Facebook Pixel

বিজয় একজন সমাজকর্মী। তিনি এমন একটি সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করেছেন যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ নির্বিশেষে কোন পার্থক্য থাকবে না। ক. নৈতিকতা কী? খ. স্বাধীনতা বলতে কী বোঝ? গ. বিজয় কী ধরনের সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন? ব্যাখ্যা কর। ঘ উদ্দীপকে বর্ণিত সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সকলেই সমভাবে আত্মবিকাশের সুযোগ পাবে- তোমার মতামত দাও

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য

উৎস: Test Exam Question CMCR 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) নৈতিকতা হলো আচরণের সেই মানদণ্ড বা নীতি যা মানুষের ভালো-মন্দের পার্থক্য নির্ধারণ করে এবং তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। (খ) স্বাধীনতা বলতে সাধারণত নিজের ইচ্ছামতো কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। তবে পৌরনীতি ও সুশাসনের ভাষায়, স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়; বরং অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে এবং সামাজিক নিয়ম মেনে নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ লাভ করা। অর্থাৎ, স্বাধীনতা হলো এমন এক পরিবেশ যেখানে ব্যক্তি কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই তার ব্যক্তিত্ব বিকাশের সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। (গ) উদ্দীপকের বিজয় 'সামাজিক সাম্য' প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। সাম্য বলতে বোঝায় সকল মানুষের সমান অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ। সামাজিক সাম্য হলো এমন এক পরিবেশ যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান সামাজিক মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। এটি এমন এক সামাজিক পরিবেশকে নির্দেশ করে যেখানে প্রত্যেকে স্বীয় যোগ্যতা অনুসারে সমান সামাজিক অধিকার ভোগ করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সমাজকর্মী বিজয় এমন একটি সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছেন যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা বংশভেদে কোনো বৈষম্য থাকবে না। এই বৈশিষ্ট্যটি সরাসরি সামাজিক সাম্যের ধারণাকে নির্দেশ করে। সুতরাং বলা যায়, বিজয় সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। (ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সকলেই সমভাবে আত্মবিকাশের সুযোগ পাবে, এই মতামতের সাথে আমি একমত। সামাজিক সাম্য হলো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র কিংবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। যখন সমাজে এই ধরনের সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন ব্যক্তির সামনে সকল কৃত্রিম বাধা দূর হয় এবং তার অন্তর্নিহিত প্রতিভার বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়। সাম্যের মাধ্যমে একটি শ্রেণিবিভেদহীন গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ্য ব্যক্তিরা তাদের মেধা ও শ্রমের ভিত্তিতে সমান সুযোগ পায়। সাম্য মূলত স্বাধীনতার পূর্বশর্ত। সাম্য ছাড়া স্বাধীনতা ভোগ করা অসম্ভব, কারণ সাম্যহীন সমাজে স্বাধীনতা কেবল মুষ্টিমেয় কিছু প্রভাবশালী মানুষের হাতে সীমাবদ্ধ থাকে। সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকারগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত হয়, যা ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে। সাম্যভিত্তিক সমাজে প্রতিটি ব্যক্তিই কর্মের অধিকার এবং জীবনযাত্রার সর্বনিম্ন মানের নিশ্চয়তা পায়, যা সকলকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান করে। সর্বোপরি বলা যায়, সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে বৈষম্য দূর হয় এবং প্রতিটি মানুষ সমভাবে আত্মবিকাশের সুযোগ লাভ করে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Carmichael College, Rangpur (2026)

বিজয় একজন সমাজকর্মী। তিনি এমন একটি সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করেছেন যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ নির্বিশেষে কোন পার্থক্য থাকবে না।

ক. নৈতিকতা কী?

খ. স্বাধীনতা বলতে কী বোঝ?

গ. বিজয় কী ধরনের সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন? ব্যাখ্যা কর।

ঘ উদ্দীপকে বর্ণিত সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে সকলেই সমভাবে আত্মবিকাশের সুযোগ পাবে- তোমার মতামত দাও

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।