Facebook Pixel

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বর্তমান সরকার বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনে স্বস্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। ক. শিল্প কী? খ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কীভাবে দেশের সুষম উন্নয়ন ঘটায়? গ. উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ বাংলাদেশের শিল্প

উৎস: Board Exam Question MSB 2021

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) একই ধরনের বা সমজাতীয় পণ্য উৎপাদনকারী সকল ফার্মের সমন্বিত রূপকে শিল্প বলা হয়। (খ) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ সাধনের মাধ্যমে দেশের সুষম উন্নয়ন ঘটায়। সাধারণত বৃহৎ শিল্পগুলো শহরকেন্দ্রিক হয়, ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষের সেখানে কাজ করার সুযোগ কম থাকে। বিপরীতে, অধিকাংশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রামাঞ্চলে বা শহরের উপকণ্ঠে স্থাপিত হয়, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। ফলে গ্রাম ও শহরের অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস পায় এবং দেশের সুষম উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। (গ) উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি (PPP) এর দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পিপিপি হলো সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যে বিপুল পরিমাণ পুঁজির প্রয়োজন হয়, তা কেবল সরকারের পক্ষে যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হয়। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা হয়েছে, যা সরাসরি পিপিপি পদ্ধতির প্রতিফলন। (ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ বা পিপিপি নীতির যথার্থতা অত্যন্ত প্রবল। কারণ, দেশের শিল্পায়নের জন্য শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবকাঠামো যেমন সড়ক, রেলপথ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অপরিহার্য। এই ধরনের অবকাঠামো নির্মাণে যে বিপুল পুঁজির প্রয়োজন, তা পিপিপি-র মাধ্যমে সহজতর হয়। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারি খাতের ওপর আর্থিক চাপ কমে, অন্যদিকে বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে প্রকল্পের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। এছাড়া এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য একক প্রচেষ্টার চেয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব অনেক বেশি কার্যকর। তাই বলা যায়, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও শিল্পায়নের গতি বৃদ্ধিতে সরকারের এই পিপিপি নীতিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenMymensingh Board (2021)

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বর্তমান সরকার বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনে স্বস্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

ক. শিল্প কী? খ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কীভাবে দেশের সুষম উন্নয়ন ঘটায়? গ. উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।