Facebook Pixel

মানুষের আছে বুদ্ধিবৃত্তি, যা অন্য কোনো জীবের মধ্যে নেই। বুদ্ধিবৃত্তির জন্য মানুষ চিন্তা করার ক্ষমতা রাখে। সত্যকে অনুসন্ধান করে, অজানা বিষয়গুলোকে জানার চেষ্টা করে। এই বুদ্ধিবৃত্তিকে জ্ঞানের একটি শাখা সঠিকভাবে পরিচালনা, করে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার কলাকৌশল শিক্ষা দেয়। ক. যুক্তিবিদ্যা কী? খ. যুক্তিবিদ্যাকে কেন আদর্শমূলক বিজ্ঞান বলা হয়? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি বাস্তব জীবনে প্রয়োগের প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।

বিষয়: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি ও নীতিসমূহের একটি বিশিষ্ট বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা। খ. যে বিজ্ঞান আদর্শ বা 'মানদন্ডের ভিত্তিতে নিজস্ব বিষয়বস্তু মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা আদর্শের ভিত্তিতে নিজস্ব বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন করে। যুক্তিবিদ্যার এই আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ। সত্যের আদর্শের ভিত্তিতে যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তিপদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং এই নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নিরূপণ করে। তাই যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো যুক্তিবিদ্যা। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা বা অনুমান সম্পর্কিত বিদ্যা বা বিজ্ঞান, যার আদর্শ হলো সত্যতা অর্জন করা। যুক্তিবিদ্যা সঠিক যুক্তিপদ্ধতির নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং এ নিয়মের সাহায্যে যুক্তির বৈধতা যাচাই করে। বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যার সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু রয়েছে এবং যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তুকে সুশৃঙ্খলভাবে আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যার আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ। আর এ সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে অজানা বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করে এবং বৈধ যুক্তিপদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নিরূপণ করে। যুক্তিবিদ্যা যেহেতু সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে অজানা বিষয়কে জানার মাধ্যমে বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন করে, তাই এটি একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। উদ্দীপকে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি চিন্তা করার ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার কলাকৌশল শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টি যুক্তিবিদ্যাকে নির্দেশ করে। কেননা যুক্তিবিদ্যাই কেবল এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। তাই উদ্দীপকের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার স্থগিত পাওয়া যায়। ঘ. উদ্দীপকের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যা বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আর এ বিষয়টি বাস্তব জীবনে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যুক্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞান, যার লক্ষ্য হলো সত্য প্রতিষ্ঠা করা। কেননা সত্য হলো যুক্তিবিদ্যার আদর্শ। সত্যের আদর্শ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তিপদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং এই নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নিরূপণ করে। এই কারণে যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। তাই উদ্দীপকের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যা নির্দেশিত হয়েছে। বাস্তব জীবনে যুক্তিবিদ্যা প্রয়োগের বিভিন্ন রকম গুরুত্ব রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার শিক্ষা দেয়। তাই এই বিদ্যার প্রয়োগ আমাদের ব্যবহারিক জীবনে বৈধ যুক্তি প্রয়োগে সহায়তা করে। যার ফলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক জ্ঞান লাভ করতে পারি। যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান আমাদের সবকিছু যুক্তির আলোকে দেখার মানসিকতা তৈরি করে তখন তার মধ্যে যৌক্তিক মানসিকতা তৈরি হয়। এই যৌক্তিক মানসিকতা মানুষকে উন্নত করে। যুক্তিবিদ্যা আমাদের আত্মবিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান আমাদের বিমূর্ত চিন্তার ক্ষমতাকে প্রসারিত করে। তাই বলা যায়, যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তব জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

মানুষের আছে বুদ্ধিবৃত্তি, যা অন্য কোনো জীবের মধ্যে নেই। বুদ্ধিবৃত্তির জন্য মানুষ চিন্তা করার ক্ষমতা রাখে। সত্যকে অনুসন্ধান করে, অজানা বিষয়গুলোকে জানার চেষ্টা করে। এই বুদ্ধিবৃত্তিকে জ্ঞানের একটি শাখা সঠিকভাবে পরিচালনা, করে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার কলাকৌশল শিক্ষা দেয়।

ক.

যুক্তিবিদ্যা কী?

খ.

যুক্তিবিদ্যাকে কেন আদর্শমূলক বিজ্ঞান বলা হয়?

গ.

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।

ঘ.

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি বাস্তব জীবনে প্রয়োগের প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।