ক.
যে শাস্ত্র জগৎ ও জীবনের মৌলিক সমস্যাবলির যৌক্তিক অনুসন্ধান করে তাকে দর্শন বলে।
খ.
শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত বিক্ষিপ্ত ধারণাগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক তৈরিকরণে যুক্তিবিদ্যা সাহায্য করে, যার ফলে ব্যক্তির মধ্যে জ্ঞানের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস তৈরি হয় এবং ব্যক্তির আচরণে পরিবর্তন ঘটে। শিক্ষার মূল কাজই হলো ব্যক্তি আচরণের আপেক্ষিক পরিবর্তন ঘটানো। এক্ষেত্রে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তিবিদ্যা শিক্ষার উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন ঘটায়। এজন্য নীতিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ।
গ.
উদ্দীপকে বিষয়-১ কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
কম্পিউটার হলো মানবসভ্যতার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। মানবজীবনে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে কম্পিউটারের প্রয়োগ নেই। তবে এ কম্পিউটার খুব সহজে তৈরি হয়নি। অনেক বিজ্ঞানীর রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজকের এ আধুনিক কম্পিউটার।
Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ Compute থেকে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হলো- হিসাবকারী যন্ত্র। এ যন্ত্রটির মাধ্যমে মূলত গাণিতিক, যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ করা হয়ে থাকে। কম্পিউটার এমন একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র যা মানুষের ডেটার (Data) ভিত্তিতে অতি দ্রুত নির্ভুলভাবে কাজ করে সঠিক ফলাফল প্রদান করতে পারে। বর্তমান যুগে ফলাফল প্রদান করতে পারে। বর্তমান যুগে বহুমুখী ব্যবহারের ফলে আজ কম্পিউটার নামক যন্ত্রটি মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। কম্পিউটারে জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ। তাই বলা যায়, উদ্দীপক বিষয়-১ এ তথ্যপ্রযুক্তি মানুষকে যে উন্নয়নের পথে চালিত করে তা কম্পিউটার বিজ্ঞানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ.
উদ্দীপকে বিষয়-১ হলো কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিষয়-২ হলো নন্দনতত্ত্ব। নিচে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
কম্পিউটার হলো মানবসভ্যতার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। মানবজীবনে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে কম্পিউটারের প্রয়োগ নেই। কম্পিউটার এমন একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র যা মানুষের ডেটার (Data) ভিত্তিতে অতি দ্রুত নির্ভুলভাবে কাজ করে সঠিক ফলাফল প্রদান করতে পারে। বর্তমান যুগে বহুমুখী ব্যবহারের ফলে আজ কম্পিউটার নামক যন্ত্রটি মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। কম্পিউটারে জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ। তাই বলা যায়, উদ্দীপক বিষয়-১ এ তথ্যপ্রযুক্তি মানুষকে যে উন্নয়নের পথে চালিত করে তা কম্পিউটার বিজ্ঞানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
অপরদিকে, মূলবিদ্যার অন্যতম একটি শাখা হলো নন্দনতত্ত্ব। ইংরেজি 'Aesthetikos' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হলো নন্দনতত্ত্ব। ইংরেজি 'Aesthetics' শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'Aesthetics' শব্দ থেকে যার অর্থ হলো অনুভূতিপ্রবণ বা সংবেদনশীল। অর্থাৎ কোনো কিছু সম্পর্কে অনুভূতি প্রকাশ করা বা মনোভাব ব্যক্ত করাকে বোঝায়। তাই শাব্দিক অর্থে নন্দনতত্ত্ব বলতে কোনো কিছু প্রত্যক্ষ করে বা অনুভব করে অনুভূতি ব্যক্ত বা মনোভাব প্রকাশ করাকে বোঝায়। অনুভূতি ব্যক্ত বা মনোভাব প্রকাশ করা হলো এক প্রকার মূল্যায়ন। আর মূল্যায়ন মূলত সৌন্দর্য উপভোগ, রসবোধ ও রুচিবোধের বিষয়। তাই বলা যায়, নন্দনতত্ত্ব হলো দর্শনের এমন একটি শাখা যা সৌন্দর্য, শিল্প রসবোধ এবং রুচিবোধ নিয়ে আলোচনা করে এবং সুন্দরের প্রশংসা করে। সৌন্দর্যের নির্মল অনুভূতি ও শিল্পের সাবলিল রস আস্বাদনই এই বিদ্যার আলোচ্যক্ষেত্র।
সুতরাং উদ্দীপকে বিষয়-১ এ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিষয়-২ হলো নন্দনতত্ত্ব পরিলক্ষিত হয়।