Facebook Pixel

বাংলাদেশে বিচার বিভাগের অধীন সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হলো সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অধীনে রয়েছে পুলিশ , কমিউনিটি পুলিশ , আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান , র‍‍্যাব ইত্যাদি। সকল প্রকার অপরাধ শনাক্তকরণ , দমন , শাস্তি প্রদান ও অপরাধের সূত্র খুঁজে বের করার কাজে সংস্থাটি কাজ করে থাকে। এসব সংস্থা আছে বলেই আমরা সমাজে অনেক নিরাপদে বসবাস করি। ক. কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি স্থায়ী ও সর্বজনীন ? খ. গণমাধ্যম বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের কার্যক্রম সংক্ষেপে লেখ। ঘ. উত্ত সংস্থাসমূহের সহায়তাদানে সমাজকর্মীর ভূমিকা আলোচনা কর।

বিষয়: সমাজকর্ম ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. সবচেয়ে বেশি স্থায়ী ও সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার। খ. সাধারণ অর্থে গণমাধ্যম বলতে জনগণের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমকে বোঝায়। মানুষের চিন্তাচেতনা, আবেগ, বিশ্বাস, আগ্রহ- অনাগ্রহসহ বিভিন্ন তথ্য কোনো মাধ্যমে অধিক সংখ্যক লোকের কাছে পৌছানোর বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে গণমাধ্যম বলা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র প্রভৃতি । গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রম বহুমুখী। বর্তমান সময়ের একটি মারাত্মক সামাজিক সমস্যা হলো অপরাধ । আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমস্যা নিরূপণে অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে চার্জশিট প্রদান করা। অপরাধীদের আটক , অপরাধ তদন্ত ও বিশ্লেষণ অপরাধীদের শাস্তি প্রদান অপরাধ প্রতিরোধমূলক যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টি , সর্বোপরি অপরাধ নির্মূল অভিযানে পরিচালনা প্রভৃতির মাধ্যমে ভূমিকা রাখে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও তার অপব্যবহার রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদকের চোরাচালান প্রতিরোধ , মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার ও আইনের হাতে হস্তান্তর এবং মাদকের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে প্রচারণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন , হত্যা , নারী নির্যাতন প্রতিরোধেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা রয়েছে। জঙ্গিবাদ , সন্ত্রাসবাদ , রাজনৈতিক সহিংসতা প্রভৃতি ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ দমন করে। আইনের শাসন ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি , সাইবার অপরাধ , চুরি , ডাকাতি , চোরাচালান প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালনা করে । ঘ. সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ বাস্তবসম্মত। আমাদের সমাজে অনেক অন্যায় , অবিচার , অপরাধ সংঘটিত হতে দেখা যায়। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা , মানসম্মানের ভয় , প্রতিপক্ষের চেয়ে দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা , সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যে আইনগত সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে , সে ব্যাপারে ব্যক্তি সমাজকর্মের অন্যতম কৌশল কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে তথ্যদানের পাশাপাশি তাদেরকে পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা যায়। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে যোগাযোগ তৈরি করে দিতে পারে। আবার সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতির মাধ্যমে সমাজে বিভিন্ন অপরাধবিরোধী পরিবেশ তৈরি করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায়। অন্যদিকে , সমাজে বিবাদ বা দ্বন্দ্ব অনেক সময় শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হয়ে থাকে। বিবাদ - বিসংবাদে পক্ষদ্বয় অনেক সময় আইনের আশ্রয় গ্রহণ করে থাকে। পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতের বাইরে আপন মীমাংসার জন্য সমাজকর্মীরা তাদের পদ্ধতির জ্ঞান ব্যবস্থা করতে পারে। এছাড়াও সমাজকর্মীরা তাদের বৈচিত্র্যময় কৌশলগুলো কিশোর অপরাধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

বাংলাদেশে বিচার বিভাগের অধীন সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হলো সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অধীনে রয়েছে পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, র‍‍্যাব ইত্যাদি। সকল প্রকার অপরাধ শনাক্তকরণ, দমন, শাস্তি প্রদান ও অপরাধের সূত্র খুঁজে বের করার কাজে সংস্থাটি কাজ করে থাকে। এসব সংস্থা আছে বলেই আমরা সমাজে অনেক নিরাপদে বসবাস করি।

ক.

কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি স্থায়ী ও সর্বজনীন?

খ.

গণমাধ্যম বলতে কী বোঝায়?

গ.

উদ্দীপকে উল্লিখিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের কার্যক্রম সংক্ষেপে লেখ।

ঘ.

উত্ত সংস্থাসমূহের সহায়তাদানে সমাজকর্মীর ভূমিকা আলোচনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।