Facebook Pixel

শ্রেণিশিক্ষক বোর্ডে শিম বীজের ন্যায় একটি চিত্র অঙ্কন করে বললেন যে, অঙ্গটির উল্লেখযোগ্য দু'টি কাজ হলো : => মানবদেহের মূত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখে। => মানবদেহের পানিসাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। ক. উপযোজন কী? খ. পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার প্লান্ড বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকের অঙ্গটির চিত্রসহ অন্তর্গঠন বর্ণনা কর। ঘ. উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট অঙ্গটি কিভাবে দ্বিতীয় কাজটি সম্পন্ন করে তা বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৬ঃ মানব শারীরতত্ত্বঃ বর্জ্য ও নিষ্কাশন

উৎস: Board Exam Question CB 2017

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর চোখের লেন্সের বক্রতা পরিবর্তনের মাধ্যমে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য যে বিশেষ পরিবর্তন ঘটে, তাকে উপযোজন বলে। (খ) পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিচে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি। এটি থেকে নিঃসৃত হরমোনসমূহ দেহের অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসরণকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে এবং দেহের বিপাকীয় কার্যাবলি, বৃদ্ধি ও জনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর বহুমুখী নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার কারণে পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড বা প্রভু গ্রন্থি বলা হয়। (গ) উদ্দীপকের শিম বীজের ন্যায় অঙ্গটি হলো মানব বৃক্ক। নিচে এর অন্তর্গঠন বর্ণনা করা হলো: মানুষের উদর গহ্বরের পশ্চাৎ প্রাচীরে মেরুদণ্ডের দুই পাশে দুটি বৃক্ক অবস্থিত। প্রতিটি বৃক্কের বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল। অবতল অংশের খাঁজকে হাইলাস বলে, যা দিয়ে রেনাল ধমনি ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে এবং রেনাল শিরা ও ইউরেটার বের হয়। বৃক্কের বাইরের দিকে তন্তুময় যোজক টিস্যুর ক্যাপসুল নামক আবরণ থাকে। বৃক্কের ভেতরের অংশকে প্রধানত দুটি অঞ্চলে ভাগ করা যায়: বাইরের ঘন কর্টেক্স এবং ভেতরের মেডুলা। মেডুলা অংশে ৮-১২টি রেনাল পিরামিড থাকে। পিরামিডগুলোর মধ্যবর্তী কর্টেক্সের অংশকে রেনাল কলাম বা বার্টিনির স্তম্ভ বলে। প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে যা মূত্র তৈরির একক। (ঘ) উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট অঙ্গটি হলো বৃক্ক, যা মানবদেহের পানিসাম্যতা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বৃক্ক মূলত ADH (Antidiuretic Hormone) হরমোনের মাধ্যমে পানির পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে পানিসাম্যতা বজায় রাখে। ১. দেহে পানির পরিমাণ কমে গেলে রক্তে ADH-এর মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে নেফ্রনের দূরবর্তী সংবর্ত নালিকা ও সংগ্রহ নালিকার প্রাচীর পানির জন্য অধিক ভেদ্য হয়ে ওঠে। এতে নালিকা থেকে প্রচুর পানি রক্তে পুনঃশোষিত হয় এবং মূত্রের পরিমাণ কমে যায় ও মূত্র ঘন হয়। ২. দেহে পানির পরিমাণ বেড়ে গেলে ADH-এর নিঃসরণ কমে যায়। ফলে নালিকার প্রাচীরের ভেদ্যতা হ্রাস পায় এবং পানি পুনঃশোষণ কমে যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে পাতলা মূত্র উৎপন্ন হয়, যা দেহ থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। এভাবে বৃক্ক ADH-এর উপস্থিতিতে পানির পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে দেহের অভ্যন্তরীণ পানিসাম্যতা বজায় রাখে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenCumilla Board (2017)

শ্রেণিশিক্ষক বোর্ডে শিম বীজের ন্যায় একটি চিত্র অঙ্কন করে বললেন যে, অঙ্গটির উল্লেখযোগ্য দু'টি কাজ হলো :

=> মানবদেহের মূত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

=> মানবদেহের পানিসাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে।

ক. উপযোজন কী?

খ. পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার প্লান্ড বলা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকের অঙ্গটির চিত্রসহ অন্তর্গঠন বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট অঙ্গটি কিভাবে দ্বিতীয় কাজটি সম্পন্ন করে তা বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।