Facebook Pixel

যে সব গ্রন্থিসমূহের ক্ষরণ পরিপাকে সহায়তা করে তাদের পরিপাক গ্রন্থি বলে। এরূপ বেশ কয়েক রকমের গ্রন্থি পরিপাক নালির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। এর মধ্যে যকৃত ও অগ্ন্যাশয় অন্যতম। ক. এন্টিজেন কী? খ. সংযোগকারী যোগসূত্র বলতে কী বুঝ? গ. প্রথম প্রকার গ্রন্থির সঞ্জয়ী ভূমিকা ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার গ্রন্থি বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ মানব শারীরতত্ত্বঃ পরিপাক ও শোষণ

উৎস: Test Exam Question CGWC 2020

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) এন্টিজেন হলো এমন এক ধরনের বহিরাগত প্রোটিন বা পলিস্যাকারাইড জাতীয় পদার্থ, যা দেহে প্রবেশ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উদ্দীপিত করে এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে। (খ) দুটি ভিন্ন শ্রেণির প্রাণীর মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবকে সংযোগকারী যোগসূত্র (Connecting link) বলা হয়। আর্কিওপটেরিক্স (Archaeopteryx) হলো সরীসৃপ ও পাখির মধ্যকার একটি সংযোগকারী যোগসূত্র। এটি জুরাসিক যুগে বিদ্যমান ছিল। এর দেহে সরীসৃপের মতো দাঁতযুক্ত চোয়াল, লম্বা লেজ এবং পাখির মতো পালক ও ডানার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রমাণ করে যে, সরীসৃপ থেকেই পাখির বিবর্তন ঘটেছে। (গ) উদ্দীপকের প্রথম গ্রন্থিটি হলো যকৃত। যকৃত মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং এটি বিপাকীয় কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন উপাদান সঞ্চয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকাগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: ১. গ্লাইকোজেন সঞ্চয়: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চয় করে রাখে, যা গ্লাইকোজেনেসিস নামে পরিচিত। ২. ভিটামিন সঞ্চয়: যকৃত ভিটামিন A, D, E, K এবং B-কমপ্লেক্স (যেমন B_6, B_12) সঞ্চয় করে দেহের প্রয়োজনে সরবরাহ করে। ৩. খনিজ দ্রব্য সঞ্চয়: যকৃত আয়রন (Fe), কপার (Cu), জিংক (Zn), কোবাল্ট (Co) ইত্যাদি খনিজ উপাদান সঞ্চয় করে রাখে। ৪. লিপিড সঞ্চয়: যকৃত কোলেস্টেরল ও ফসফোলিপিড সংশ্লেষণ করে এবং লিপোপ্রোটিন হিসেবে সঞ্চয় করে। ৫. রক্ত সঞ্চয়: যকৃত হেপাটিক পোর্টাল শিরা ও ধমনীর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে পারে এবং কুফার কোষের মাধ্যমে রক্ত থেকে ক্ষতিকর জীবাণু অপসারণ করে। (ঘ) উদ্দীপকের দ্বিতীয় গ্রন্থিটি হলো অগ্ন্যাশয়। অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি একই সাথে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে ভূমিকা: অগ্ন্যাশয়ের নালিকাযুক্ত অংশ অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরণ করে। এই রসে ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, অ্যামাইলেজ ও লাইপেজ নামক এনজাইম থাকে, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে ভূমিকা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস নামক নালিকা বিহীন অংশ থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন সরাসরি রক্তে নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং গ্লুকাগন গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়। যেহেতু অগ্ন্যাশয় এনজাইম ক্ষরণের মাধ্যমে পরিপাকে এবং হরমোন ক্ষরণের মাধ্যমে বিপাক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে, তাই একে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Cumilla Government Women's College (2020)

যে সব গ্রন্থিসমূহের ক্ষরণ পরিপাকে সহায়তা করে তাদের পরিপাক গ্রন্থি বলে। এরূপ বেশ কয়েক রকমের গ্রন্থি পরিপাক নালির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। এর মধ্যে যকৃত ও অগ্ন্যাশয় অন্যতম।

ক. এন্টিজেন কী?

খ. সংযোগকারী যোগসূত্র বলতে কী বুঝ?

গ. প্রথম প্রকার গ্রন্থির সঞ্জয়ী ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার গ্রন্থি বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।