Facebook Pixel

মি. রিয়াদ একজন স্বল্প বেতনের কর্মচারী। তার এক সহকর্মীর পরামর্শ ও উৎসাহে এখন তিনি প্রাথমিক শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করেন। এখন তিনি মাঝে মধ্যে সেকেন্ডারি শেয়ারও কিনেন। বছর শেষে সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে সভায় উপস্থিত হন। সভায় জানতে পারলেন যে, তিনি ক্রয়কৃত শেয়ার কোম্পানির একজন মালিক। এমনকি পরিচালনা পর্ষদও নির্বাচন করতে পারবেন। ক. মানি লন্ডারিং কী? খ. মুদ্রাবাজার কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। গ. মি. রিয়াদ কোন ধরনের কোম্পানির শেয়ার কিনেন? ব্যাখ্যা কর। ঘ. সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিয়োগ মি. রিয়াদের জন্য কতটুকু যৌক্তিক? ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ আর্থিক বাজারের আইনগত দিকসমূহ

উৎস: Others

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদকে বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে বৈধ করার প্রক্রিয়াকে মানি লন্ডারিং বলে। (খ) স্বল্পমেয়াদি তহবিল সংগ্রহের উৎস হিসেবে মুদ্রাবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে আর্থিক বাজারে এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য আর্থিক সম্পদ কেনাবেচা করা হয়, তাকে মুদ্রাবাজার বলে। এই বাজারের প্রধান দলিলগুলো হলো ট্রেজারি বিল, বাণিজ্যিক পত্র, ব্যাংকের স্বীকৃতিপত্র ইত্যাদি। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং সরকার তাদের স্বল্পমেয়াদি নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে এই বাজারের ওপর নির্ভর করে। ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মুদ্রাবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। (গ) উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, মি. রিয়াদ একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার কিনেছেন। যে যৌথমূলধনী কোম্পানি অবাধে সর্বসাধারণের কাছে শেয়ার বা ঋণপত্র বিক্রি করতে পারে, তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে। এই ধরনের কোম্পানির মূলধন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত থাকে, যাকে শেয়ার বলা হয়। শেয়ারহোল্ডাররাই কোম্পানির মালিক হিসেবে গণ্য হন। উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. রিয়াদ প্রাথমিক শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করেছেন এবং পরবর্তীতে সেকেন্ডারি বাজার থেকেও শেয়ার কেনেন। তিনি কোম্পানির সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং জানতে পারেন যে তিনি কোম্পানির একজন মালিক এবং পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন করার ক্ষমতা রাখেন। এই বৈশিষ্ট্যগুলো একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিরই বৈশিষ্ট্য। সুতরাং, মি. রিয়াদ একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার কিনেছেন। (ঘ) ঝুঁকি এবং আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করলে সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিয়োগ মি. রিয়াদের জন্য যৌক্তিক নয়। যে বাজারে প্রাথমিক বাজারে ইস্যুকৃত সিকিউরিটিজ বা শেয়ার কেনাবেচা করা হয়, তাকে মাধ্যমিক বা সেকেন্ডারি বাজার বলে। এই বাজারে শেয়ারের মূল্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়, যা কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, লভ্যাংশ এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। ফলে এই বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে বাজার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান এবং ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতা প্রয়োজন। উদ্দীপক অনুযায়ী, মি. রিয়াদ একজন স্বল্প বেতনের কর্মচারী। তিনি তার এক সহকর্মীর পরামর্শ ও উৎসাহে শেয়ার বাজারে প্রবেশ করেছেন, যা নির্দেশ করে যে শেয়ার বাজার সম্পর্কে তার নিজস্ব পর্যাপ্ত জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা নেই। স্বল্প বেতনের কর্মচারী হিসেবে তার আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত। সেকেন্ডারি বাজারে শেয়ারের মূল্য হ্রাস পেলে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন, যা তার জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অতএব, পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং আর্থিক সক্ষমতার অভাবে সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগ করা মি. রিয়াদের জন্য মোটেও যৌক্তিক নয়।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenঅন্যান্য

মি. রিয়াদ একজন স্বল্প বেতনের কর্মচারী। তার এক সহকর্মীর পরামর্শ ও উৎসাহে এখন তিনি প্রাথমিক শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করেন। এখন তিনি মাঝে মধ্যে সেকেন্ডারি শেয়ারও কিনেন। বছর শেষে সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে সভায় উপস্থিত হন। সভায় জানতে পারলেন যে, তিনি ক্রয়কৃত শেয়ার কোম্পানির একজন মালিক। এমনকি পরিচালনা পর্ষদও নির্বাচন করতে পারবেন।

ক. মানি লন্ডারিং কী?

খ. মুদ্রাবাজার কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

গ. মি. রিয়াদ কোন ধরনের কোম্পানির শেয়ার কিনেন? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিয়োগ মি. রিয়াদের জন্য কতটুকু যৌক্তিক? ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।