Facebook Pixel

বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই কোনো না কোনো বিষয়ে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সদিচ্ছার ওপর ভিত্তি করেই বৈদেশিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেরই নিজস্ব বৈদেশিক নীতি রয়েছে। 'গ' একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিম্নলিখিত বৈদেশিক নীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসরণ করে- আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নীতি, স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতি ও পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব। ক. জাতিসংঘ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? খ. সার্কভুক্ত দেশগুলোর নাম লেখ। গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে- তুমি কি একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৯ঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। খ. সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। সার্কভুক্ত ৮টি দেশের নাম হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। গ. উদ্দীপকের নীতিটি অর্থাৎ 'সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়' হলো বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূলকথা হলো 'সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়'। উদ্দীপকের বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির এ বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এটি ছাড়াও বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির আরও কতকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নীতি। সিয়াটো, সেন্টো, ন্যাটো, ওয়ারশ প্রভৃতি জোটের সাথে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি সবসময়ই উন্নয়নমুখী। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বা পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমসার্বভৌমত্ব ও সমমযর্যাদার নীতিতে বিশ্বাস। এছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং অপর রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতি শুধু শ্রদ্ধাশীলই নয়, বরং তা আদর্শভিত্তিক ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ সমৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নিজ রাষ্ট্রের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতিকে পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া বাংলাদেশ সবসময়ই বিশ্বে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে আগ্রহী। ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি তথা বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী রাষ্ট্র। বিশ্বের সব দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কারও সাথে শত্রুতা নেই। বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিতে বিশ্বাস করে। সেই আলোকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চেষ্টা করছে। দেশটি স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতিতে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ নিজের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় বদ্ধপরিকর। বিশ্বশান্তির মহান ব্রত নিয়ে জাতিসংঘ সনদ, কমনওয়েলথ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, সার্ক প্রভৃতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের নীতির ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সরকার সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের পাঠাচ্ছে। এ মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা আজ বিশ্ব সমাদৃত। তাছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে বা যুদ্ধ সংঘটিত হলে বাংলাদেশ উদ্ভূত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি অর্থাৎ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই কোনো না কোনো বিষয়ে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সদিচ্ছার ওপর ভিত্তি করেই বৈদেশিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেরই নিজস্ব বৈদেশিক নীতি রয়েছে। 'গ' একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিম্নলিখিত বৈদেশিক নীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসরণ করে- আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নীতি, স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতি ও পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব। 

ক.

জাতিসংঘ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

খ.

সার্কভুক্ত দেশগুলোর নাম লেখ।

গ.

উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ.

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে- তুমি কি একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।