Facebook Pixel

রানা ও জনি যথাক্রমে Riccia’র পুং ও স্ত্রী জননাঙ্গের চিত্র অঙ্কন করে শিক্ষককে দেখালো। তিনি চিত্র দুটিকে চিহ্নিত করে বুঝিয়ে দিলেন। গত ক্লাসে গ্যামিটোফাইটিক পর্যায় আলোচনা করেছিলেন তাই আজ স্পোরোফাইটিক পর্যায় আলোচনা করে শেষ করলেন। ক. প্রোটোনেমা কী? খ. ফার্ন প্রোথ্যালাসের বৈশিষ্ট্য লেখো। গ. শিক্ষকের বলা উক্ত পর্যায়টি ব্যাখ্যা করো। ঘ. রানা ও জনির অঙ্কিত চিত্রের গঠনে ভিন্নতা রয়েছে- বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৬ঃ ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা

উৎস: অনুশীলনীর প্রশ্ন আজিবুর স্যার

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) অনুকূল পরিবেশে স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে যে প্রাথমিক সূত্রাকার বা ফিলামেন্টাস গঠন তৈরি করে, তাকে প্রোটোনেমা বলে। (খ) ফার্ন প্রোথ্যালাসের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. এটি ফার্নের গ্যামিটোফাইটিক বা লিঙ্গধর পর্যায়। ২. এটি সাধারণত হৃদপিণ্ডাকার, সবুজ, স্বভোজী ও স্বাধীনভাবে বসবাসকারী উদ্ভিদদেহ। ৩. এর নিম্নতলে অসংখ্য রাইজয়েড থাকে, যা মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে। ৪. এটি উভলিঙ্গিক, অর্থাৎ একই প্রোথ্যালাসে পুংজননাঙ্গ (অ্যান্থেরিডিয়াম) ও স্ত্রীজননাঙ্গ (আর্কিগোনিয়াম) উৎপন্ন হয়। (গ) উদ্দীপকে শিক্ষকের আলোচিত পর্যায়টি হলো Riccia-র স্পোরোফাইটিক পর্যায়। জাইগোট (2n) হলো স্পোরোফাইটিক পর্যায়ের প্রথম কোষ। এটি কোনো বিশ্রাম দশা ছাড়াই আর্কিগোনিয়ামের ভেতরে বিভাজিত হয়ে বহুকোষী ভ্রূণ গঠন করে। জাইগোটের বিভাজনের ফলে ৮-কোষী অবস্থা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে পরিধির সমান্তরালে বিভাজিত হয়ে বাইরের দিকে অ্যাম্ফিথেসিয়াম এবং ভেতরের দিকে এন্ডোথেসিয়াম স্তর তৈরি করে। অ্যাম্ফিথেসিয়াম থেকে ক্যাপসিউলের আবরণী এবং এন্ডোথেসিয়াম থেকে স্পোরোজেনাস কোষ উৎপন্ন হয়। Riccia-র স্পোরোফাইট অত্যন্ত সরল এবং শুধুমাত্র ক্যাপসিউল নিয়ে গঠিত, যাকে স্পোরোগোনিয়াম বলে। স্পোরোজেনাস কোষগুলো রেণু মাতৃকোষে পরিণত হয় এবং মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড (n) রেণু উৎপন্ন করে। থ্যালাস ক্ষয়প্রাপ্ত হলে রেণুগুলো মুক্ত হয় এবং অঙ্কুরিত হয়ে নতুন গ্যামিটোফাইটিক থ্যালাস তৈরি করে। (ঘ) রানা ও জনির অঙ্কিত চিত্রের গঠনে ভিন্নতা রয়েছে, কারণ তারা Riccia-র ভিন্ন ভিন্ন জননাঙ্গ অঙ্কন করেছে। রানার অঙ্কিত চিত্রটি হলো পুংজননাঙ্গ বা অ্যান্থেরিডিয়াম। পূর্ণাঙ্গ অ্যান্থেরিডিয়াম গোলাকার বা ডিম্বাকার হয় এবং এটি থ্যালাসের অ্যান্থেরিডিয়াল প্রকোষ্ঠে অবস্থান করে। এর বাইরে এককোষী বন্ধ্যা আবরণী থাকে। অন্যদিকে, জনির অঙ্কিত চিত্রটি হলো স্ত্রীজননাঙ্গ বা আর্কিগোনিয়াম। এটি দেখতে ফ্লাস্কের মতো এবং স্ফীত উদর ও সরু গ্রীবা অংশে বিভক্ত। গ্রীবানালিতে গ্রীবা নালিকোষ এবং উদরের ভেতরে ডিম্বাণু থাকে। সুতরাং, জননাঙ্গ দুটির আকার ও অভ্যন্তরীণ গঠনে স্পষ্ট ভিন্নতা বিদ্যমান।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenঅনুশীলনীর প্রশ্ন - আজিবুর স্যার

রানা ও জনি যথাক্রমে Riccia’র পুং ও স্ত্রী জননাঙ্গের চিত্র অঙ্কন করে শিক্ষককে দেখালো। তিনি চিত্র দুটিকে চিহ্নিত করে বুঝিয়ে দিলেন। গত ক্লাসে গ্যামিটোফাইটিক পর্যায় আলোচনা করেছিলেন তাই আজ স্পোরোফাইটিক পর্যায় আলোচনা করে শেষ করলেন।

ক. প্রোটোনেমা কী?

খ. ফার্ন প্রোথ্যালাসের বৈশিষ্ট্য লেখো।

গ. শিক্ষকের বলা উক্ত পর্যায়টি ব্যাখ্যা করো।

ঘ. রানা ও জনির অঙ্কিত চিত্রের গঠনে ভিন্নতা রয়েছে- বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।