Facebook Pixel

বান্দরবানের ছোট্ট শেখর। ঘুম থেকে উঠে বাবার জন্য খাবার নিতেই ভরদুপুর। একমাত্র স্কুলটি মাইলখানেক দূরে। তাই শেখরের স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠে না। সরকার ঢাকার রায়ের বাজার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে পাঠদানের ব্যবস্থা করেছে। শেখরের আর পড়াশুনার অসুবিধা হয় না। সে এখন এই দূরশিক্ষণের ছাত্র। ক. ICT কী? খ. ই-গভর্নেন্স বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের বিষয়টি দ্বারা জনগণ কীভাবে উপকৃত হচ্ছে? বর্ণনা করো ।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ ই-গভনের্ন্স ও সুশাসন

উৎস: Board Exam Question BB 2015

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) ICT-এর পূর্ণরূপ হলো Information and Communication Technology, যার বাংলা অর্থ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এটি এমন এক প্রযুক্তি যা তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। (খ) ই-গভর্নেন্স বা ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স বলতে সরকারের শাসনকার্য পরিচালনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারকে বোঝায়। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয় এবং শাসনব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করা হয়। (গ) উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের G2C (Government to Citizen) বা সরকার থেকে নাগরিক সেবা প্রদানের বৈশিষ্ট্যটি ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করা। উদ্দীপকে দেখা যায়, বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী শিশু শেখর দুর্গম পথ এবং দূরত্বের কারণে স্কুলে যেতে পারে না। কিন্তু সরকার ইন্টারনেটের মাধ্যমে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা পাঠদানের ব্যবস্থা করেছে, যার ফলে শেখর ঘরে বসেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। এটি সরাসরি সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকের জন্য প্রদত্ত একটি শিক্ষা সেবা। সুতরাং, এখানে ই-গভর্নেন্সের G2C বৈশিষ্ট্যটি প্রতিফলিত হয়েছে। (ঘ) উদ্দীপকের বিষয়টি তথা ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে জনগণ বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছে। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. সেবার সহজলভ্যতা: ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহারের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও উন্নত সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারছে। যেমন, শেখর দুর্গম এলাকা থেকেও শিক্ষা লাভ করতে পারছে। ২. তথ্যের অবাধ প্রবাহ: ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই সরকারি তথ্য লাভ করতে পারছে, যা তাদের শাসনকাজে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে। ৩. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস: ডিজিটাল সেবার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা দপ্তরে দপ্তরে ঘোরার প্রয়োজন কমেছে, ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতির মাত্রা হ্রাস পেয়েছে। ৪. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সরকার জনগণের প্রতি আরও বেশি জবাবদিহিমূলক হয়ে উঠেছে। ৫. সময় ও অর্থের সাশ্রয়: ঘরে বসেই বিভিন্ন আবেদন, ট্যাক্স পরিশোধ বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার ফলে জনগণের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে। পরিশেষে বলা যায়, ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান উন্নত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি সরকারের সুফল ভোগ করতে পারছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenBarisal Board (2015)

বান্দরবানের ছোট্ট শেখর। ঘুম থেকে উঠে বাবার জন্য খাবার নিতেই ভরদুপুর। একমাত্র স্কুলটি মাইলখানেক দূরে। তাই শেখরের স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠে না। সরকার ঢাকার রায়ের বাজার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে পাঠদানের ব্যবস্থা করেছে। শেখরের আর পড়াশুনার অসুবিধা হয় না। সে এখন এই দূরশিক্ষণের ছাত্র।

ক. ICT কী?

খ. ই-গভর্নেন্স বলতে কী বোঝায়?

গ. উদ্দীপকে ই-গভর্নেন্সের কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের বিষয়টি দ্বারা জনগণ কীভাবে উপকৃত হচ্ছে? বর্ণনা করো ।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।