Facebook Pixel

মাহিন সায়েদের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান আছে। তিনি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় করেন। পণ্য ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হলে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। তদন্তে প্রতিষ্ঠানটি দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির সুপারিশ করা হয়। ক. কলমানি রেট কী? খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন করা হয়? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কোন আইন লঙ্ঘন করেছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কী শাস্তির আওতায় পড়বে? বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ আর্থিক বাজারের আইনগত দিকসমূহ

উৎস: Board Exam Question SB 2017

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) আন্তঃব্যাংক লেনদেনের সুদের হারকে কলমানি রেট বলে। (খ) মুদ্রার সরবরাহ ও ঋণের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট কাম্য স্তরে সীমাবদ্ধ রাখার কৌশলকে ঋণ নিয়ন্ত্রণ বলে। দেশের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি এবং মুদ্রাসঙ্কোচন উভয়ই ক্ষতিকর। তাই ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের পরিমাণ সবসময় কাঙ্ক্ষিত সীমার মধ্যে রাখার চেষ্টা করে, যাতে অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় থাকে। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২' লঙ্ঘন করেছে। মানি লন্ডারিং বলতে বৈধ বা অবৈধ পন্থায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্জিত সম্পদের অবৈধ পন্থায় হস্তান্তর, রূপান্তর, অবস্থান গোপনকরণ বা উক্ত কাজে সহায়তা করাকে বোঝায়। 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২' রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে ২০০২ সালের ৫ই এপ্রিল, যা কার্যকর হয় ২০০৩ সাল থেকে। উদ্দীপকের মাহিন সায়েদ আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় করেন। তিনি পণ্য ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি টাকা ব্যাংক বা অনুমোদিত কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেন। হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ প্রেরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ, যা 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২'-এর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, মাহিন সায়েদের প্রতিষ্ঠানটি উক্ত আইনটি লঙ্ঘন করেছে। (ঘ) বর্তমান প্রচলিত 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২' অনুযায়ী মাহিন সায়েদের প্রতিষ্ঠানটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। অবৈধভাবে সম্পদ বা অর্থ উপার্জন এবং অবৈধভাবে এর স্থানান্তরকে মানি লন্ডারিং বলে। এই আইনের আওতায় অপরাধের শাস্তি হলো কমপক্ষে ৪ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড এবং মানি লন্ডারিং অপরাধের সাথে জড়িত অর্থের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড। উদ্দীপকের মাহিন সায়েদ পণ্য ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেছেন, যা 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২' অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি এই আইনের আওতায় শাস্তির সম্মুখীন হবেন। সেই অনুযায়ী, তিনি কারাদণ্ড এবং অপরাধের সাথে জড়িত ১০ কোটি টাকার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং বলা যায়, বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয় শাস্তির আওতায় পড়বে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenSylhet Board (2017)

মাহিন সায়েদের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান আছে। তিনি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় করেন। পণ্য ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হলে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। তদন্তে প্রতিষ্ঠানটি দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির সুপারিশ করা হয়।

ক. কলমানি রেট কী?

খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন করা হয়?

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কোন আইন লঙ্ঘন করেছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কী শাস্তির আওতায় পড়বে? বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।