(ক)
নিট মুনাফার যে অংশ লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করে ভবিষ্যতের জন্য ব্যবসায় সংরক্ষণ করা হয়, তাকে সংরক্ষিত মুনাফা বলে।
(খ)
মধ্যস্থতাকারী ব্যবসায় বলতে এমন এক ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে বোঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উৎপাদনকারী এবং চূড়ান্ত ভোক্তার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তারা পণ্য উৎপাদন করে না, বরং পণ্য ক্রয় করে পুনরায় বিক্রয় করে মুনাফা অর্জন করে। যেমন: পাইকার, খুচরা বিক্রেতা, এজেন্ট ইত্যাদি।
(গ)
মি. জবির ব্যবহৃত প্লাস্টিক কার্ডটির নাম হলো ডেবিট কার্ড।
ডেবিট কার্ড হলো ব্যাংকের ইস্যুকৃত একটি প্লাস্টিক কার্ড যা গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক তার অ্যাকাউন্টে জমা থাকা অর্থ থেকে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারেন এবং বিভিন্ন কেনাকাটার বিল পরিশোধ করতে পারেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. জবির প্লাস্টিক কার্ডটি দিয়ে তিনি নির্দিষ্ট দোকান থেকে টাকা উঠানোর পাশাপাশি হোটেল বিল, খাবার বিল এবং কেনাকাটার বিল পরিশোধ করেন। যেহেতু এই লেনদেনগুলো তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স থেকে সরাসরি সম্পন্ন হয়, তাই বলা যায় মি. জবির ব্যবহৃত কার্ডটি একটি ডেবিট কার্ড।
(ঘ)
উল্লিখিত প্লাস্টিক কার্ডটি হলো ডেবিট কার্ড। নিচে এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো:
সুবিধা:
১. নগদ টাকা বহনের ঝামেলা ও ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২. এটিএম-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় টাকা উত্তোলন করা সম্ভব।
৩. দ্রুত ও সহজভাবে কেনাকাটার বিল পরিশোধ করা যায়।
৪. লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকে, ফলে হিসাব রাখা সহজ হয়।
৫. আন্তর্জাতিক মানের কেনাকাটা ও সেবার সুবিধা পাওয়া যায়।
অসুবিধা:
১. ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে এই কার্ডের মাধ্যমে কোনো লেনদেন করা সম্ভব হয় না।
২. কার্ডটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে অন্য কেউ এর অপব্যবহার করতে পারে।
৩. প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সার্ভার ডাউন থাকলে লেনদেনে সমস্যা হয়।
৪. পিন (PIN) নম্বর ফাঁস হয়ে গেলে অর্থের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে।
৫. এই কার্ডের মাধ্যমে কোনো ঋণ সুবিধা পাওয়া যায় না।