অন্যান্য বৈশিষ্ট্য গুলো ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

উদ্দীপকে যে বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে তা প্রতিষ্ঠার সমস্যা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আলোচনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।