Facebook Pixel

রাসেল ও পাভেল দুজন যমজ ভাই। একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তারা এমন একটি বিষয়কে ঐচ্ছিক হিসেবে বেছে নিয়েছে যেটি অধ্যয়ন করে তারা সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, অনুরূপ সে বিষয়ে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবে। ক. 'Civis' শব্দের অর্থ কী? খ. পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? যুক্তি দাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

উৎস: Board Exam Question BB 2021

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) 'Civis' শব্দের অর্থ নাগরিক। (খ) পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কারণ এই শাস্ত্রটি নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সকল বিষয় আলোচনা করে। নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি, তাদের অধিকার, কর্তব্য এবং রাষ্ট্র ও সমাজের সাথে তাদের সম্পর্ক এই শাস্ত্রে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়। তাই নাগরিক জীবনের সার্বিক দিকগুলো পর্যালোচনার কারণে একে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়। (গ) উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তা হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। এই বিষয়ের গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী নাগরিক হিসেবে তার অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং নৈতিকতার বিকাশ ঘটায়। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান প্রদান করে এই বিষয়। এছাড়া রাষ্ট্র ও সরকারের কার্যাবলি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এবং সমাজ সংস্কারে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এই বিষয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। (ঘ) উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি অর্থাৎ পৌরনীতি ও সুশাসন রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুশাসন বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় কর্তব্যের কথা জানতে পারে। যখন নাগরিকরা সচেতন হয়, তখন তারা সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে, যা শাসনব্যবস্থায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত করে, যার ফলে তারা শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত হয়। এছাড়া আইনের শাসন সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে নাগরিকরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং অন্যায় প্রতিরোধ করে। যোগ্য নেতৃত্ব গঠন এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত হয়। পরিশেষে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষা একজন মানুষকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সচেতন ও সুনাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুশাসনের মূল ভিত্তি। সুতরাং, উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenBarisal Board (2021)

রাসেল ও পাভেল দুজন যমজ ভাই। একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তারা এমন একটি বিষয়কে ঐচ্ছিক হিসেবে বেছে নিয়েছে যেটি অধ্যয়ন করে তারা সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, অনুরূপ সে বিষয়ে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবে।

ক. 'Civis' শব্দের অর্থ কী?

খ. পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? যুক্তি দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।