Facebook Pixel

রাসেল ও পাভেল দুজন যমজ ভাই। একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তারা এমন একটি বিষয়কে ঐচ্ছিক হিসেবে বেছে নিয়েছে সেটি অধ্যয়ন করে তারা সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, অনুরূপ সে বিষয়ে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবে। ক. 'Civis' শব্দের অর্থ কী? খ. পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? যুক্তি দাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

উৎস: Test Exam Question GAHC 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) 'Civis' শব্দের অর্থ হলো 'নাগরিক'। (খ) পৌরনীতি মূলত নাগরিক ও নাগরিকতা নিয়ে আলোচনা করে বলে একে 'নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান' বলা হয়। এটি নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ এবং সুনাগরিকতার গুণাবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও গবেষণা করে। নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন বিশ্লেষণ করাই এর মূল উদ্দেশ্য। (গ) উদ্দীপকে রাসেল ও পাভেলের নির্বাচিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। এই বিষয়টির গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিক জীবন সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে, যা একটি সভ্য সমাজের প্রতিটি সদস্যের জন্য অত্যাবশ্যক। এটি নাগরিককে তার অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ব্যক্তি আত্মসংযমী, বিবেকবান ও বুদ্ধিসম্পন্ন হয়ে ওঠে, যা আদর্শ সমাজ গঠনে সহায়ক। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের গঠন, পরিচালনা এবং সমস্যা সমাধানে এই বিষয়ের জ্ঞান অপরিহার্য। সর্বোপরি, দেশপ্রেম এবং নৈতিক মূল্যবোধ তৈরির মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পৌরনীতি ও সুশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম। (ঘ) উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন', যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো শাসনকার্যে জনগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণ। আর এই অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সচেতনতা ও জ্ঞান, যা পৌরনীতি ও সুশাসনের পাঠের মাধ্যমে অর্জিত হয়। সুশাসনের পথে প্রধান বাধাগুলো যেমন: বাকস্বাধীনতার অভাব, জবাবদিহিতার অভাব, আইনের শাসনের অনুপস্থিতি এবং জনসচেতনতার অভাব দূর করতে এই বিষয়টি দিকনির্দেশনা প্রদান করে। পৌরনীতি নাগরিকদের তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে, আর সুশাসন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পথ দেখায়। ফলে সরকার ও জনগণের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সংক্ষেপে, পৌরনীতি যদি হয় তাত্ত্বিক জ্ঞান, তবে সুশাসন হলো তার ব্যবহারিক প্রয়োগ। সুতরাং, সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল পাথেয় হিসেবে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Govt. Azizul Haque College, Bogura (2026)

রাসেল ও পাভেল দুজন যমজ ভাই। একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তারা এমন একটি বিষয়কে ঐচ্ছিক হিসেবে বেছে নিয়েছে সেটি অধ্যয়ন করে তারা সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, অনুরূপ সে বিষয়ে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবে।

ক. 'Civis' শব্দের অর্থ কী?

খ. পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? যুক্তি দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।