Facebook Pixel

শিক্ষক বললেন শুক্রাশয়ের অভিসুক্ষন সেমিনিফেরাস নালিকা থেকে সৃষ্ট জননকোষ ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে জীবনের সূচনা হয়। আর হরমোনের প্রভাবেই নারী-পুরুষ প্রজনন সক্ষমতা অর্জন করে। ক. ইপিডিডাইমিস কি? খ. দম্পতি কেন IVF পদ্ধতি গ্রহণ করে? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নালিকায় সংঘটিত প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৯ঃ মানব জীবনের ধারাবাহিকতা

উৎস: Board Exam Question SB 2016

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) প্রতিটি শুক্রাশয়ের পশ্চাৎভাগে অবস্থিত কুণ্ডলিত নালিকা যা শুক্রাণু সঞ্চয় ও পরিপক্বতায় সাহায্য করে, তাকে ইপিডিডাইমিস বলে। (খ) IVF বা ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন হলো একটি সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি। যখন কোনো দম্পতির স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণে সমস্যা থাকে, যেমন—নারীর ফেলোপিয়ান নালি বন্ধ থাকা, এন্ডোমেট্রিওসিস, অথবা পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণগত মান কম থাকা, তখন তারা এই পদ্ধতি গ্রহণ করে। গবেষণাগারে কাচের পাত্রে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করে তা জরায়ুতে স্থাপন করার মাধ্যমে তারা সন্তান লাভে সক্ষম হয়। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত নালিকাটি হলো সেমিনিফেরাস নালিকা, যেখানে স্পার্মাটোজেনেসিস বা শুক্রাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ার ধাপগুলো হলো: ১. শুক্রাণুর এক্রোসোম থেকে নিঃসৃত হায়ালুরোনিডেজ এনজাইমের প্রভাবে ডিম্বাণুর চারপাশের করোনা রেডিয়েটা স্তর বিচ্ছিন্ন হয়। ২. এরপর অ্যাকোসিন ও নিউরামিনিডেজ এনজাইমের সহায়তায় শুক্রাণু জোনা পেলুসিডা ভেদ করে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করে। ৩. শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর প্লাজমা আবরণী একীভূত হয়ে নিষেক পর্দা তৈরি করে, যা অন্য শুক্রাণুর প্রবেশ রোধ করে। ৪. সেকেন্ডারি উওসাইট দ্বিতীয় মিয়োটিক বিভাজন সম্পন্ন করে পরিণত ডিম্বাণু ও স্ত্রী প্রোনিউক্লিয়াস গঠন করে। ৫. পরিশেষে পুরুষ ও স্ত্রী প্রোনিউক্লিয়াসের মিলনে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠিত হয়। (ঘ) হরমোনের প্রভাবেই নারী ও পুরুষ প্রজনন সক্ষমতা অর্জন করে—উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ। পুরুষের ক্ষেত্রে, শুক্রাশয় থেকে ক্ষরিত টেস্টোস্টেরন হরমোন শুক্রাণু উৎপাদন, গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্যের বিকাশ এবং যৌন আচরণের নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখে। এছাড়া পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত FSH সেমিনিফেরাস নালিকাকে উদ্দীপিত করে শুক্রাণুজনন ঘটায় এবং LH ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ থেকে টেস্টোস্টেরন ক্ষরণে সাহায্য করে। নারীর ক্ষেত্রে, ডিম্বাশয় থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন ক্ষরিত হয়। FSH ডিম্বাশয়ে ফলিকলের বৃদ্ধি ও ডিম্বাণু উৎপাদনে সাহায্য করে এবং LH ওভুলেশন ও কর্পাস লুটিয়াম গঠনে ভূমিকা রাখে। ইস্ট্রোজেন গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ও ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে, আর প্রোজেস্টেরন জরায়ুর প্রাচীরকে ভ্রূণ ধারণের উপযোগী করে তোলে। এভাবে হরমোনের সুশৃঙ্খল ক্রিয়ার ফলেই নারী ও পুরুষ প্রজনন সক্ষমতা অর্জন করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenSylhet Board (2016)

শিক্ষক বললেন শুক্রাশয়ের অভিসুক্ষন সেমিনিফেরাস নালিকা থেকে সৃষ্ট জননকোষ ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে জীবনের সূচনা হয়। আর হরমোনের প্রভাবেই নারী-পুরুষ প্রজনন সক্ষমতা অর্জন করে।

ক. ইপিডিডাইমিস কি?

খ. দম্পতি কেন IVF পদ্ধতি গ্রহণ করে?

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নালিকায় সংঘটিত প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।