Facebook Pixel

মানবদেহের প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্তর। প্রতিরক্ষা দানকারী প্রতিটি এন্টিবডি এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো টিকা প্রদান। ক. ফিটাস কী? খ. মানব শুক্রাণুর চিহ্নিত চিত্র অংকন কর? গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ প্রোটিনের গঠন ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষ লাইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-১০ঃ মানবদেহের প্রতিরক্ষা (ইমিউনিটি)

উৎস: Test Exam Question ACPSCD 2020

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) গর্ভধারণের ৯ সপ্তাহ পর থেকে জন্ম পর্যন্ত ভ্রূণ যখন মানুষের অবয়ব লাভ করে, তখন সেই ভ্রূণীয় অবস্থাকে ফিটাস বলা হয়। (খ) মানব শুক্রাণুর চিহ্নিত চিত্র নিচে দেওয়া হলো: (গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ প্রোটিনটি হলো অ্যান্টিবডি। অ্যান্টিবডির গঠন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: ১. ভারী ও হালকা শৃঙ্খল: প্রতিটি অ্যান্টিবডি অণু চারটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে সদৃশ একজোড়া লম্বা ভারী শৃঙ্খল (Heavy chain) এবং একজোড়া সদৃশ ছোট হালকা শৃঙ্খল (Light chain) থাকে। ২. ডাইসালফাইড বন্ড: শৃঙ্খলগুলো একে অপরের সাথে ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। প্রতিটি অ্যান্টিবডিতে অন্তত ৩টি আন্তঃশৃঙ্খল ডাইসালফাইড বন্ড বিদ্যমান। ৩. স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অঞ্চল: অ্যান্টিবডির প্রতিটি শৃঙ্খলের একটি অংশ স্থায়ী (Constant region) এবং অন্য অংশটি পরিবর্তনশীল (Variable region) প্রকৃতির হয়। পরিবর্তনশীল অঞ্চলে অ্যান্টিজেন বাইন্ডিং সাইট থাকে। ৪. কজা অঞ্চল: অ্যান্টিবডি অণুর বাহু দুটি যে সংযোগস্থল থেকে দুভাগে বিভক্ত হয়, তাকে কজা অঞ্চল (Hinge region) বলে। এটি অ্যান্টিবডিকে নমনীয়তা প্রদান করে, ফলে এটি অ্যান্টিজেনের সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। (ঘ) উদ্দীপকের শেষ লাইনটি হলো, "রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো টিকা প্রদান"। এর গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: টিকা বা ভ্যাকসিন হলো কোনো রোগের জীবাণুর মৃত বা দুর্বল সংস্করণ অথবা জীবাণুর কোনো অংশবিশেষ, যা দেহে প্রবেশ করালে দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভ্যাকসিন গ্রহণের ফলে দেহে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং মেমোরি কোষ (Memory cell) গঠিত হয়। ভবিষ্যতে যদি আসল রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু দেহে প্রবেশ করে, তবে পূর্ব থেকে তৈরি অ্যান্টিবডি এবং মেমোরি কোষ দ্রুত সেই জীবাণুকে শনাক্ত করে ধ্বংস করে ফেলে। ফলে ব্যক্তিটি ওই নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয় না। ১৭৯৬ সালে ড. এডওয়ার্ড জেনার গুটি বসন্তের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের মাধ্যমে এই পদ্ধতির সূচনা করেন। বর্তমানে হেপাটাইটিস-বি সহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকা প্রদানই হলো সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী উপায়।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Adamjee Cantonment Public School & College, Dhaka (2020)

মানবদেহের প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্তর। প্রতিরক্ষা দানকারী প্রতিটি এন্টিবডি এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো টিকা প্রদান। ক. ফিটাস কী? খ. মানব শুক্রাণুর চিহ্নিত চিত্র অংকন কর? গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ প্রোটিনের গঠন ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষ লাইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।