Facebook Pixel

বাংলাদেশের GDP-তে মৎস্য খাতের অবদান নিচের তালিকায় প্রদর্শিত হলো: ক. কৃষিপণ্যের বিপণন কী? খ. মাশরুম মানবদেহের জন্য উপকারী খাদ্য- ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের GDP-তে মৎস্য খাতের অবদানের লেখচিত্র অঙ্কন করো। ঘ. “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনা- রয়েছে”-উদ্দীপকের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো ।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ বাংলাদেশের কৃষি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্য যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌঁছায় সে প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থা বলে। খ. মাশরুম উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। মাশরুম টিউমার/ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। এইডস প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এটি ডেঙ্গু জ্বর, অর্শরোগ, অ্যাজমা রোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যালার্জি ও জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। সুতরাং বলা যায়, মাশরুম মানবদেহের জন্য উপকারী খাদ্য। গ. বাংলাদেশের GDP তে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে । দেশের জনসাধারণের আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনসহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে (২০২১-২২) বাংলাদেশে ৪৬.২১ লক্ষ টন মাছ উৎপাদন হয়। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ তৃতীয়। উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের GDP-তে মৎস্য খাতের অবদানের লেখচিত্র অঙ্কন করা হলো— ওপরের চিত্রে ভূমি অক্ষে অর্থবছর এবং লম্ব অক্ষে GDP-তে মৎস্য খাতের অবাদন নির্দেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন অর্থবছরের সাপেক্ষে -বাংলাদেশের মৎস্য খাতে GDP-এর অবদান লেখচিত্রে দেখানো হয়েছে। ঘ. বাংলাদেশের কৃষির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো মৎস্য খাত । বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল ও সামুদ্রিক মৎস্য নিয়ে মৎস্য খাত গঠিত। মৎস্য খাত যেমন একদিকে আমাদের খাদ্যের যোগান দেয় তেমনি শিল্পের কাঁচামালেরও যোগান দেয়। আবার মৎস্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । উদ্দীপকে ২০০৯-১০ অর্থবছরে GDP তে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের আয় ছিল ২১,৬০৭ কোটি টাকা। এ সময় এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.৬০%। অনুরূপভাবে ২০১০-১১ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে GDP তে মৎস্য খাতের আয় বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ২৩,০৫১ ও ২৪,২৭৯ কোটি টাকা হয়েছিল । এ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৪.৬৯% ও ৫.৩২% হয়েছিল। এরপর ২০১৩-১৪ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতের আয় বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ২৭,৪১৯ ও ৩৭,১৪৬ কোটি টাকা হয়েছিল। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমলেও আয় বেড়েছে। বাংলাদেশের মৎস্য খাতের প্রধান উৎস হলো অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উৎস। রুই, কাতলা, মৃগেল, শিং, কই, মাগুর প্রভৃতি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পাওয়া যায়। এ উৎসে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশে বিশ্বের চতুর্থ। গলদা চিংড়ি, ইলিশ, রূপচাঁদা, ডেটকি, রিটা প্রভৃতি সামুদিক 'উৎস থেকে পাওয়া যায়। বর্তমানে সামুদ্রিক মাছ উৎপাদন প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নতর প্রযুক্তির ব্যবহার ও যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সাফল্য ধরে রাখতে হবে। আর এ সাফল্য ধরে রাখতে পারলে অচিরেই বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ স্থানে উন্নীত হতে পারবে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

বাংলাদেশের GDP-তে মৎস্য খাতের অবদান নিচের তালিকায় প্রদর্শিত হলো:

ক.

কৃষিপণ্যের বিপণন কী?

খ.

মাশরুম মানবদেহের জন্য উপকারী খাদ্য- ব্যাখ্যা কর।

গ.

উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের GDP-তে মৎস্য খাতের অবদানের লেখচিত্র অঙ্কন করো।

ঘ.

 “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের বিপুল সম্ভাবনা- রয়েছে”-উদ্দীপকের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো ।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।