Facebook Pixel

যুদ্ধ শেষে দুটি ভিন্নধর্মী আদর্শবাদী শক্তির হস্তক্ষেপে দেশটির পশ্চিম ও পূর্ব অংশে বিভাজিত হলে রাফি পূর্ব অংশেই থেকে যান এবং পূর্বের ন্যায় কৃষিকাজ করতে থাকেন। এক সময় পশ্চিম অংশের ন্যায় পূর্ব অংশেও গণতন্ত্রের সুবাতাস বইলে তিনি আশার আলো দেখতে পান। অল্প সময়ের মধ্যে শিল্পের ব্যাপক অগ্রগতি হওয়ায় রাজিব শিল্পের প্রতি বেশি আগ্রহী হন। [নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী] ক. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কত সালে শুরু হয়? খ. মিত্রশক্তি কী? গ. উদ্দীপকের রাফির দেশের সঙ্গে ইউরোপের কোন দেশের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. রাফির পদক্ষেপটি ছিল উন্নয়নের একটি সহায়ক মাধ্যম- উক্তিটির সপক্ষে যুক্তি দাও।

বিষয়: ইতিহাস ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৮ঃ স্নায়ুযুদ্ধঃ পরবর্তী বিশ্ব

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে। খ. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি, ইতালি ও জাপান মিলে। সম্মিলিতভাবে অক্ষশক্তি গঠন করে। এ ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন অভূতপূর্ব মৈত্রী বন্ধনের সৃষ্টি করে। এ বন্ধনকেই বিশ্ব ইতিহাসে মিত্রশক্তি জোট বলে। ফলে যুদ্ধের গতিও পরিবর্তিত হয়। যুদ্ধ চলাকালীন সময় মিত্রশক্তির নেতাদের মধ্যে অনেক সম্মেলন হয়েছিল। গ. উদ্দীপকে রাফির দেশের সঙ্গে ইউরোপের সাবেক স্বাধীন রাষ্ট্র পূর্ব জার্মানির সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের রাফি যে দেশে বাস করেন তার সাথে ইউরোপের সাবেক। স্বাধীন রাষ্ট্র পূর্ব জার্মানির সাদৃশ্য দেখা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি নামক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পূর্ব জার্মানির নেতৃত্ব চলে যায় সোভিয়েতপন্থি কমিউনিস্টদের হাতে এবং পশ্চিম জার্মানির নেতৃত্ব থাকে মার্কিনপন্থি পুঁজিবাদী তথা গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে। কিন্তু পশ্চিম জার্মানি দূত অর্থনৈতিক উন্নতি' অর্জনে সক্ষম হলেও পূর্ব জার্মানি তা পারেনি। কৃষিপ্রধান এবং জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ার ফলে পূর্ব জার্মানিতে শিল্পের প্রসার ঘটেনি প্রথমে। কিন্তু ১৯৫০ সালের পরবর্তীকালে সরকারের গৃহীত নীতি এবং প্রচেষ্টার ফলে পূর্ব। জার্মানিও শিল্পে উন্নতি করতে সমর্থ হয়। উদ্দীপকের রাফির বসবাসরত দেশটিও একই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। ঘ. উদ্দীপকের রাফি যে দেশটিতে বসবাস করছিলেন তা ছিল একটি কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ার ফলে দেশটিতে শিল্পে অনগ্রসরতা লক্ষ করা যায়। আবার সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ব্যক্তি মালিকানায় শিল্পকারখানা স্থাপনের সুযোগ না থাকায় রাফির কিছু করার থাকে না। কিন্তু দেশটি যখন গণতান্ত্রিক ধারার দিকে যেতে থাকে তখন ব্যক্তি মালিকানায় শিল্প-বাণিজ্য স্থাপনের দ্বার উন্মোচিত হয়। এরূপ একটি কৃষিপ্রধান অনুন্নত শিল্পের দেশে শিল্প উন্নয়নের জন্য দরকার বেশি বেশি বিনিয়োগ। কেবল সরকারের পক্ষে এরূপ বিনিয়োগ সম্ভব নয় বলে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তাই রাফি এক্ষেত্রে শিল্পে বিনিয়োগকারী বা শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে এসে দেশটির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। শিল্পে বিনিয়োগ তার জন্য যদি সম্ভব না হয় তবে তিনি শিল্প শ্রমিক হিসেবেও এক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। কেননা শুধু শিল্পকারখানা স্থাপন করলেই হয় না, এতে প্রচুর জনবলের দরকার হয় পরিচালনার জন্য। তাই তিনি শিল্পের জন্য যে পদক্ষেপই নিতে সমর্থ হন না কেন তা দেশটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

যুদ্ধ শেষে দুটি ভিন্নধর্মী আদর্শবাদী শক্তির হস্তক্ষেপে দেশটির পশ্চিম ও পূর্ব অংশে বিভাজিত হলে রাফি পূর্ব অংশেই থেকে যান এবং পূর্বের ন্যায় কৃষিকাজ করতে থাকেন। এক সময় পশ্চিম অংশের ন্যায় পূর্ব অংশেও গণতন্ত্রের সুবাতাস বইলে তিনি আশার আলো দেখতে পান। অল্প সময়ের মধ্যে শিল্পের ব্যাপক অগ্রগতি হওয়ায় রাজিব শিল্পের প্রতি বেশি আগ্রহী হন।

[নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী]

ক.

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?

খ.

মিত্রশক্তি কী?

গ.

উদ্দীপকের রাফির দেশের সঙ্গে ইউরোপের কোন দেশের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

রাফির পদক্ষেপটি ছিল উন্নয়নের একটি সহায়ক মাধ্যম- উক্তিটির সপক্ষে যুক্তি দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।